Search for:
ট্রেড লাইসেন্স কী? ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ?

ট্রেড লাইসেন্স কী? 

অনলাইন ই-ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে?

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। প্রশু হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে করবেন ?  সাধারণত সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা , জেলা ও উপজেলা পরিষদ থেকে এটি প্রদান করা হয়। শুধু ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা যায়। ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে না জানার কারণে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়ে থাকেন। আমরা জানব –

ট্রেড লাইসেন্স কীঃ  ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স। এটি ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট ।আমাদের দেশে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী আছেন, যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। ব্যবসার লাইসেন্স মানে হিচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । তাই আপনার বৈধ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। 

ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ?

১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ ত্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাকে অবশ্যই কোনো না কোনো ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে। 

যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে সিদ্ধান্ত নিনঃ

যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারণ এবং ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপণ। আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুন। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি করপোরেশন  এলাকা যেমন , ঢাকা , চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর,ময়মনসিংহ কিংবাবরিশালে হয় তাহলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোনো পৌর এলাকায় হয়ে থাকে, তাহলে ওয়ি এলাকার পৌর কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম।

ট্রেড লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবেঃ

ধাপ ১ঃ নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

ধাপ ২ঃ প্রতিষ্ঠান /কারখানা / কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৩ঃ প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান / কারখানা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসমূহ নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৪ঃ প্রতিষ্ঠান / কারখানা / কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার মানচিত্রের অনাপত্তিনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৫ঃ কারখানা /সিএনজি স্টেশন / দাহ্য পদার্থের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর / ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র / অনুমতিপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৬ঃ আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৭ঃ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৮ঃ প্রতিষ্ঠান প্রেস / পত্রিকা হলে ডিক্লারেশনপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৯ঃ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ ট্যাক্সের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ায় চুক্তিপত্র /রশিদ আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

যাবতীয় কাগজপত্র দাখিলের পর করপোরেশনের ইন্সপেক্টর প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করার পর নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি আদায় করে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন । ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে নবায়ন করতে হয়। 

ধরন বা ক্যাটাগরি নির্বাচনঃ  

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনাকে ব্যবসার ক্যাতাগরি নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করেন তাহলে পরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ২০১৬ সালের গেজেট অনুযায়ী ২৯৪ টি ক্যাটাগরিতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়। ভালোভাবে ব্যবসার প্রকৃতি বিবেচনা করে নির্ধারিত ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। 

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ সাধারণ ব্যবসার ক্ষত্রে (General business license) দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের ফটোকপি , আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা / শর্তাবলি জমা দিতে হবে। 

ফ্যাক্টরির / কারখানার ক্ষেত্রে ( Factory / factories in the case of a trade license) পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি।

প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসহ নকশা / লোকেশন ম্যাপ, প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তীর অবস্থান / স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা। ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গীকারনামা ৩০০ টাকাএ জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরিত। 

ই – কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স

অনলাইন কমার্স ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে। তবে আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা করতে চান, সেক্ষেত্রে লাইসেন্স না করে ব্যবসা করা যেতে পারে। কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে আপনি কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। বেশি অ্যামাউন্টের কোনো পণ্য অর্ডার পেলেও সাপাই করতে পারবেন না। কোনো প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। বিভিন্ন ট্রেড বডিজ, চেম্বারের সদস্য হতে পারবেন না। ট্রেড লাইসেন্স আইন বা বিধিমালা শুধু একটি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে। কোনোক্রমেই অন্য কোনো ক্যাটাগরির ব্যবসার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না। নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য নতুন আরেকটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে । একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু একটি ব্যবসার ব্যবহার করতে পারবেন। এটি কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তরযোগ্য নয়। 

ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স কী এবং কেন প্রয়োজন ?

উত্তরঃ নাম শুনে নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন ট্রেড লাইসেন্স মানে ব্যবসার অনুমতি পত্র। আপনি যদি নতুন উদ্যেক্তা হয়ে থাকেন, দেশের আইন অনুসারে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবসায়ের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। সেটাই ট্রেড লাইসেন্স। ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য।

প্রশ্নঃ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলতে কী বুঝায় ? 

উত্তরঃ স্থানীয় সরকারকে বুঝায়। সাধারণত মেট্রো সিটিতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভায় পৌর কর্তৃপক্ষ আর গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে থাকে। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ? 

উত্তরঃ খুব বেশি কিছু নয়। তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, যদি একাধিক অংশীদার থাকেন তাহলে প্রত্যেকের তিন কপি করে ছবি। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি এবং যে বাড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে বা অফিস রয়েছে তার বাড়িওয়ালার সাথে সম্পাদিত চুক্তির ফটোকপি। যে চুক্তিটি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পাদিত হয়েছে। এই তিনটি জিনিসা অতি দরকার। নিজের বাড়ি হলে হোল্ডিং কর পরিশোধের রসিদের ফটোকপি। আর বর্তমানে ইউটিলিটি বিলের কপি জমা দিতে হয় অথবা সার্ভিস চার্জের রশিদ। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স খরচ কেমন ? 

উত্তরঃ ব্যবসা অনুসারে ট্রেড লাইসেন্সের খরচ। যেমন, ঠেলাওয়ালার জন্য হয়তো ২০০ টাকা , আর আমদানি – রপ্তানির জন্য তা হয়তো ২ হাজার টাকা। তবে ঢাকা সিটি করপোরেশনের অধীনে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রেট আছে। ই – কমার্সের যেহেতু কোনো ক্যাটাগরি  নেই তাই সফটওয়্যার, আইটি বা জেনারেল সাপায়ার হিসেবে লাইসেন্স নিতে হয়। এজন্য সরকারি ফিস ৮৫০ থেকে ১৭০০ টাকা কিন্তু আপনার খরচ পড়বে কম – বেশি ৪ হাজার। আর কোনো ফার্মের সাহায্য নিলে ৫ হাজার। অন্য ব্যবসার জন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নির্ধারিত ফি জেনে নিতে পারেন। 

প্রশ্নঃ ই – কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের খরচ কেমন ?

উত্তরঃ আমাদের ব্যবসায়িক তালিকায় এখনো ই – কমার্স যুক্ত হয়নি। এ ক্যাটাগরিতে এখনো  লাইসেন্স দেয়া হয় না। তবে আইটি অথবা সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স নেয়া যেতে পারে। এজন্য দাপ্তরিক খরচ ১১ শ ‘ টাকা  থেকে ১৫ শ’’  কিন্তু অন্যান্য খরচ  যেমন সাইনবোর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্স আর সংশ্লিষ্ট খরচ মিলিয়ে এটা ৪ – ৫ হাজারে গিয়ে ঠেকে। 

প্রশ্নঃ কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবেন ? 

উত্তরঃ আপনি সরাসরি  ইউনিয়ন পরিষদ অফিস , সিটি করপোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে  ট্রেড  লাইসেন্স  বানাতে পারেন। তবে আজকাল অনেক কনসালটেন্সি  ফার্ম আছে যারা নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জের  বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে । নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে এসব ফার্মের হেল্প নিতে পারেন।

এরপর যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা। সব ব্যাংকে এই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এরপর ক্ষেত্রবিশেষে মুসক বা ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি ফিস ১ থেকে ৫ হাজার টাকা হলেও বাস্তবে কাজ করতে গেলে চার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগে। যাদের আমদানি – রপ্তানির ব্যবসা আছে তাদের আরো বেশি টাকা লাগতে পারে।  

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তরঃ ক। ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা ও পেশার অনুমতি আর কোম্পানি রেজিট্রেশন হলো ব্যবসা এনজিও সমাজসেবা প্রভৃতির জন্য । 

খ। ট্রেড লাইসেন্স একটা নির্দিষ্ট এরিয়ার কার্যালয় স্থাপনের জন্য আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন সারা বাংলাদেশের জন্য ।

গ। ট্রেড লাইসেন্স হলো ব্যবসা করতে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই, কিন্তু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন হলেও ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়।

ঘ। ট্রেড লাইসেন্স আপনি প্রতিষ্ঠানের যে নাম দেবেন তা আবার অন্য কেউ দিতে পারবে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলে একই নামে আর কোনো ব্যক্তি কোম্পানি খুলতে পারবে না । যদি খোলে আপনি আইনগত  ব্যবস্থা নিতে পারবেন। 

ঙ। ট্রেড লাইসেন্সের খরচ ব্যবার ক্যাটাগরি অনুসারে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের খরচ কোম্পানি কত টাকা বিনিয়োগ করবে তার ওপর। কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ ৩০,০০০ থেকে শুরু। 

চ। ট্রেড লাইসেন্সের সাধারণ স্থানীয় ব্যবসার নিয়মনীতির ওপর চলে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনে কোম্পানি গঠিত হয় কোম্পানি আইন অনুসারে। এর নির্দিষ্ট ফরমেট রয়েছে। 

ছ। আলাদাভাবে পণ্য বা ব্রান্ড রেজিস্ট্রেশনের জন্য ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করতে হয়, যাতে সে নাম এবং মার্কটি অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে । যেমন, বাতা, কোকাকোলা এগুলো কেউ হুবহু ব্যবহার করতে পারবে না।  

প্রশ্নঃ আমি ব্যবসা করি চট্টগ্রামে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় মাল 

পাঠাতে হলে আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।  

উত্তরঃ যেখানে আপনার অফিস বা ব্যবসার ঠিকানা শুধু সেখানেই ট্রেড লাইসেন্স নেবেন। তবে ঢাকায় যদি আরেকটা অফিস নেন তখন এখানে আরেকটা ট্রেড লাইসেন্সের প্রশ্ন আসবে। কিন্তু ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কোনো বাধা নয়। 

প্রশ্নঃট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম – ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি ? 

উত্তরঃ ফি প্রদান ও এফিডেফিটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য পরিবর্তন করা যায়। 

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে করা যায় না। তবে বিভিন্ন রকমের পণ্য তৈরি করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাটাগরি হবে জেনারেল সাপটায়ার ।

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ কতদিন ? মেয়াদ পূর্ণ হলে কী করতে হবে ? 

উত্তরঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ এক অর্থ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনি নবায়ন করে নিতে পারবেন। তবে নবায়ন না করলে যে আপনার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা নয়। বিষয়টা হলো নবায়ন করলে আপনার একটা আইনগত বৈদতা থাকল। অন্যদিকে নবায়ন না করলে পরে জরিমানাসহ নবায়ন করতে হয়। তখন অনেক কষ্ট হয়। কারণ জমে গিয়ে টাকার অ্যামাউন্টটা তখন হয়ে যায়। তাই প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন করা ভালো। 

প্রশ্নঃ এক এলাকার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি অন্য এলাকায় ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ আইনগতভাবে যায় না । তবে বাংলাদেশে এটা কমন বিষয়, আবাসিক এলাকায় যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে। তাদের কারো ঠিকানা সে এলাকায় নয়। সাধারণত সিটি কর্তৃপক্ষ আবাসিক এলাকার নামে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে না বলে তারা অন্য ঠিকানা দিয়ে লাইসেন্স নিয়ে থাকেন। 

অনলাইনে ই – ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে ? 

