Search for:
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

💻ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কী:
প্রতিদিন প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ একবার হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। আর প্রতিমাসে এই সংখ্যাটা যেয়ে দাঁড়ায় ২.৩ বিলিয়নে। সেখানে প্রায় ৭ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় কোম্পানি এই বিশাল দর্শকদের জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করে।

গত এক দশকে, ফেসবুক ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসে পরিণত হয়েছে এবং ব্যবসা প্রচারের জন্য সবচেয়ে নির্ভরশীল স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফেসবুক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বর্তমান ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং পেইজ ভিজিটরদের আগ্রহ ধরে রাখতে তাদের সাথে একটি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করাই হল এর প্রধান কাজ, যাতে পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ সেই পণ্য বা সাইট সম্পর্কে জানতে পারে।

আপনি চাইলেই লিঙ্গ, বয়স, অবস্থান, চাকরি বা আগ্রহের উপর ভিত্তি করে ফেসবুকের মাইক্রো-টার্গেটিং বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে সঠিক টার্গেট ভিজিটরদের কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছা দিতে পাড়েন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সুবিধা:
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু:
আপনি ইতোমধ্যেই হয়তো জেনে থাকবেন যে অডিয়েন্স সম্পর্কে গভীরভাবে রিসার্চ করার অনুমতি ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের দিয়ে থাকে।

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট আয়, শিক্ষার স্তর, জীবনের ঘটনা, সম্পর্কের স্থিতি বা চাকরিসহ যেকোনো ধরনের অডিয়েন্স নির্বাচন করতে পারবেন। এমনকি আপনি গ্রাহকদের তাদের পছন্দের বিনোদন, খেলাধুলা, শখ ও কেনাকাটা করার অভ্যাসের মতো আগ্রহগুলো থেকেও তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন।

🔴ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি:
এই প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে আপনি অডিয়েন্সদের সরাসরি আপনার পেইজ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করাতে পারবেন। যারা ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ফলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, তারা অর্গানিক ইউজারদের থেকে বেশি জেনেই এখানে আসবেন কারণ তারা আপনার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই পণ্য সম্পর্কে জেনে নিয়েছেন।

তাই তাদের মনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। সেজন্য আপনার পণ্য সম্পর্কে আরও জানতে আপনার ফলোয়ারদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য উৎসাহিত করুন৷ এছাড়াও, যে ওয়েবসাইটটি লিঙ্ক করবেন সেখানে যদি কোনো ছবি দেওয়া থাকে, তাহলে ফেসবুক তা দিয়েই একটা বড় কভার ফটো তৈরি করে নেয়। তাই আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেইজ অথবা যেই পেইজটা লিংক করবেন সেখানে একটা আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করুন। এটি অনেক ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক বাড়াতে সাহায্য করবে।

🔴বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ফরম্যাট:
বর্তমানে ফেসবুক অ্যাড হলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সেরা ও সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র। খুব কম খরচে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন দৃষ্টিনন্দন অ্যাড তৈরি করা। আর ফেসবুক মার্কেটিংয়ে পাবেন ইমেজ, ক্যারোজেল, পোল, ভিডিও, স্লাইডশোর মতন হরেকরকম বিজ্ঞাপন ফরম্যাট।

🔴গ্রাহকদের সমর্থন:
যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার কাজ হচ্ছে পণ্য বিক্রয়ের সময়, বিক্রয়ের আগে ও পরে কাস্টমারকে সহযোগিতা করা। কাস্টমার আপনার কাছ থেকে একবার কিছু কিনে নিলেই তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না বরং সবসময় অনলাইনে কানেকটেড থাকতে হবে। কারণ আপনি চাইবেন আপনার পণ্য আরো বেশী এবং বার বার বিক্রি করতে। আর সেজন্যই কাস্টমারের সাথে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।

