কিভাবে করবেন Export Import? টিপস সমূহঃ

ট্রেড লাইসেন্স সংশোধন করা যায় –
ট্রেড লাইসেন্স করার সময় নাম , ঠিকানা , ধরণ প্রভৃতি সবকিছু NID অনুযায়ী হয়েছে কিনা ?

ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। এমনকি প্রতিটি বানান ভালোভাবে লক্ষ্য করুন । ভুল থাকলে সাথে সাথে সংশোধন করুন ।
লাইসেন্সের পেছনের পৃষ্ঠায় নিয়মাবলী লেখা থাকে। অবশ্যই পড়ে নিবেন।
কিছু কিছু প্রোর্ডাকসের ক্ষেত্রে DC অফিসের অনুমতি লাগবে।
তারপরেও পৃষ্ঠায় সংশোধনী পাতা থাকে, তাতে যেকোন ধরনের সংশোধনী যেমন, নাম – ঠিকানা, ব্যবসার ধরণ , মালিকের নাম প্রভৃতি।
ট্রেড লাইসেন্সের প্রতিটি কাজ নিজে করলে কোন অতিরিক্ত খরচ নেই।

তাই আপনি নিজেই করার চেষ্টা করবেন। অন্য লোক দিয়ে করালে ১০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিতে পারে।
অনলাইন বিহীন যে সমস্ত এলাকা আছে সেখানে এ ধরনের ট্রেডলাইসেন্স দেওয়া হয়।

Google এ How to register e – tin লিখে Search দিলে NBR সাইড আসবে, ঐ লিংকে Click করে প্রথমে Mobile No. দিয়ে Registration করতে হবে। তার পর Login করে তথ্য দিয়ে Submit করলে চলে আসবে।
নিজে করলে অনলাইনে ফ্রি করা যাবে। কিন্তু কাউকে দিয়ে করলে ৫০০/ – ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত নিতে পারে।

RJSC এর ওয়েবসাইটে চাইলে যে কেউ নাম জমা দিতে পারেন। নাম খালি থাকলে পরবর্তীতে টাকা জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। Memorandum এর জন্য সাধারণত Advocate রা ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নেয়। এ সংক্রান্ত আমাদের ভিডিও গুলো দেখুন আপনি নিজেই কোম্পানী খুলতে পারবেন।


এটিকে Blank Solvency সার্টিফিকেট ও বলে। এটি নেওয়ার জন্য ব্যাংক সামান্য টাকা থাকলেই চলবে।

একটি Chamber of Commerce এর Member হওয়া বাধ্যতামূলক । একাধিক হতে কোন বাধাঁ নেই ।

এই ফি’র যে কোন Updated Website এ পাওয়া যায়। Website দেখে নিন ।
আইআরসির জন্য ঠিক উপরে দেখানো ফরমটি পূরণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার ০৩ – ১০ দিনের মধ্যে আইআরসি সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।

এখানে কোন ব্যাংকে LC খুলতে হবে কোন ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। কত টাকার IRC এবং বিশেষ কোন নির্দেশনা থাকলে তা লেখা থাকে।

একটি ERC License দিয়ে যেকোন মূল্য সিমার যেকোন পণ্য রপ্তানি করা যাবে তবে । অবশ্যই EXP করতে হবে।

BIN – Business Identification No.
BIN – Beneficiary Identification No.
VIN – VAT Identification No.

সবগুলোর পণ্যের HS Code এক হলে উপরে বা নীচে দেওয়া থাকে। এক একটি পণ্যের HS Code একেক রকম হলে পণ্যের নামের পাশে HS Code থাকে।

LCA form মূলত ইম্পোর্টার কর্তৃক ব্যাংককে LC খোলার Form Authorization দেওয়া ।
বাংলাদেশ ব্যাংকে রপ্তানি তথ্য সংগ্রহের জন্য
এল.সি.গ্রহনের সময় ই.এক্স.পি. ফরম পূরণ করা হয়।

বাস্তবে LC এমনই ।

PL পাওয়ার পর Insurance করতে হয়। অনেক সময় PL নিয়ে ব্যাংককে গেলে ব্যাংক Insurance এর সাথে সাথে LC খুলে দেয়।

Insurance Cover Note আরেক নাম Marine Cover Note বলে।
পণ্যের মান ও পরিমাণ ঠিক আছে কিনা Shipment পূর্বে চেক করে দেখাকে , PSI বলে ।

পণ্য Shipment এর সময় Container এ যতটুকু থাকে তাকেই বলে Commercial Invoice.

Container এ কতটুকু পণ্য আছে, কত CBM আছে , সব কিছু বিস্তারিত ভাবে Packing list এ থাকে। Packing list এ কতগুলো কার্টুন আছে নেট – ওয়েট কত, গ্রস ওয়েট কত তা – উল্লেখ থাকে ।

Marine Policy পাওয়ার অর্থ তার ব্যাংকের সাথে LC সংক্রান্ত আর কোন লেন্দেন নাই।
ব্যাংকে সকল টাকা প্রদানের পরে Marine Policy দেওয়া হয়।
Marine Policy তে BL No. / AWB No. / Truck Challan No. দেওয়া থাকে।

Importer নিজস্ব কোম্পানী প্যাডে C & F কে Authorization Letter দিবে

Customs আমদানিকৃত পণ্য পরিপূর্ণ বা আংশিক চেক করার পরে Tax Assessment Report দেয়।

সাধারণত সেই টাকা ট্যাক্স দিতে হয়।

সাধারণত LC ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ Docs ঐ সমস্ত মাধ্যমে পাঠানো হয়।

টাকা কম দেখানোকে বলে Under invoice বেশি দেখানোকে over In Voice এই তথ্যগুলো Bangladesh Customs Tariff বইতে দেওয়া থাকে।

প্রতি বছর বাজেটের পর HS Code অনুযায়ী Tax সাধারণত পার্থক্য হয়ে থাকে। তাই সব সময় Bangladesh Customs Tariff বই ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া গুগুলে সার্চ দিয়েও এই তথ্যগুলো পেতে পারেন।