ই – ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারেন অনলাইনে।আবেদন করার জন্য সরকারি নিবন্ধন সাইটে গিয়ে ফরম ফিলাআপ করতে হবে। আপনি কিভাবে আবেদন করবেন তা বিস্তারিত জানার জন্য ই – ট্রেড লাইসেন্স নির্দেশিকা দেখতে পারেন। ই – ট্রেড লাইসেন্স নিবন্ধন করতে পারবেন নিচের লিংকে  http://www.etradelicense.gov.bd

নিজেই বানিয়ে নিন ই – টিন 

করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই – টি আইএন করদাতা হিসেবে ( e – TIN ) রেজিট্রেশন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে । এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ পেরোনোর মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ১২ ডিজিটের একটি নতুন টি আইএন। বর্তমানে যাদের টি আইএন আছে , তাদেরও নতুন পদ্ধতির টি আইএন এর জন্য রি – রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র , মোবাইল ফোন নম্বর ও কোম্পানির ক্ষেত্রে রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস ( RJSC ) – এর নিবন্ধন নম্বর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সরকারি  কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন অথবা ব্যবসায়ী হন এবং আপনার বার্ষিক আর যদি আড়াই লাখ টাকার অধিক হয় তবে আপনাকে অবশ্যই ই – টি আইএন নাম্বার গ্রহণ করে নিবন্ধিত হতে হবে। 

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ – এর আওতায় আয় নূন্যতম করমুক্ত আয়ের সীমা ( ২ লাখ ৫০ হাজার ) অতিক্রম করেলে রিটার্ন দাখিলের জন্য একজন করদাতাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্তর্গত কোনো আয়কর কমিশনারের অধীনস্থ সার্কেল থেকে ১২ ডিজিটের ই – টি আইএন অর্থাৎ ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর নিতে হয়। এটা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। একজন করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে করদাতা হিসেবে সনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয় ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন। একজন করদাতা সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধনের প্রক্রিয়া জানানো হলো। অনলাইনে ই – টি আইএন রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা প্রয়োজন – 

প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকঃ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / পাসপোর্ট নম্বর, পূর্বের ( রি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ) 

অপ্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক : অভিভাবকের ১২ ডিজিটের টিআই এন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন (রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

প্রাপ্তবয়স্ক বিদেশি নাগরিগ :পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

অপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিক : নিজের এবং অভিভাবকের পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

লিমিটেড কম্পানি : কোম্পানির ইনকরপোরেশন নম্বর ,তারিখ পূবের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

রেজিস্ট্রার্ড ফার্ম : রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)- এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রেজিস্ট্রেশন তারিখ, অংশীদারদের ১২ ডিজিটের নম্বর টিআইএন ( নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ) , পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

আন – রেজিস্টার্ড ফর্ম : অংশীদারদের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), পূর্বের টিআইএন ৯ ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে) 

ধারা ২(২০) অনুযায়ী গঠিত অন্যান্য কোম্পানি :  করদাতার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ফ্যাক্স নম্বর ও ই – মেইল আইডি ( রেজিস্ট্রেশন ক্ষেত্রে ), পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে )

নতুন পদ্ধতিতে ই – টিআইএন রেজিস্ট্রেশনের শুরুতে প্রত্যেককে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।অ্যাকাউন্ট তৈরির জন্য www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

Shakh Neamul Hasan
১৫তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও তরজমা।

★ ১৫তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৫তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১৮তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

১৮তম পারা (সুরা মু’মিনুনের ১নং আয়াত থেকে সুরা ফুরকানের ২০নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো-

•মুমিনগণ সফলকাম হয়ে গেছে,
যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র;
যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত,
যারা যাকাত প্রদান করে থাকে;
এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। [সুরা মু’মিনুন- ১-৫]

•আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।
অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি। এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি, এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি, অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত করেছি, অবশেষে তাকে নতুন রূপে দাঁড় করিয়েছি। নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়। [সুরা মু’মিনুন- ১২-১৪]

•আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন, তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা। [সুরা মু’মিনুন-৪৪]

•নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তার ভয়ে সন্ত্রস্ত;
যারা তাদের পালনকর্তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে;
যারা তাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করে না;
এবং যারা যা দান করবার, তা ভীত, কম্পিত হৃদয়ে এ কারণে দান করে যে, তারা তাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করবে;
তারাই কল্যাণ দ্রুত অর্জন করে এবং তারা তাতে অগ্রগামী। [সুরা মু’মিনুন- ৫৭-৬১]

•আমি কাউকে তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব অর্পন করি না। [সুরা মু’মিনুন-৬২]

•আল্লাহ কোন সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর সাথে কোন মাবুদ নেই। থাকলে প্রত্যেক মাবুদ নিজ নিজ সৃষ্টি নিয়ে চলে যেত এবং একজন অন্যজনের উপর প্রবল হয়ে যেত। তারা যা বলে, তা থেকে আল্লাহ পবিত্র। [সুরা মু’মিনুন-৯১]

•বলূনঃ হে আমার পালনকর্তা, ক্ষমা করুন ও রহম করুন। রহমকারীদের মধ্যে আপনি শ্রেষ্ঠ রহমকারী। [সুরা মু’মিনুন-১১৮]

•যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে, অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান। [সুরা নুর-৪]

•যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। [সুরা নুর-১৯]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সবকিছু শোনেন, জানেন। [সুরা নুর-২১]

•যারা সতী-সাধ্বী, নিরীহ ঈমানদার নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি। [সুরা নুর-২৩]

•হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। [সুরা নুর-২৭]

•যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না। যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন। [সুরা নুর-২৮]

•মুমিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। [সুরা নুর-৩০]

•ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে; এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে; তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। [সুরা নুর-৩১]

•এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে। [সুরা নুর-৩৭]

•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রুযী দান করেন। [সুরা নুর-৩৮]

•আল্লাহ যাকে জ্যোতি দেন না, তার কোন জ্যোতিই নেই। [সুরা নুর-৪০]

•তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। [সুরা নুর-৪১]

•যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর শাস্তি থেকে বেঁচে থাকে তারাই কৃতকার্য। [সুরা নুর-৫২]

•তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে; এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন; এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য। [সুরা নুর-৫৫]

•নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও। [সুরা নুর-৫৬]

•তারা চিরকাল বসবাসরত অবস্থায় সেখানে (জান্নাতে) যা চাইবে, তাই পাবে। এই প্রার্থিত ওয়াদা পূরণ আপনার পালনকর্তার দায়িত্ব। [সুরা ফুরকান-১৬]

•আমি তোমাদের এক কে অপরের জন্যে পরীক্ষাস্বরূপ করেছি। দেখি, তোমরা সবর কর কিনা। আপনার পালনকর্তা সব কিছু দেখেন। [সুরা ফুরকান-২০]

Tarabi Salat
১৪তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও তরজমা

★ ১৪তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৪তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১৭তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

১৭তম পারা (সুরা আম্বিয়ার ১নং আয়াত থেকে সুরা হজ্জ্বের ৭৮নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•আকাশ ও পৃথিবী এবং যা এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। [ সুরা আম্বিয়া-১৬ ]

•তারা মাটি হইতে তৈরী যেসব দেবতা গ্রহণ করেছে, সেসব কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম? [ সুরা আম্বিয়া-২১ ]

•আমি আপনার পূর্বে এমন কোন রাসূল প্রেরণ করেনি, তার প্রতি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এই ওহী ব্যতীত। সুতরাং তোমরা আমারই এবাদত কর। [ সুরা আম্বিয়া-২৫ ]

•কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম এবং প্রাণবান সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না? [ সুরা আম্বিয়া-৩০ ]

•(আল্লাহই) সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে। [ সুরা আম্বিয়া-৩৩ ]

•জীব মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আম্বিয়া-৩৫ ]

•তবে কি আমি ব্যতীত তাদের এমন দেব-দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করবে? তারা তো নিজেদেরই সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং তারা আমার মোকাবেলায় সাহায্যকারীও পাবে না। [ সুরা আম্বিয়া-৪৩ ]

•আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম হবে না। যদি কোন আমল সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা উপস্থিত করব এবং হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট। [ সুরা আম্বিয়া-৪৭ ]

•তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকারও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ? [ সুরা আম্বিয়া-৬৬ ]

•অতঃপর যে কেহ মুমিন অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার প্রচেষ্টা অস্বীকৃত হবে না এবং আমি তা লিপিবদ্ধ করে রাখি। [ সুরা আম্বিয়া-৯৪ ]

•তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের পুজা কর, সেগুলো দোযখের ইন্ধন। তোমরা সবাই তাতে প্রবেশ করবে। [ সুরা আম্বিয়া-৯৮ ]

•এই মূর্তিরা যদি উপাস্য হত, তবে জাহান্নামে প্রবেশ করত না। প্রত্যেকেই তাতে চিরস্থায়ী হয়ে পড়ে থাকবে। [ সুরা আম্বিয়া-৯৯ ]

•সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। প্রতিশ্রুতি পালন করা আমার কর্তব্য, আমি এটা পালন করবই। [ সুরা আম্বিয়া-১০৪ ]

•আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি। [ সুরা আম্বিয়া-১০৭ ]

•হে লোক সকল! তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার। [ সুরা হাজ্জ্ব-১ ]

•যেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যধাত্রী তার দুধের শিশুকে বিস্মৃত হবে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং মানুষকে তুমি দেখবে মাতাল সদৃশ; অথচ তারা নেশাগ্রস্থ নয়; বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব কঠিন। [ সুরা হাজ্জ্ব-২ ]

•হে লোকসকল! যদি তোমরা পুনরুত্থানের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ হও, তবে (ভেবে দেখ-) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি। এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্যে। আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে মাতৃগর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই, এরপর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি; তারপর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পণ কর। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে হীনতম বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়, যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায় এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। [ সুরা হাজ্জ্ব-৫ ]

•কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন। [ সুরা হাজ্জ্ব-৭ ]

•কতক মানুষ জ্ঞান; প্রমাণ ও উজ্জ্বল কিতাব ছাড়াই আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে। [ সুরা হাজ্জ্ব-৮ ]

•মানুষের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিধা-দ্বন্দ্বে জড়িত হয়ে আল্লাহর এবাদত করে। যদি সে কল্যাণ প্রাপ্ত হয়, তবে এবাদতের উপর কায়েম থাকে; এবং যদি কোন পরীক্ষায় পড়ে, তবে পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়। সে ইহকালে ও পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত। এটাই প্রকাশ্য ক্ষতি [ সুরা হাজ্জ্ব-১১ ]

•সে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে, যে তার অপকার করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না। এটাই চরম পথভ্রষ্টতা। [ সুরা হাজ্জ্ব-১২ ]

•যারা কুফরী করে, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে। ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে। তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।
তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর। [ সুরা হাজ্জ্ব-১৯-২২ ]

•তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক এবং মিথ্যা কথন থেকে দূরে সরে থাক; [ সুরা হাজ্জ্ব-৩০ ]

•আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদেরকে সাহায্য করবেন, যারা আল্লাহর সাহায্য করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী শক্তিধর। [ সুরা হাজ্জ্ব-৪০ ]