ফেসবুকের ক্রিয়েটর স্টুডিওতে যেয়ে অটোমেটেড রেস্পন্স অপশন থেকে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে না থাকার পরেও গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। তাছাড়া চ্যাটবট তৈরি করেও ব্যবহারকারীদের নিয়মিত করা প্রশ্নগুলোর উপর ভিত্তি করে আগেই এর উত্তর তৈরি করে রাখতে পারেন। ধরা যাক আপনি মূল্য, ডেলিভারি চার্জ, পেমেন্ট অপশন ইত্যাদি কি-ওয়ার্ড দিয়ে বেশ কিছু উত্তর সাজালেন৷

গ্রাহকদের প্রশ্নগুলোর মধ্যে যদি এই কি-ওয়ার্ডগুলো থেকে তাহলে অটোমেটিক তাদের প্রশ্নের উত্তর সেন্ড হবে। আপনার চ্যাটবট আসল কথোপকথন অনুকরণ করেই গ্রাহকের সাথে কথা বলবে। ফলস্বরূপ, আপনার কাজ অনেকটাই কমে যাবে এবং আপনি আপনার ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোয় মনোযোগ দিতে পারবেন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল:
ভিডিও অ্যাড:
এটি আপনার পণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরভাবে প্রদর্শন করার একটা দুর্দান্ত উপায়। ফেসবুক আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের রেডি-মেইড ভিডিও ব্যবহার করার অনুমতি দেয়, তেমনই পণ্য সম্পর্কে যেকোনো ভিডিও তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।

🔴ইমেজ অ্যাড:
ভিডিও তৈরির জন্য আপনার বাজেট যদি খুব কম হয়, তাহলে দ্রুত ও সহজে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞাপন তৈরি করার জন্য ইমেজ অ্যাড একটি ভাল উপায়৷ এটা আপনাকে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

🔴ক্যারোজেল অ্যাড:
এই ধরনটি একটি বিজ্ঞাপনের মধ্যে সর্বোচ্চ দশটি ছবি বা ভিডিও প্রদর্শনের অনুমতি দেয় এবং প্রতিটি ছবিতে একটি নির্দিষ্ট পণ্য তার ওয়েবসাইট পেইজের লিঙ্কসহ যুক্ত থাকে।

🔴কালেকশন অ্যাড:
এটি ফেসবুক ফিডে আপনার পণ্যগুলোকে একটা ছোট ক্যাটালগের মতন দেখাবে।

🔴কেন শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
নতুন গ্রাহক অর্জন থেকে শুরু করে আরো ভালো ব্র্যান্ড সচেতনতা গড়ে তোলা পর্যন্ত ফেসবুক অ্যাড আজকাল অনেক ছোট ব্যবসাকে অনলাইনে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। কেন আপনি ফেসবুক মার্কেটিং শিখবেন তা সম্পর্কে আরো জানতে চান? চলুন তাহলে, জেনে আসা যাক!

আপনার গ্রাহকরা তাদের দিনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ফেসবুকে ব্যয় করেন।
টার্গেটেড অডিয়েন্সকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্ম।
কম খরচে অ্যাড দেওয়া যায়।
এটি দ্রুততার সাথে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ায় ও বাজেটবান্ধব।
ওয়েবসাইটের ট্রাফিক, আয়, বিক্রয় এবং লিড বাড়ায়।
ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও ট্রাফিক বাড়ায়।
গ্রাহকদের ইমেইল তালিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।
ব্লগ ট্রাফিক বৃদ্ধি করে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়াতে পারে।
অর্গানিক মার্কেটিংয়ের চেয়ে বেশী ভালো কাজ করে।
প্রোডাক্টটাকে যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে, তত বেশি সেল জেনারেট করা যাবে।
নতুনদের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং টিপস:
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য কিন্তু খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এর জন্য সবার প্রথমে দরকার একটা ফেসবুক পেইজ। চাইলে আপনি নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকেও মার্কেটিংয়ের কাজ করতে পারেন, তবে বিজনেস পেইজগুলোর যেই সুবিধা, সেগুলো আপনি পাবেন না।