•আমি কত জনপদ ধ্বংস করেছি এমতাবস্থায় যে, তারা ছিল গোনাহগার। এই সব জনপদ এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে এবং কত কূপ পরিত্যক্ত হয়েছে ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদ ধ্বংস হয়েছে। [ সুরা হাজ্জ্ব-৪৫ ]

•যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে আছে পাপ মার্জনা এবং সম্মানজনক রুযী। [ সুরা হাজ্জ্ব-৫০ ]

•তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের পূজা কর, তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না, প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়, উভয়েই শক্তিহীন। [ সুরা হাজ্জ্ব-৭৩ ]

Required fee needed to collect import license:
Serial বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমাপ্রাথমিক নিবন্ধন ফিসবার্ষিক নবায়ন ফিস
প্রথমটা: ৫০০০০০টা: ৫০০০টা: ৩০০০
দ্বিতীয়টা: ২৫০০০০০টা: ১০০০০টা: ৬০০০
তৃতীয়টা: ৫০০০০০০টা:১৮০০০টা: ১০০০০
চতুর্থটা: ১০০০০০০০টা: ৩০০০টা:১৫০০০
পঞ্চমটা: ৫০০০০০০০টা: ৪৫০০০টা:২২০০০
ষষ্ঠটা: ৫০০০০০০০ এর উর্ধ্বেটা: ৬০০০০টা: ৩০০০০
বিস্তারিত জানতে

আমাদের ক্লাসে জয়েন করেন।বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন।
পেজ লিংকঃ
www.facebook.com/redlovedigital
ওয়েবসাইটঃ
www.redlovedigital.com

গ্রুপ লিংকঃ
facebook.com/groups/205793047964378
ইউটিউব চ্যানেলঃ
RED LOVE DIGITAL
youtube.com/c/redlovedigital
Mobile Number : 01894-895949
Email –
redlil6969@gmail.com

ধন্যবাদ।

কোম্পানী গঠন সহ বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স এর প্রয়োজনীয় ডকুন্টেস এর বিবরণ 

 Red Love Digital

A reputed Marketing, Packaging, Import, Export, Buyinghouse, Consulting Firm & business Developer in Bangladesh 

কোম্পানী গঠন সহ বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স এর প্রয়োজনীয় ডকুন্টেস এর বিবরণ 

০১।  লিমিটেড কোম্পানী করতে যা যা লাগে 

প্রাথমিক তথ্য 

  1. প্রস্তাবিত কোম্পানীর নাম 
  2. চেয়ারম্যান
  3. এম ডি
  4. মেইন বিজনেস
  5. অথরাইজড কেপিটাল
  6. পেইড আপ কেপিটাল
  7. বিশেষ কোন নির্দেশনা 

প্রত্যেক ডিরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডার যে তথ্যগুলো দিবেন

  1. NID 
  2. TIN 
  3. ছবি
  4. সিগনেচার
  5. ঠিকানা 
  6. মোবাইল নাম্বার
  7. ইমেইল
  8. সেয়ার পার্সেন্টেজে  

০২. ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে ?

ক) ট্রেড লাইসেন্স – এ যে ঠিকানা ব্যবহার করা হবে তা অবশ্যই বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে হতে হবে। আইন নেই কিন্তু বা বাস্তবে আবাসিক ঠিকানায় ও অনেক সময় ট্রেড লাইসেন্স করা যায়। 

খ) অফিস ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যাযিত ফটোকপি নিজের অফিস হলে ইউটিলিটিবিল বিল এবনং হালনাগাত হোল্ডি ট্যাঙ্গ পরিশোধের এর ফটোকপি 

গ) আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি 

ঘ) ব্যবসা যদি যোথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ২০০০ টাকার নন – জুডিসশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের রেজিষ্টি অঙ্গীকারনামা / শর্তাবলী জমা দিতে হবে। 

55/A, Purana Paltan, H.M Siddique Mansion, 2nd Floor, Dhaka – 1000

Phone : 

E- mail : 

Facebook : 

Twitter :

Linkedin :

আমরা  বেকারত্ব সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করে ব্যবসায়িক জাতি গঠনে অঙ্গীকারবদ্দ। ব্যবসায়িক জাতির গর্বিত অনংশীদার হতে Youtube এ Huzaifa Enterprize চ্যানেলটি Subscribe করুন। 

Red Love Digital

A reputed Marketing, Packaging, Import, Export, Buyinghouse, Consulting Firm & business Developer in Bangladesh

০২. IRC ইমপোর্ট ও ERC এক্সপোর্ট লাইসেন্স পেতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ? 

ক. ট্রেড লাইসেন্স 

খ. কোম্পানী হলে ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট 

গ. টিন সার্টিফিকেট 

ঘ. ব্যানংক সল্ভেন্সি

ঙ. চেম্বার অব কমার্স এর সনদপত্র

চ. জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি 

০৩ . TM করতে কি কি লাগে ? 

ট্রেড লাইসেন্স 

টি আই এন (TIN)

এন আই ডি (NID)

পাসপোর্ট সাইজ ফটো (২ কপি )

লগো (২O বাই ২ঃ ২” বাই ২ – ১ / ২” ) ৫ টি প্রিন্ট 

আবেদন ফরম / Online Application 

০৪. চেম্বার অফ কমার্স এর মেম্বর হতে করণীয়

  1. ট্রেড লাইসেন্স 
  2. টি আই এন (TIN)
  3. এন আই ডি (NID)
  4. ব্যানংক একাউন্ট 
  5. ছবি
  6. কোম্পানী প্যাড
  7. ভিজিটিনং কার্ড
  8. কোন চেম্বারের মেম্বার হতে চান সেই প্রাক্ষত বিশেষ নিদেশনা / সত্যায়নকারীর / প্রস্তাবকারী / সমর্তনকারী . বর্তমান দুজন সদস্য

০৫. আমাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে এক্সপোর্ট – ইমপোর্ট করতে চাইলে যা যা লাগবে 

  • NID ও Passport 
  • পাসপোর্ট সাইজ ২ কপি ছবি
  • বিদেশী কোম্পানির ডিটেইলস  
  • অবৈধ / নিষিদ্ধ কোন পণ্য নেই এই মর্ম অঙ্গীকার নামা 
  • আমাদের নির্ধারিত ফর্ম আমাদের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষর 
  • ফি ৫% 

এছাড়া ফায়ার লাইসেন্স, ‍পরিবেশ, কলকারখানা, বিএসটিআই সহ সকল ধরনের লাইসেন্স তৈরীতে সহযোগিতা করা হয়। লাইসেন্স দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা সরকার নির্ধারিত কতৃপক্ষের, আমরা শুধু মাত্র সহযোগিতা করে থাকি ।

যে কোন লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে যেকোন কারণে দেরি হতে পারে। লাইসেন্স করতে দেওয়ার সময় থেকে হাতে আসার আগ পর্যন্ত কোন কিছু নিশ্চিত নয় ধরে নিতে হবে। 

Phone : 

E- mail : 

Facebook : 

Twitter :

Linkedin :

১।ব্যবসা কাকে বলে ? কত প্রকার ও কী কী ?

ব্যবসা কি ?

১।ব্যবসা কাকে বলে ? কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তরঃ পণ্য – দ্রব্য ও সেবাকর্ম উতপাদন, বিনিময় ও এর সহায়ক কাজের সমষ্টিকে ব্যবসা বলে। আধুনিক ব্যাবসাকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ

১।শিল্প (Industry),

২। বাণিজ্য (Commerce)

৩। প্রত্যক্ষ সেবা ( Direct Services)।

১। শিল্প (Industry): কাঁচামাল বা প্রাথমিক দ্রব্যকে কারখানাভিত্তিক প্রস্তুত প্রণালির মাধ্যমে মাধ্যমিক বা চূড়ান্ত দ্রব্যের রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে শিল্প বলা হয়। অথবা যে প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ কাঁচামালে রূপদান এবং প্রকৃয়াজাতের মাধ্যমে কাঁচামালকে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্যে পরিণত করা হয় তাকে শিল্প বলা হয়।

আকারের ভিত্তিতে শিল্প চার প্রকার । যথাঃ ক . বৃহৎ শিল্প, খ .মাঝারি শিল্প, গ .  ক্ষুদ্র শিল্প, ঘ . কুটির শিল্প।

ক .বৃহৎ শিল্পঃ  এই শিল্পে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১০ কোটি টাকার অধিক এবং ১০০ জনেরও অধিক শ্রমিক কাজ করে। 

খ .মাঝারি শিল্পঃ এই শিল্পে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১০ কোটি টাকার কম ২৫ হতে ১০০ জন শ্রমিক কাজ করে। 

গ .ক্ষুদ্র শিল্পঃ  এই শিল্পে স্থায়ি সম্পদের মূল্য ১.৫০ কোটি টাকা এবং ২৫ জনেরও কম শ্রমিক কাজ করে। 

ঘ.কুটির শিল্পঃ এই শিল্পে বিদ্যুৎ ব্যবহার ছাড়াই শুধু পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকে ।

শিল্পকে প্রধানত ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ ১.প্রজনন শিল্প (Genetic Industry) ২.নিষ্কাশন শিল্প (Extractive Industry) ৩.নির্মাণ শিল্প (Construction Industry) ৪.উৎপাদন শিল্প (Manufacturing Industry) ৫.সেবা শিল্প (Service Industry)।

১.প্রজনন শিল্পে (Genetic Industry): প্রজনন শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী পুনারায় সৃষ্টি বা উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন, নার্সারি, হ্যাচারি ইত্যাদি। 

২. নিষ্কাশন শিল্প (Extractive Industry): নিষ্কাশন শিল্পের মাধ্যমে ভূগর্ভ, পানি বা বায়ু হতে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করা হয়। যেমন, খনিজ শিল্প। 

৩. নির্মাণ শিল্প (Construction Industry): নির্মাণ শিল্পের মাধ্যমে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়। 

৪. উৎপাদন শিল্প(Manufacturing Industry): উৎপাদন শিল্পে শ্রম ও যন্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমে কাঁচামালকে প্রক্রিয়াজাত করে চূড়ান্ত পণ্যে রূপান্তর করা হয়। 

৫ সেবা শিল্প ( Service Industry): সেবা শিল্প বিভিন্ন প্রকার সেবা প্রদানের মাধ্যেমে মানুষের জীবন যাত্রা সহজ ও আরামদায়ক করে। যেমন বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন ও বিতরণ, ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি।

বাণিজ্য(Commerce): ব্যবসায় বা শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল উৎপাদকের কাছে পৌঁছানো কিংবা শিল্পে উৎপাদিত পণ্য বা সেবা সামগ্রী ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর কার্যবলিকে বাণিজ্য বলে। 

বাণিজ্য ২ ধরনের । যথাঃ ১। অভ্যন্তরিন বাণিজ্য ২। আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্য । 

অভ্যন্তরিন বাণিজ্যঃ যখন একই দেশের দুটি অঞ্চলের মধ্যে পণ্যের বিনিময় হয়,তখন তাকে অভ্যন্তরিন বাণিজ্য বলে।

আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্যঃ যখন দুই বা ততধিক দেশের মধ্যে পণ্যের বিনিময় হয়, তখন তাকে বলে  বৈদেশিক বাণিজ্য। 

অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে স্বাধীন পেশায় নিয়োজিত ডাক্তার, উকিল, প্রকৌশলি প্রভৃতি পেশাজীবীরা বিভিন্ন রকম সেবাকর্ম অর্থের বিনিময়ে প্রধান করে থাকেন। এ সকল সেবাকর্ম বা বৃত্তি প্রত্যক্ষ সেবা হিসেবে পরিচিতি। যেমন, ডাক্তারি ক্লিনিক, আইন চেম্বার, প্রকৌশলি ফার্ম, অডিট ফার্ম ইত্যাদি। প্রত্যক্ষ সেবা আধুনিক ব্যবসায়ের একটি গুরুত্বপূর্ন শাখা । 

মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসা সংগঠনগুলোকে নিম্নোক্তভাবে ভাগ করা যায়ঃ

১। একক মালিকানা ব্যবসা 

২। অংশীদারি ব্যবসা

৩। যৌথ মূল্ধনী ব্যবসা বা কোম্পানি সংগঠন

৪। সমবায় সমিতি

৫। রাষ্ট্রীয় ব্যবসা 

ব্যবসা কেন করবেন

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান তৈরির ধারণা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় নেই বললেই চলে।  দেখা গেছে, যাদের পারিবারিকভাবে ব্যবসা রয়েছে তারা শিক্ষাজীবন শেষে ব্যবসায় নেমে যায়। আবার অনেক উচ্চশিক্ষিত হয়ে উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান তৈরির চিন্তা-ভাবনা করেন। তবে এর সংখ্যা খুবই কম। বেশিরভাগই চাকরির প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন। উন্নত জীবন উপভোগ করার অন্যতম সমাধান হলো অর্থনৈতিক মুক্তি। চাকরি অর্থনৈতিক  মুক্তির স্থায়ী সমাধান নয়। কারণ, সেখানে আপনি যেকোনো সময় টারনেট হতে পারেন।

এখন প্রশ্ন আসবে ব্যবসায় ক্ষেত্রে কী ঝুঁকি নেই ? সেটা নয়। দুই বিষয়ের প্রেক্ষাপট আলাদা। তবে সবাইকে  ব্যবসা করতে হবে সেটাও না। চাইলে আপনি ব্যবসা করতে পারবেন না  অথবা ব্যবাসায়ী হয়ে উঠতে পারবেন না। এর জন্য ব্যবসায়িক জ্ঞান, মেধা ধৈর্য ও ঝুঁকি নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে।

ব্যবসা অনেক ধরনের রয়েছে । ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ব্যবসাকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- ক্ষুদ্র, মাঝারি, ও বৃহৎ । আমরা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করব। এটাকে আমরা বলতে পারি স্মল এন্টারপ্রাইজ।

যদি আপনি ব্যবসায় মনস্থির করেন তাহলে প্রথম কাজ হচ্ছে ব্যবসা নির্বাচিত করা। ব্যবসা শুরুর আগে। আপনি যে ব্যবসা করবেন সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। কী পরিমাণ বিক্রয় করলে কত লাভ হতে পারে , কেন আপনি লোকসানে পড়তে পারেন, লোকসান নিরূপণের উপায় কী , পরিবহন ব্যবস্থা , প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মার্কেট পরিসংখ্যান, যারা ইতিপূর্বে এই ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের মতামত, লোন সুবিধা ইত্যাদি। 

কেনঃ বাংলাদেশের লেখাপড়ার প্রক্ষাপট চাকরির জন্য নির্মিত । স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা অবস্থায় শিক্ষার্থীদের অবচেতন মনে চাকরির কথা গেঁথে দেয়া হয়। নিজের পায়ে দাঁড়ানো , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি , উদ্যেক্তা সৃষ্টি , কর্মসংস্থান সৃষ্টি-এই ধারণাগুলো খুব কমই রয়েছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়। দেখা গেছে, যাদের পারিবারিকভাবে ব্যবসা রয়েছে তারা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে, আবার এমবিএ গ্রাজুয়েটরাও উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির চিন্তাভাবনা করেন । বাকিরা অধিকাংশই চাকরির প্রতি ঝুঁকে পড়ছে । এভাবে দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান জনসংখ্যা তথা যুবসমাজ যদি চাকরির পেছনে লেগে থাকে, সেক্ষেত্রে দেশের উন্নতির আশা  করা খুবই কঠিন । আপনার বয় যদি ১৮-৩০ এর মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে ব্যবসার ঝুঁকি নিতেই পারেন।  আপনি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করার মাধ্যমে নিজে অর্থনৈতিক মুক্তির পথে পা রাখলেন, অন্যের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করলেন, দেশের উন্নতিতে অংশীদার হলেন। আপনি ব্যবসায়ী হওয়ার মনস্থির ক্রে থাকলে এ জগতে আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশের চলমান সংস্কৃতিতে ব্যবসার ঋণের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রথম আকর্ষণের জায়গা হলো ব্যংক । প্রতিষ্ঠিত কিংবা নতুন উভয় ধরনের ব্যবসার জন্যই বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যংকে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা আছে। একজন উদ্যোক্তাকে বুঝতে  হবে , তার উদ্যোগটি যে খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেটির জন্য কোন ব্যংক থেকে ঋণ গ্রহণ করা উচিত।

ক্ষুদ্রঋণঃ  বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এনজিও, যেমন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্রাক, আশা বাংলাদেশ ইত্যাদি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের আওতায় ঋণ প্রদান করে থাকে। তারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ে এমন উদ্যোক্তাদের খঁজে বের করে, যাদের জন্য ক্ষুদ্রঋণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।

স্মল এন্টারপ্রাইজ ফান্ডঃ  বিভিন্ন ব্যাংকে শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সহায়তা ব্যবস্থা থাকলেও ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের ঋণ পেতে বেশ প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। ক্ষুদ্রশিল্পকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিশেষ ফান্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। আলোচ্য তহবিলের আওতায় ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে এবং অপেক্ষাকৃত সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তির সুযোগ পায় । এটি এসইএফ ফান্ড নামে পরিচিত। নিম্নলিখিত ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিসমূহের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানকে সুনির্দিষ্টভাবে এ ঋণ প্রদান করা হয়ঃ

১। ওয়ান ব্যাংক  ২। ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড  ৩। প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড   ৪। ঢাকা ব্যাংক  ৫। এনসিসি ব্যাংক ৬।উত্তরা ব্যাংক ৭। মাইডাস  ৮। আইডিএলসি  ৯। পিপল্‌স লিজিং ১০। ইন্টান্যাশনাল লিজিং  ১১। প্রিমিয়ার লিজিং। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঋণ সহায়তা লাভের জন্য উল্লিখিত ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিসমূহের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

উল্লিখিত ব্যাংকগুলোর এসএমই শাখায় খোঁজ নিলে বিস্তারিত জানতে পারবেন । এছাড়াও এসএমই লোনের ব্যাপারে ব্যাংকগুলো কোনো সমস্যা করলে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে পারবেন। তারা ব্যবস্থা নিবে। 

ব্যবসা শুরুর আগে যা জানা জরুরি 

বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ। দারিদ্র্যেদের হার অনেক বেশি । বেকারত্বের হার এ দেশে প্রকট। কারণ শিক্ষিত তরুণদের অনুপাতে  প্রয়োজনীয় পদ নেই। তাই চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তরুণদের । বর্তমানে বাংলাদেশে চাকরি পাওয়া সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার মতোই। এছাড়া সরকারি চাকরি পেতে লাগে মামা চাচা। দুষ্প্রাপ্য চাকরির বাজারে বেকারত্ব দূর করতে পারে আত্মকর্মসংস্থান। নিজেই উদ্যোক্তা হয়ে বেকারত্ব  দূর করার পাশাপাশি অন্যকেও চাকরি দেখা যায়। তাই আজকাল আনেকেই ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন। ব্যবসা শুরু করতে হলে কিছু ব্যবসায়িক গুন থাকতে হবে। 

ধর্মীয় দৃষ্টিতে ব্যবসাঃ মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ব্যবসাকে হালাল ও সম্মাজনক পেশা বলে অভিহিত করেছেন। অনেক নবী-রাসূল ও সাহাবি ব্যবসা করেছে। কুদুরি গ্রন্থকারর আলনামা কুদুরি হাঁড়ি-পাতিলের ব্যবসা করতেন। কুদুরি অর্থ হাঁড়ি-পাতিল। সেই থেকে ওনার নাম হয়ে গেছে কুদুরি। 

পূর্ব পরিকল্পনাঃ শুধু ব্যবসা নয়, যেকোনো কাজের ক্ষেত্রেই পূর্ব পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্যবসার ধরন কী হবে? প্রতিযগি কেমন হবে? পুঁজি কত হবে? ওয়ি ব্যবসা কেমন লাভজনক? ইত্যাদি পরিকল্পনা করে এগুতে হবে।

সঠিক স্থান নির্বাচনঃ ব্যবসার ক্ষেত্রে স্থান নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভৌগলিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে আপনার ব্যবসা কেমন চলবে? সবসময় লোকে লোকারণ্য থাকে, ৩/৪ গ্রামের মানুষ একসাথে মিলিত হয় এমন জায়গা, বড় বাজার, দৈনিক বাজার এই রকম জায়গা নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া আশেপাশের এলাকায় আপনার ব্যবসায়িক পণ্যের চাহিদা আছে কিনা তাও খেয়াল রাখতে হবে।

কী ধরনের ব্যবসা করবেনঃ বর্তমানে অনেক ব্যবসাই বহুল প্রচলিত। হয়তো দেখা যাবে আপনার পছন্দের জায়গায় একই রকম দোকানে ভরপুর। এ রকম হলে হালে পানি পাবেন না। তাই ব্যতিক্রমী কিন্তু লাভজনক, এই ধরনের ব্যবসা করতে পারলে দ্রুত সফল হবেন এবং প্রতিদ্বন্দীও থাকবে অনেক কম। 

সততা জরুরিঃ ব্যবসা করার জন্য সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসুদপায় অবলম্বন করে সাময়িকভাবে লাভবান হওয়া গেলেও পরে অনেক মাশুল দিতে হয়। কোনো কাস্টমারের সাথে প্রতারণা করবেন তো সে আর আপনার দোকানমুখী হবে না। এভাবে একদিন দেখবেন আপনার ব্যবসা কাস্টমার শূন্য হয়ে গেছে। তাই একজন আদর্শ ব্যবসায়ী হতে হলে সৎ, নিষ্ঠাবান হতে হবে এবং লোভ-লালসা থেকে দূরে থাকতে হবে।

ধৈর্যশীল হতে হবেঃ ধৈর্য না থাকলে ব্যবসায় উম্মতি করা সম্ভব  নয়। আজ ব্যবসা শুরু করবেন আর ২/৩ দিন পর কোটিপতি হয়র যাবেন এমন আশা নিয়ে ব্যবসা শুরু করা ঠিক নয়। অনেকেই আছেন অল্পতেই হতাশ হয়ে পড়েন। হতাশ না হয়ে ধৈর্যের সাথে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ধীরে ধীরে এগুতে হবে।

দৃঢ় মনোবল থাকতে হবেঃ দৃঢ় মনোবল ছাড়া ব্যবসা করা সম্ভব নয়। লাভ-ক্ষতি এগুলো ব্যবসারই অংশ। কোনো কারণে ক্ষতির সিম্মুখীন হলে তা মেনে নেওয়ার মতো মানসিকতা থাকতে হবে। ব্যবসার ক্ষেত্রে উত্থান-পতন আছেই। লোকসানে ভেঙ্গে না পড়ে আগের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে নতুন উদ্যমে শুরু করতে হবে। আগের ব্যর্থ তার করণগুলো চিহ্নত করে তার প্রতিকার করতে হবে। বারবার চেষ্টা করলে সাফল্য ধরা দেবেই ইনশাল্লাহ।

হতে হবে কঠোর পরিশ্রমীঃ শুধু ব্যবসা নয়, যেকোনোপেশাতেই পরিশ্রম ছাড়া সফল হওয়া অসম্ভব প্রায়। আপনি পরিশ্রম না করে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ব্যবসা করবেন তা হবে না। পরিশ্রম করার পাশাপাশি বুদ্ধিমত্তার ও পরিচয় দিতে হবে। আপনার প্রতিদ্বদন্দ্বী কারা, তাদের ব্যবসায়িক নীতি কী – এসব বুজে শুনে তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিতে হবে। 

এছাড়াও একজন উদ্যোক্তার আরো যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন তা হলো আত্মবিশ্বাসী, স্বাধীনচেতা, উদ্যমী, সৃজনশীল, উদ্ভাবনী ক্ষমতা, ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা ইত্যাদি। 

ব্যবসা শুরুর পাঁচটি সহজ পদক্ষেপ 

একটি ছোট আকারের ব্যবসা প্রথমে ধারণা হিসেবে শুরু হয়, পরবর্তীতে ধারণাটিকে কাজে পরিণত করতে হয়। অনেকেই ধারণাটিকে বাস্তবে পরিণত করতে গিয়ে ঝুঁকি ভেবে হতাশায় ভোগেন এবং এটাকে বঝা মনে করেন। যেকোনো বড় লক্ষ্যের মতো এটাকে কতগুলো ছোট ছোট ধাপে ভাগ করলে ব্যবসা শুরু করার প্রয়োজনীয় কাজগুলো সহজ ধাপগুলো তুলে ধরা হলো। 

১.ব্যবসার ধারণাটি লেখাঃ ছোট আকারে ব্যবসার চাবিকাঠি হলো বিষয়গুলো সহজ এবং কম খরচে রাখা। ব্যয় শুধু টাকা-পয়সার ক্ষেত্রে নয়, সময়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অনেকে তার ছোট আকারের ব্যবসায়িক ধারণাটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিকল্পনার ফাঁদে আটকে ফেলেন। সবসময় এক থেকে দুই পাতার একটি সহজ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করার পরামর্শ দিব, যার মধ্যে মৌলিক কৌশলসহ ব্যবসার লক্ষ্য, উদ্দ্যশ্য ও ছক সন্নিবেশিত থাকবে। যাকে ব্যবসায়িক ভাষায় বিজনেজ প্ল্যান বলে। 

২.আইনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণঃ ব্যবসা শুরু করার জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একক মালিকানায় ব্যবসা শুরু করা ভালো। কারণ এতে আইনগত বৈধতার সহায়ক তথ্য ও মাশুল দুই-ই কম লাগবে। আপনি এটাকে ব্যবসা হিসেবে নথিভুক্ত করতে পারেন যখন দেখবেন যে আপনার উদ্যোগটি প্রথম তিন অথবা ছয় মাসের মধ্যে লাভজনক হয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। 

একটি ছোট আকারের ব্যবসা প্রথমে ধারণা হিসেবে শুরু হয়, পরবর্তীতে ধারণাটিকে কাজে পরিণত করতে হয়। অনেকেই ধারণাটিকে বাস্তবে পরিণত করতে গিয়ে ঝুঁকি ভেবে হতাশায় ভোগেন এবং এটাকে বঝা মনে করেন। যেকোনো বড় লক্ষ্যের মতো এটাকে কতগুলো ছোট ছোট ধাপে ভাগ করলে ব্যবসা শুরু করার প্রয়োজনীয় কাজগুলো সহজ ধাপগুলো তুলে ধরা হলো। 

১.ব্যবসার ধারণাটি লেখাঃ ছোট আকারে ব্যবসার চাবিকাঠি হলো বিষয়গুলো সহজ এবং কম খরচে রাখা। ব্যয় শুধু টাকা-পয়সার ক্ষেত্রে নয়, সময়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অনেকে তার ছোট আকারের ব্যবসায়িক ধারণাটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিকল্পনার ফাঁদে আটকে ফেলেন। সবসময় এক থেকে দুই পাতার একটি সহজ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করার পরামর্শ দিব, যার মধ্যে মৌলিক কৌশলসহ ব্যবসার লক্ষ্য, উদ্দ্যশ্য ও ছক সন্নিবেশিত থাকবে। যাকে ব্যবসায়িক ভাষায় বিজনেজ প্ল্যান বলে। 

২.আইনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণঃ ব্যবসা শুরু করার জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একক মালিকানায় ব্যবসা শুরু করা ভালো। কারণ এতে আইনগত বৈধতার সহায়ক তথ্য ও মাশুল দুই-ই কম লাগবে। আপনি এটাকে ব্যবসা হিসেবে নথিভুক্ত করতে পারেন যখন দেখবেন যে আপনার উদ্যোগটি প্রথম তিন অথবা ছয় মাসের মধ্যে লাভজনক হয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। 

৩.বাজেট নির্ধারণঃ বাজেট যতদূর সম্ভব ছোট রাখা যায় ততই ভালো। ব্যবসা শুরু করতে যতটুকু আপনি খরচ করতে সক্ষম হবেন ততটুকু বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। ব্যবসায় আপনি যদি নিজে অর্থের যোগানদাতা হন তাহলে একটা সময় নির্ধারণ করুন যাতে বাজেট শেষ ও লাভ অর্জনের সময়ের সমন্বয় হয়। আপনার ব্যবসাটি এমনভাবে শুরু করুন যাতে  করে আপনি ত্রিশ থেকে নব্বই দিনের মধ্যে বিনিয়োগকৃত মূলধন থেকে লাভ বের করতে পারেন। সাধারণত ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এটা সম্ভব।  

৪.ব্যবসার হিসাব চালুঃ আপনার পছন্দ মতো কোনো ব্যাংকে আপনার ব্যবসার একটি হিসাব চালু করতে হবে। আপনার ব্যবসার ধরণ যেমনই হক না কেন , ব্যবসার হিসাবটি আপনার ব্যক্তিগত হিসাব থেকে আলাদা রাখতে হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার হিসাবটি ব্যক্তিগত হিসাব থেকে আলাদা রাখেন না, যা একটি বড় ভুল। ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ সুবিধা গ্রহণ করবেন না। শুধু হিসাবটি পরিচালনা করবেন, যাতে করে ব্যবসার টাকা ব্যক্তিগত টাকা থেকে আলাদা রাখা যায়। 

৫.ব্যবসা শুরু করুনঃ ফেসবুক, গুগলসহ অন্যান্য কম্পিউটার অ্যাপস এবং বিভিন্ন  উদ্ভাবনী উপায়ে বিনা খরচে আপনার পন্যের পরিচিতি বাড়াতে পারেন । আপনার এলাকার ছোট অন্যসব ব্যবসায়ির সঙ্গে ব্যবসার পণ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলতে পারেন এবং জেনে নিতে পারেন তাদের কোন কোন বিষয়গুলো আপনার কাজে আসতে পারে। এরপর আপনার পণ্য স্থানীয়ভাবে বাজারজাত শুরু করতে পারেন এবং আপনার পণ্য সম্পর্কে তাদের অভিমত ও প্রত্যাশা জেনে নিতে পারেন । এভাবে আপনি আপনার কিছু পন্য বিক্রয়ের মাধ্যমে ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

সর্বোপরি আপনি অবশ্যই এই পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করে অনেক টাকা রোজগার করতে না পারলেও সমস্ত অর্থ এবং সময় বিনিয়গ করার পূর্বে আপনার ছোট ব্যবসায়ের সক্ষমতা যাচাই করতে পারবেন।  

ট্রেড লাইসেন্স কী? 

অনলাইন ই-ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে?

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। প্রশু হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে করবেন ?  সাধারণত সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা , জেলা ও উপজেলা পরিষদ থেকে এটি প্রদান করা হয়। শুধু ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা যায়। ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে না জানার কারণে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়ে থাকেন। আমরা জানব –

ট্রেড লাইসেন্স কীঃ  ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স। এটি ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট ।আমাদের দেশে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী আছেন, যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। ব্যবসার লাইসেন্স মানে হিচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । তাই আপনার বৈধ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। 

ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ?

১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ ত্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাকে অবশ্যই কোনো না কোনো ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে। 

যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে সিদ্ধান্ত নিনঃ

যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারণ এবং ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপণ। আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুন। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি করপোরেশন  এলাকা যেমন , ঢাকা , চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর,ময়মনসিংহ কিংবাবরিশালে হয় তাহলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোনো পৌর এলাকায় হয়ে থাকে, তাহলে ওয়ি এলাকার পৌর কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম।

ট্রেড লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবেঃ

ধাপ ১ঃ নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

ধাপ ২ঃ প্রতিষ্ঠান /কারখানা / কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৩ঃ প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান / কারখানা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসমূহ নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৪ঃ প্রতিষ্ঠান / কারখানা / কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার মানচিত্রের অনাপত্তিনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৫ঃ কারখানা /সিএনজি স্টেশন / দাহ্য পদার্থের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর / ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র / অনুমতিপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৬ঃ আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৭ঃ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৮ঃ প্রতিষ্ঠান প্রেস / পত্রিকা হলে ডিক্লারেশনপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৯ঃ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ ট্যাক্সের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ায় চুক্তিপত্র /রশিদ আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

যাবতীয় কাগজপত্র দাখিলের পর করপোরেশনের ইন্সপেক্টর প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করার পর নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি আদায় করে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন । ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে নবায়ন করতে হয়। 

ধরন বা ক্যাটাগরি নির্বাচনঃ  

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনাকে ব্যবসার ক্যাতাগরি নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করেন তাহলে পরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ২০১৬ সালের গেজেট অনুযায়ী ২৯৪ টি ক্যাটাগরিতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়। ভালোভাবে ব্যবসার প্রকৃতি বিবেচনা করে নির্ধারিত ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। 

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ সাধারণ ব্যবসার ক্ষত্রে (General business license) দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের ফটোকপি , আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা / শর্তাবলি জমা দিতে হবে। 

ফ্যাক্টরির / কারখানার ক্ষেত্রে ( Factory / factories in the case of a trade license) পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি।

প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসহ নকশা / লোকেশন ম্যাপ, প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তীর অবস্থান / স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা। ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গীকারনামা ৩০০ টাকাএ জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরিত। 

ই – কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স

অনলাইন কমার্স ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে। তবে আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা করতে চান, সেক্ষেত্রে লাইসেন্স না করে ব্যবসা করা যেতে পারে। কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে আপনি কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। বেশি অ্যামাউন্টের কোনো পণ্য অর্ডার পেলেও সাপাই করতে পারবেন না। কোনো প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। বিভিন্ন ট্রেড বডিজ, চেম্বারের সদস্য হতে পারবেন না। ট্রেড লাইসেন্স আইন বা বিধিমালা শুধু একটি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে। কোনোক্রমেই অন্য কোনো ক্যাটাগরির ব্যবসার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না। নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য নতুন আরেকটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে । একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু একটি ব্যবসার ব্যবহার করতে পারবেন। এটি কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তরযোগ্য নয়। 

ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স কী এবং কেন প্রয়োজন ?

উত্তরঃ নাম শুনে নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন ট্রেড লাইসেন্স মানে ব্যবসার অনুমতি পত্র। আপনি যদি নতুন উদ্যেক্তা হয়ে থাকেন, দেশের আইন অনুসারে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবসায়ের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। সেটাই ট্রেড লাইসেন্স। ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য।

প্রশ্নঃ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলতে কী বুঝায় ? 

উত্তরঃ স্থানীয় সরকারকে বুঝায়। সাধারণত মেট্রো সিটিতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভায় পৌর কর্তৃপক্ষ আর গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে থাকে। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ? 

উত্তরঃ খুব বেশি কিছু নয়। তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, যদি একাধিক অংশীদার থাকেন তাহলে প্রত্যেকের তিন কপি করে ছবি। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি এবং যে বাড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে বা অফিস রয়েছে তার বাড়িওয়ালার সাথে সম্পাদিত চুক্তির ফটোকপি। যে চুক্তিটি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পাদিত হয়েছে। এই তিনটি জিনিসা অতি দরকার। নিজের বাড়ি হলে হোল্ডিং কর পরিশোধের রসিদের ফটোকপি। আর বর্তমানে ইউটিলিটি বিলের কপি জমা দিতে হয় অথবা সার্ভিস চার্জের রশিদ। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স খরচ কেমন ? 

উত্তরঃ ব্যবসা অনুসারে ট্রেড লাইসেন্সের খরচ। যেমন, ঠেলাওয়ালার জন্য হয়তো ২০০ টাকা , আর আমদানি – রপ্তানির জন্য তা হয়তো ২ হাজার টাকা। তবে ঢাকা সিটি করপোরেশনের অধীনে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রেট আছে। ই – কমার্সের যেহেতু কোনো ক্যাটাগরি  নেই তাই সফটওয়্যার, আইটি বা জেনারেল সাপায়ার হিসেবে লাইসেন্স নিতে হয়। এজন্য সরকারি ফিস ৮৫০ থেকে ১৭০০ টাকা কিন্তু আপনার খরচ পড়বে কম – বেশি ৪ হাজার। আর কোনো ফার্মের সাহায্য নিলে ৫ হাজার। অন্য ব্যবসার জন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নির্ধারিত ফি জেনে নিতে পারেন। 

প্রশ্নঃ ই – কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের খরচ কেমন ?

উত্তরঃ আমাদের ব্যবসায়িক তালিকায় এখনো ই – কমার্স যুক্ত হয়নি। এ ক্যাটাগরিতে এখনো  লাইসেন্স দেয়া হয় না। তবে আইটি অথবা সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স নেয়া যেতে পারে। এজন্য দাপ্তরিক খরচ ১১ শ ‘ টাকা  থেকে ১৫ শ’’  কিন্তু অন্যান্য খরচ  যেমন সাইনবোর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্স আর সংশ্লিষ্ট খরচ মিলিয়ে এটা ৪ – ৫ হাজারে গিয়ে ঠেকে। 

প্রশ্নঃ কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবেন ? 

উত্তরঃ আপনি সরাসরি  ইউনিয়ন পরিষদ অফিস , সিটি করপোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে  ট্রেড  লাইসেন্স  বানাতে পারেন। তবে আজকাল অনেক কনসালটেন্সি  ফার্ম আছে যারা নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জের  বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে । নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে এসব ফার্মের হেল্প নিতে পারেন।

এরপর যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা। সব ব্যাংকে এই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এরপর ক্ষেত্রবিশেষে মুসক বা ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি ফিস ১ থেকে ৫ হাজার টাকা হলেও বাস্তবে কাজ করতে গেলে চার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগে। যাদের আমদানি – রপ্তানির ব্যবসা আছে তাদের আরো বেশি টাকা লাগতে পারে।  

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তরঃ ক। ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা ও পেশার অনুমতি আর কোম্পানি রেজিট্রেশন হলো ব্যবসা এনজিও সমাজসেবা প্রভৃতির জন্য । 

খ। ট্রেড লাইসেন্স একটা নির্দিষ্ট এরিয়ার কার্যালয় স্থাপনের জন্য আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন সারা বাংলাদেশের জন্য ।

গ। ট্রেড লাইসেন্স হলো ব্যবসা করতে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই, কিন্তু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন হলেও ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়।

ঘ। ট্রেড লাইসেন্স আপনি প্রতিষ্ঠানের যে নাম দেবেন তা আবার অন্য কেউ দিতে পারবে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলে একই নামে আর কোনো ব্যক্তি কোম্পানি খুলতে পারবে না । যদি খোলে আপনি আইনগত  ব্যবস্থা নিতে পারবেন। 

ঙ। ট্রেড লাইসেন্সের খরচ ব্যবার ক্যাটাগরি অনুসারে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের খরচ কোম্পানি কত টাকা বিনিয়োগ করবে তার ওপর। কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ ৩০,০০০ থেকে শুরু। 

চ। ট্রেড লাইসেন্সের সাধারণ স্থানীয় ব্যবসার নিয়মনীতির ওপর চলে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনে কোম্পানি গঠিত হয় কোম্পানি আইন অনুসারে। এর নির্দিষ্ট ফরমেট রয়েছে। 

ছ। আলাদাভাবে পণ্য বা ব্রান্ড রেজিস্ট্রেশনের জন্য ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করতে হয়, যাতে সে নাম এবং মার্কটি অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে । যেমন, বাতা, কোকাকোলা এগুলো কেউ হুবহু ব্যবহার করতে পারবে না।  

প্রশ্নঃ আমি ব্যবসা করি চট্টগ্রামে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় মাল 

পাঠাতে হলে আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।  

উত্তরঃ যেখানে আপনার অফিস বা ব্যবসার ঠিকানা শুধু সেখানেই ট্রেড লাইসেন্স নেবেন। তবে ঢাকায় যদি আরেকটা অফিস নেন তখন এখানে আরেকটা ট্রেড লাইসেন্সের প্রশ্ন আসবে। কিন্তু ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কোনো বাধা নয়। 

প্রশ্নঃট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম – ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি ? 

উত্তরঃ ফি প্রদান ও এফিডেফিটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য পরিবর্তন করা যায়। 

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে করা যায় না। তবে বিভিন্ন রকমের পণ্য তৈরি করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাটাগরি হবে জেনারেল সাপটায়ার ।

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ কতদিন ? মেয়াদ পূর্ণ হলে কী করতে হবে ? 

উত্তরঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ এক অর্থ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনি নবায়ন করে নিতে পারবেন। তবে নবায়ন না করলে যে আপনার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা নয়। বিষয়টা হলো নবায়ন করলে আপনার একটা আইনগত বৈদতা থাকল। অন্যদিকে নবায়ন না করলে পরে জরিমানাসহ নবায়ন করতে হয়। তখন অনেক কষ্ট হয়। কারণ জমে গিয়ে টাকার অ্যামাউন্টটা তখন হয়ে যায়। তাই প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন করা ভালো। 

প্রশ্নঃ এক এলাকার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি অন্য এলাকায় ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ আইনগতভাবে যায় না । তবে বাংলাদেশে এটা কমন বিষয়, আবাসিক এলাকায় যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে। তাদের কারো ঠিকানা সে এলাকায় নয়। সাধারণত সিটি কর্তৃপক্ষ আবাসিক এলাকার নামে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে না বলে তারা অন্য ঠিকানা দিয়ে লাইসেন্স নিয়ে থাকেন। 

অনলাইনে ই – ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে ? 

ই – ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারেন অনলাইনে।আবেদন করার জন্য সরকারি নিবন্ধন সাইটে গিয়ে ফরম ফিলাআপ করতে হবে। আপনি কিভাবে আবেদন করবেন তা বিস্তারিত জানার জন্য ই – ট্রেড লাইসেন্স নির্দেশিকা দেখতে পারেন। ই – ট্রেড লাইসেন্স নিবন্ধন করতে পারবেন নিচের লিংকে  http://www.etradelicense.gov.bd

নিজেই বানিয়ে নিন ই – টিন 

করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই – টি আইএন করদাতা হিসেবে ( e – TIN ) রেজিট্রেশন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে । এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ পেরোনোর মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ১২ ডিজিটের একটি নতুন টি আইএন। বর্তমানে যাদের টি আইএন আছে , তাদেরও নতুন পদ্ধতির টি আইএন এর জন্য রি – রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র , মোবাইল ফোন নম্বর ও কোম্পানির ক্ষেত্রে রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস ( RJSC ) – এর নিবন্ধন নম্বর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সরকারি  কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন অথবা ব্যবসায়ী হন এবং আপনার বার্ষিক আর যদি আড়াই লাখ টাকার অধিক হয় তবে আপনাকে অবশ্যই ই – টি আইএন নাম্বার গ্রহণ করে নিবন্ধিত হতে হবে। 

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ – এর আওতায় আয় নূন্যতম করমুক্ত আয়ের সীমা ( ২ লাখ ৫০ হাজার ) অতিক্রম করেলে রিটার্ন দাখিলের জন্য একজন করদাতাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্তর্গত কোনো আয়কর কমিশনারের অধীনস্থ সার্কেল থেকে ১২ ডিজিটের ই – টি আইএন অর্থাৎ ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর নিতে হয়। এটা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। একজন করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে করদাতা হিসেবে সনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয় ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন। একজন করদাতা সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধনের প্রক্রিয়া জানানো হলো। অনলাইনে ই – টি আইএন রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা প্রয়োজন – 

প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকঃ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / পাসপোর্ট নম্বর, পূর্বের ( রি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ) 

অপ্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক : অভিভাবকের ১২ ডিজিটের টিআই এন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন (রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

প্রাপ্তবয়স্ক বিদেশি নাগরিগ :পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

অপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিক : নিজের এবং অভিভাবকের পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

লিমিটেড কম্পানি : কোম্পানির ইনকরপোরেশন নম্বর ,তারিখ পূবের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

রেজিস্ট্রার্ড ফার্ম : রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)- এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রেজিস্ট্রেশন তারিখ, অংশীদারদের ১২ ডিজিটের নম্বর টিআইএন ( নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ) , পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

আন – রেজিস্টার্ড ফর্ম : অংশীদারদের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), পূর্বের টিআইএন ৯ ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে) 

ধারা ২(২০) অনুযায়ী গঠিত অন্যান্য কোম্পানি :  করদাতার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ফ্যাক্স নম্বর ও ই – মেইল আইডি ( রেজিস্ট্রেশন ক্ষেত্রে ), পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে )

নতুন পদ্ধতিতে ই – টিআইএন রেজিস্ট্রেশনের শুরুতে প্রত্যেককে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।অ্যাকাউন্ট তৈরির জন্য www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

কাবীরা (বড়) গুনাহ

কবীরা (বড়) গুনাহ কাকে বলে ?
কাবীরা গুনাহ বলা হয় ঐ সকল বড় বড় পাপকর্মসমূহকে যেগুলোতে নিম্নোক্ত কোন একটি বিষয় পাওয়া যায় ঃ
১. যে সকল গুনাহের ব্যাপারে ইসলামী শরীয়াতে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
২. যে সকল গুনাহের ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দন্ড প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে ।
৩. যে সকল কাজে আল্লাহ রাগ করেন।
৪. যে সকল কাজে আল্লাহ, নবী, ও ফেরেশতামন্ডলী লা’নত/অভিসম্পাত দেন।
কাবীরা (বড়) গুনাহ
১। আল্লাহর সাথে শিরক (অংপন) করা ।
২। সালাত পরিত্যাগ করা ।
৩। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ।
৪। অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা ।
৫। পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা ।
৬। যাদু-টোনা করা ।
৭। ইয়াতীমের সম্পদ আত্নসাত করা।
৮। জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করা ।
৯। সতী-সাধ্বী মু’মিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া।
১০। সংগত কারণ (ওজর) ছাড়া রমাদ্বানের সিয়াম ভংগ করা বা না রাখা ।
১১। যাকাত আদায় না করা ।
১২। ক্ষমতা থাকা সত্ত্ব্যেও হাজ্জ আদায় না করা ।
১৩। যাদুর বেধতায় বিশ্বাস করা ।
১৪। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া ।
১৫। অহংকার করা ।
১৬। চুগলখোরী করা (একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগানো) ।
১৭। আত্মহত্যা করা ।
১৮। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা ।
১৯। অবেধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা ।
২০। দান বা উপকার করে খোটা দেয়া।
২১। মদ তেরী করা, মদ তেরি করে নেয়া, মদ পানকরা, মদ বহনকরা, মদ পরিবেশন করা, মদ বিক্রয় কড়া, মদ বিক্রয়ের পয়সা ভক্ষণ কড়া, মদ ক্রয় কড়া।
২২। জুয়া খেলা ।
২৩। তাকদীর (ভাগ্যের ভালো-মন্দ) অস্বীকার করা ।
২৪। অদশ্যের খবর জানার দাবি করা ।
২৫। গনকের কাছে ধর্ণা দেয়া বা গণকের
২৬। পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা ।
২৭। রসূলের নামে মিথ্যা হাদিস বর্ণনা করা ।
২৮। মিথ্যা সপ্ন বর্ণনা করা।
২৯। মিথ্যা কথা বলা।
৩০। মিথ্যা কসম খাওয়া ।
৩১। মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা।
৩২।জিনা ব্যবিচারে লিপ্ত হওয়া ।
৩৩। সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া ।
৩৪।মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টাকরা বা কারো অনুমতি ছাড়া তার ঘরে উঁকি মারা।
৩৫। হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা বা যার জন্য হিল্লা করা হয়।
৩৬। হারাম খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করা ।
৩৯। মুসলিম জামা”আত (আহলে সুন্নাত ওয়ালা জামা’আত) থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা।
৪০। হওয়াঝগড়া বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা বা মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়া ।
৪১। খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্যে বস্তু বানানো ।
৪২। কোন অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া।
৬১।চুরি করা।
৬২। সুদ লেন-দেন করা,সুদনলেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা।
৬৩।ঘুষ লেন-দেন করা।
৬৪।গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফিরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বন্টনের পূর্বে আত্মসাত করা ।
৬৫। স্ত্রীর পায়ু পথে বা মাসিক অবস্থায় যোন ক্রিয়া/সহবাস করা ।
৬৬। যুলুম-অত্যাচার করা ।
৬৭। অস্ত্র দ্বারা মু’মিনকে ভয় দেখানো বা তা দ্বারা ইংগিত করা ।
৬৮। প্রতারণা বা ঠকবাজী করা ।
৬৯।রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা ।
৭০। স্বর্ণ বা রোপ্যের তেরি পাত্রে পানাহার করা ।
৭১।সাহাবীদের গালি দেয়া।
৭২।পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ব্যবহার করা ।
৭৩। বাম হাতে খাওয়া ।
৭৪। মনিবের নিকট থেকে কিতদাসের পলায়ন ।
৭৫। ভ্রান্ত মতবাদ, জাহেলী রীতি-নীতি অথবা বিদ’আতার প্রতি আহবান করা ।
৭৬।পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কতি করা ।
৭৭। কোন দুষ্কিতিকারীকে প্রশ্রয় দেওয়া ।
৭৮। আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা ।
৭৯। বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া ।
৮০। কোন নারীর প্রতি তার স্বামীর অসুন্তুষ্টি।
৮১। স্বামীর অবাধ্য হওয়া ।
৮২। স্ত্রী কর্তিক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা
৮৩। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা ।
৮৪। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সিষ্টি করা ।
৮৫। বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া ।
৮৬।বিশ্বাসঘাতকতা করা ।
৮৭। অঙ্গীকার পূরণ না করা ।
৮৮। আমানতের খিয়ানত করা ।
৮৯। মুসলমানকে কাফের বলে আখ্যায়িত করা ।
৯০। ঋণ পরিশোধ না করা ।
৯১। বদমেজাজ অহংকার করা ।
৯২। তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি জুলানো ।
৯৩। পরীক্ষায় নকল করা ।
৯৪। ভেজাল পন্য বিক্রয় করা ।
৯৫। ইচ্ছাকিতভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা ।
৯৬। আল্লাহর উপর মিথ্যে আরোপ করা ।
৯৭। দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দ্বীনি ইলম-জ্ঞান অর্জন করা ।
৯৮। কোন ইলম জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তা জানা সত্ত্বেও গোপন করা ।
৯৯।নিজের পিতা জানা সত্ত্বেও অন্যকে পিতা বলে দাবি করা ।
১০০। আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া ।

Importers Exporters Costing Factors
Importers Costing Factors
Exw = Ex Works = Factory Price ( every logistic cost needs to count )
( Outland Transport, load unload, Shipping Charge, Lc charge, Insurance Charge, TTI, port charge, speed money, C& f charge, Inland Transport, load unload, miscelineous )
FOB = Free On Boat = Free upto Ship
(Shipping Charge , Lc charge , Insurance Charge, TTI , port change , speed money, C& f charge, Inland Transport , load unload , miscelineous )
CFR = Cost & Freight = Free upto Destination port
( Lc charge , Insurance Charge , TTI , port change , speed money , C&f charge , Inland Transport, load unload , miscelineous)
CPT = Carriage paid to = Free upto Boarder Land port
(Lc charge, Insurance Charge , TTI , port charge , speed money, C&f charge , Inland Transport , load unload, miscelineous)
Exporters Costing Factors
Exw = Ex Works = Factory price ( No extra cost for seller )
(Only Products price with benefits )
FOB = Free On Boat = Need to send goods upto Ship
(Products price with benefits , Inland Transport , load unload , TTI, C&f charge)
CFR = Cost & Freight = Need to send goods upto Destination port
(Products price with benefits, Inland Transport, load unload, TTI C&f charge, shipping Charge )
CPT = Carriage paid to = Need to send goods upto Boarder Land port
(Products price with benefits, Inland Transport , load unload, TTI, C&f charge, miscelineous)
Product Price : According to negociation
Outland Transport + Load Unload
20′ Container Tk 50,000 /-
40′ Container Tk 75,000 /-
40′ Container Tk 90,000 /-
CBM Calculator searates.com
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হয়।
searates.com এ জাহাজ ভাড়া সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
গুগলে seafreight বা searate লিখে সার্চ দিয়ে জাহাজ কোম্পানি সহ প্রায় সকল বিষয়ে তথ্য পেতে পারি । যেকোনো অজানা বিষয় গুগলে সার্চ দিয়ে জেনে নিতে পারেন।
Shipping Freight
20′ Container Ctg /Mongle $ 1000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan $ 2000/-
40′ Container Ctg /Mongle $ 2000 /- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan $ 2500 /-
40′ Container Ctg / Mongle $ 2500 /- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan $ 3000/-
LC Charge 0.5%
Insurance Charge 0.5%
TTI : according to HS Code
Port charge + speedmoney + C&F
20′ Container Ctg / Mongla TK 60,000 /- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 90000/-
40′ Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 1,00,000/-
40′ HC Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 1,00,000/-
Inland transport
20′ Container Ctg / Mongla TK 50,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan TK 10000/-
40′ Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan TK 15,000/-
40′ HC Container Ctg / Mongla TK 90,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangioan TK 20,000/-
Load Unload
20′ Container TK 10000/-
40′ Container TK 20,000/-
40′ HC Container TK 25,000/-
miscelineous
20′ / 40′ / 40′ HC Container TK 50000/-
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হবে।
গুগোল HS Code of পণ্যের নাম দিয়ে সার্চ দিয়ে HS Code বের করতে হয়। উক্ত HS কোড দিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ট্রেরিফ বই থেকে TTI । অর্থাৎ পরিপূর্ণ ট্যাক্স বের করতে হয়।
আমরা নতুন আমদানিকারকরা CFR – এ পণ্য কিনব এবং পুরাতন বড় আমদানিকারকরা ExW তে পণ্য কিনব।
এক্সপোট কস্টিং খুবই সহজ। EXW শুধু হলে লাভ সহ পণ্যের দাম, FOB / CPt হলে EXW খরচের সাথে পরিবহন, TTI ও সি এন্ড এফ খরচ যোগ হবে, CFR হলে FOB খরচের সাথে জাহাজ
ভাড়া যোগ হবে।
একটি ২ টন এসির Exw প্রাইস $300, 40% লাভে বিক্রয় মূল্য কত হবে ?
box size = 50x25x20cm ( Mini 1012 ) HS code 84151020 (27.88%)
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হয়।
HS কোড দিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ট্রেরিফ বই থেকে TTI বের করতে হয়।
Import & Export ব্যবসা করতে হলে যা যা জানতে হবে

Import & Export Training in Bangladesh
ব্যবসা করতে হলে যা যা জানতে হবে
International Commercial Terms
Inco Terms
কোন Terms এ কোন পণ্য আনলে ভালো হবে ।
Inco Terms Choosing & Sourcing
SEA CONTAINER SPECIFICATIONS

20’ Standard Dry Cargo Container

Insidelength InsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo 
19’4”7’8’’7’10’’7’8’’7’6’’1,172CuFt4,916Ibs47,900 Ibs
5.900m2.350m2.393m2.342m2.280m33.2CBM2,230Kg21,770  Kg 

40’ Standard Dry Cargo Container

InsidelengthInsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo
39’5’’7’8’’7’10’’7’8’’7’6’’2,390CuFt8,160Ibs59,040Ibs
12.036m2.350m2.393m2.340m2.280m67.7CBM3,700Kg26,780 Kg

40’ Hi – Cube Dry Cargo Container

InsidelengthInsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo
39’5’’ 7’8’’8’9’’7’8’’8’5’’2,694 CuFt8,750Ibs58,450Ibs
12.036m2.350m2.697m2.338m2.565m76.3CBM3,970 Kg26,510 Kg


Contanier ছাড়তে কত খরচ হবে
CNF Charge Excluding all hidden and other cost up to release of any products
Mangla / Chittagong 20 feet = 30000 – 40000 TK ICT, Pangoan, ICD, Kamalpur, Dhaka = 45000 – 55000
Mangla / Chittagong 4o feet = 45000 – 55000 TK ICT, Pangoan, ICD, Kamalpur, Dhaka = 60000 – 75000
INFORMATION REGARDING TAX
H.S.C Code = Harmonized Commodity description and coding system
CD – Custom Duty (Import Duty) SD – Supplementary Duty rate VAT – Value Added Tax Rate
AIT – Advance Income Tax ATV – Advane Trade Vat RD – Regulatory Duty TTI – Total Tax Incident Rate

Costing করার সময় কি কি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে
১. পণ্যের দাম ২. পণ্য কোন Terms এ কেনা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে ঐ দেশে Transport, load unload ও জাহাজ ভাড়া ৩. LC change ৪. Insurance change ৫. TTI ৬. Port Change, Speed money, C & F agent ৮ . অভ্যন্তরীণ পরিবহন ৯. Load unload

N.B: তাছাড়া Costing এর সাথে অফিস ভাড়া, বিজ্ঞাপন, কর্মীর বেতন ডেলিভারি খরচ যোগ করা যায় কিন্তু প্রথম দিকে এতকিছু যোগ করলে ব্যবসা করা খুব কঠিন হয়ে পড়বে।
Sales Invoice/Profomainvoce / Sales Contanct
PI এর Terms & Condition
Packing size : Find out amount of products we can load
Container Understanding (FOB, CNF, EXW): Find out Logistics cost & Responsibility.
H.S Code (Hermonize code): Find out tax & Identifying goods.
Commercial Invoice : Find out actual shipments goods
TERM AND CONDITION :
Basis of Price: CFR, Chittagong port, Bangladesh by sea
Price of Validity: Valid for opening of Credit up to 11 December 2019
Date of Shipment: With in 90 days after receipt of workable letter of credit
Port of Shipment: Any sea port in China
Payment: 100 (hundred) perecent against presentation of Shipping documents by means of L/C to be opened in favor of…….. Company.

  1. Part Shipment : Allowed (not allowed)
  2. Trans – Shipment : Allowed (not allowed)
  3. Packing: International standard export packing
  4. Origin: People republic of China
  5. Insurance: To be overed by the buyer
  6. Bank charge : All bank chare inside china are on sellers account while out side china would be buyers account
  7. Validity : L/C remain in valid in china until 30 day from the date of shipment.
    IMPORTANT DOCUMENTS
    B/L Copy, commercial Invoice, Packing List, Country of origin, Certificate of Analysis, Bill exchange, PSI, MSD, Machine Catalogue, Certificate of instruction.

পরিপূর্ণ ইমপোর্ট – এক্সপোর্ট ফ্লোচার্ট
Letter of Credit Flow Chart

পৃথিবীর কোথায় Sourcing এর জন্য ঘুরে বেড়াবেন
সারা পৃথিবী আমার, যেখানে প্রয়োজন সেখানে যাব। যা প্রয়োজন তাই নেব। কারণ আমি ব্যবসায়ী।
L/C MARGIN
If you are a new account holder for your bank and bank does not know your other financial status. You need to keep 100% margin amount with your bank. If the LC amount is for USD 1000, your amount of USD 1000 is blocked from your account to pay LC amount to your overseas seller on maturity date.
You may have a good relationship with your, and your bank banker knows your fixed assets, your fixed investments with bank, other financial transactions and are happy with the credit worthiness, bank decides the amount of margin to be collected from you to open the letter of credit. It can be from 1% to 100%.

A 1. Revocable LC B. 1. Master LC C. 1. Transferable LC

  1. Irrevocable LC 2. Back to Back LC 2. Non Transferable LC
    D. 1. Green Clause LC E. 1. LC at sight F. 1. Revolving LC
    2. Red Clause Lc 2. Deferred LC 2. Usance LC

ইমপোর্ট ব্যবসা করার জন্য কি কি কাগজ প্রথমে সংগ্রহ করতে হবে
ইমপোর্ট লাইসেন্স পাওয়ার জন্য নিম্নের কাগজ গুলো সংগ্রহ করতে হবে।
১ । পৌরসভা থেকে ট্রেডলাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে (খরচ ৫০০ থেকে ২০,০০০) স্থান অনুযায়ী।
২। আপনার অফিসের এরিয়ার কর সার্কেল থেকে আয়কর প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে ( খরচ ৫০০ থেকে ৫০০০) অনলাইন ফ্রি।
উপরের কাগজগুলো সংগ্রহ করার পর এবার ব্যংকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
এমন ব্যংকে হিসাব খুলতে হবে, যে ব্যাংকের শাখা ইমপোর্ট – এক্সপোর্ট এলসি ওপেন করে থাকে। এমন ব্যাংকের কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে হবে যে, আমি ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসা প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের হিসাব খুলতে চাই এবার ব্যাংকের কর্মকর্তা আপনাকে চলতি হিসাব খুলে দিবে, যার মাধ্যমে আপনি ইমপোর্ট এক্সপোর্টের কাজ করতে পারবেন।
ব্যাংকে চলতি হিসাব এর জন্য যে কাগজ গুলো লাগবে।
১। ট্রেড লাইসেন্স কপি
২। আয়কর প্রত্যয়পত্র
৩। ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট ( এক্সপোর্টার এটি সবার শেষে দিতে পারবে।)
এখন ব্যাংকের হিসাব খোলার পর ইম্পোর্ট – লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

কিভাবে ইম্পোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করবেন ?
ব্যাংক হিসাব খোলার পর ইমপোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করতে যে যে কাগজ লাগবে –
১। ট্রেড লাইসেন্স কপি
২। আয়কর প্রত্যয়নপত্র
৩। ব্যাংক সলভেনসির সার্টিফিকেট ( খরচ ১০০ থেকে ৬০০ টাকা) ফ্রি।
৪। কোন অনুমোদিত চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হতে হবে ( খরচ ৫০০ থেকে ১,০০,০০০/- টাকা )
৫। ইমপোর্ট / এক্সপোর্ট পূরণ করা ফরম।
৬। নিজস্ব প্যাডে ফরওয়াডিং লেটার।
এখন, সরকারের আইন অনুযায়ী আপনি যত টাকা ইমপোর্ট করতে চান সে অনুযায়ী বাৎসরিক ফি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে ফির হার –

Required fee needed to collect import license:

Serial বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমাপ্রাথমিক নিবন্ধন ফিসবার্ষিক নবায়ন ফিস
প্রথমটা: ৫০০০০০টা: ৫০০০টা: ৩০০০
দ্বিতীয়টা: ২৫০০০০০টা: ১০০০০টা: ৬০০০
তৃতীয়টা: ৫০০০০০০টা:১৮০০০টা: ১০০০০
চতুর্থটা: ১০০০০০০০টা: ৩০০০টা:১৫০০০
পঞ্চমটা: ৫০০০০০০০টা: ৪৫০০০টা:২২০০০
ষষ্ঠটা: ৫০০০০০০০ এর উর্ধ্বেটা: ৬০০০০টা: ৩০০০০

এক্সপোর্ট লাইসেন্সের জন্য ৮০০০ /- টাকা ফি লাগবে

নির্দিষ্ট ফি, সোনালি ব্যাংকে জমা দেবার পর , সে জমার স্লিপ এর সাথে উপরের ৫টি ডকুমেন্ট একসাথে স্ট্যাপলার পিন করে (ইমপোর্ট এক্সপোর্ট কন্ট্রোলার অফিসে জমা দিতে হবে )। এক্ষেত্রে ইমপোর্ট এর কাগজ বের হতে ৪-১০ দিন সময় লাগবে । কেউ যদি বৎসরে ৫০ লাখ টাকা ইমপোর্ট করতে চায় তবে সব মিলে আনুমানিক ৩৫০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা খরচ হবে । ইমপোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করারা পর এবার আপনি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলে বিদেশ থেকে যে কোন পণ্য অবাধে আমদানি করতে পারবেন । প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়ে আপনি বিশ্বেও ১৮০ দেশ থেকেই যেকোন পণ্য অবাধে আমদানি করতে পারবেন। সকল ফি এর সাধে ১৫% ভ্যাট ও ১০০ টাকা পাস বইয়ের জন্য অতিরিক্ত জমা দিতে হবে।
এক্সপোর্টের জন্য লাইসেন্স ফি ৮০০০ /- টাকা
ব্যাংকে এলসি খোলার আগে করণীয় :
ব্যাংকে এলসি খোলার আগে করণীয় :
প্রদত্ত ট্রেইনিং অনুযায়ী সাপ্লায়ার এর সাথে যোগাযোগ করে পণ্যের দাম বা কোটেশন নিতে হবে।কোটেশন পেপারকে পিআই / সেলস ইনভয়েস / প্রো – ফরমা ইনভয়েস বলে থাকে ।
বিদেশ থেকে প্রাপ্ত এ প্রো – ফরমা ইনভয়েসে পণ্যের এইচ এস কোড (১২৫৮৪৯৮৭০) বিদেশী সাপ্লাইয়ারের ব্যাংকের নাম, ঠিকানা ,সুইফট কোড , শিপমেন্টের সময়, পণ্যের বিবরণ সবশেষে বিদেশী সাপ্লাইয়ারের কোম্পানী সীল সহ স্বাক্ষর দিয়ে ই – মেইলে পাঠিয়ে থাকে ।নিজে প্রিন্ট করে স্বাক্ষর দিয়ে সিল দিলেই এটি Sales Contract এ রূপান্তরিত হয়।
Free Sample আনার নিয়ম
যে কোন পণ্য দাম নেবার পর বিক্রেতার সাথে কথা বলে পণ্যের গুনাগুন সম্পর্কে কনফার্ম হতে হবে। প্রয়োজনে (২০০০ – ৩৫০০) টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে যে পণ্যটি আনতে চান তার ফ্রি স্যাম্পল আনতে পারেন।
যে কোন পণ্য আমদানি কিভাবে বিক্রেতার কাছ থেকে ফ্রি স্যাম্পল আনবেন :
ট্রেনিং অনুযায়ী , বিক্রেতার সাথে কথা বলে আগে নির্দিষ্ট বা একাদিক আইটেমের পণ্য নির্বাচনের পর তা বাংলাদেশে আপনার কাছে আনার জন্য নিম্নের পদক্ষেপ নিবেন ।

বিদেশী বিক্রেতার টোটাল কোম্পানির নাম ঠিকানা, ফোন নম্বর যোগাড় করবেন।
তাকে আপনার নাম, ঠিকানা , কোম্পানির মেইল ঠিকানা সব দিবেন । (আলীবাবা ফ্রি মেম্বারশীপের অনেক উত্তম মাধ্যম ।)
এরপর (ডিএচিএল) : ৮৮ (০২) ৯৫৫৩৫১১ অথবা টিএন্ডটি +৮৮ ০২ ৯৮৯০৪৩০। ডিএইচএল / টিএন্ডটি তে অ্যাডভান্স টাকা জমা দিয়ে অ্যাকাউন্ট করলে বিদেশ থেকে যেকোন স্যাম্পল আনা অনেক সহজ। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ডিএইচএল – এর অ্যাকাউন্ট নাম্বারটা চায়নার স্যাপ্লাইরকে দিতে হবে।

Google play store এ গিয়ে Easy Chines Language Learning লিখে Search দিলে অনেক ভাষা শিক্ষার Appes আসবে। যে কোনটি Download করে চর্চা করুন ।এভাবে একটি শেষ হলে আরেকটি নামিয়ে চেষ্টা করুন।