ফ্রি ও পেইড এই দুই ধরনের ফেসবুক মার্কেটিং রয়েছে। ফ্রি মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট ব্যবহার করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন। অথবা অর্থের বিনিময়ে পেইজ বুস্ট করে নিজের টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব দ্রুত পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন! আপনার পেইজের লাইক ও রিচ যদি বেশি হয় তাহলে আপনি বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মতো আপনার ফেসবুক পেইজ থেকে অন্য কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেওয়ার বিনিময়ে আপনি সেই কোম্পানি থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

🔴কিভাবে শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
এতক্ষণ ব্লগটা পড়ে ফেসবুক থেকে উপার্জন করাটা সহজ মনে হলেও, আদতে এতটাও সহজ না। কারণ আপনার মতই আরো অসংখ্য ডিজিটাল মার্কেটার ফেসবুকে কাজ করছেন। তাই তাদের থেকে নিজেকে আলাদা করে তুলতে হলে আপনার জানতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, নিজের ব্র্যান্ডকে অনলাইনে প্রমোট করার কৌশল এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন দিক, যাতে আপনার ব্র্যান্ডকে খুব সহজেই অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়

Web Development
ডিজিটাল গণিত অলিম্পিয়াড !!

গণিত

1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল

# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট

# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট

# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এক সহস্রাংশ = 0.001

গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================

#যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।:-
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি

আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি

আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================

১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================

★#সুত্র-১)সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)
1+2+3+4+……+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা
s=যোগফল
#প্রশ্নঃ 1+2+3+4+…………+100 =?
#সমাধানঃ[n(n+1)/2] = [100(100+1)/2] = 5050

★#সুত্রঃ2)সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²…….. +n²)
#প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ……. +31²) সমান কত?
#সমাধানঃS=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6] (এখানে n=শেষ সংখ্যা,31)

★#সুত্রঃ3)সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি
S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+………….+n³)

#প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
#সমাধানঃ [n(n+1)/2]2 = [10(10+1)/2]2 = 3025(উঃ)

★#সুত্রঃ4)পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +১

#প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
#সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+ ১
= [(50 – 5)/5] + 1 =10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি = [(5 + 50)/2] x 10 = 275(উঃ)

★#সুত্রঃ৫)n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = ১ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
#প্রশ্নঃ 5+8+11+14+…….ধারাটির কোন পদ 302?
#সমাধানঃধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100(উঃ)

★#সুত্রঃ6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(১ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
#প্রশ্নঃ1+3+5+…….+19=কত?
#সমাধানঃS=M²={(1+19)/2}²=(20/2)²=100(উঃ)
===========================

ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করার একটি effective টেকনিক!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
(০১) 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।
(০২) 213/5=42.6 (213*2=426)
0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)
(০৩) 12,121,212/5= 2,424,242.4
এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন, ৩.৫ সেকেন্ডের বেশি লাগবে না!!

❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 25 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটিও সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।
০২. 210/25 = 8.40
০৩. 0.03/25 = 0.0012
০৪. 222,222/25 = 8,888.88
০৫. 13,121,312/25 = 524,852.48

❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 125 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 7/125 = 0.056
টেকনিকঃ 125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।
০২. 111/125 = 0.888
০৩. 600/125 = 4.800
=====================

আসুন সহজে করি …
টপিকঃ ১০ সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।
বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল ১ থেকে ৯৯ এর মধ্যে এই পদ্বতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।
** অনেক বড় পোস্ট। অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ৫ মিনিটের মাথায় ভুলে যাবেন।
তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-
1 square = 1
2 square = 4
3 square = 9
4 square = 16
5 square = 25
6 square = 36
7 square = 49
8 square = 64
9 square = 81
এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে –
*১ আর ৯ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81);
*২ আর ৮ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64);
*৩ আর ৭ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);
*৪ আর ৬ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);
এবং ৫ একা frown emoticon
এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।
উদাহরণ ১ঃ 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।
১ম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে ‘6’ ।
২য় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা ‘6’ । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।
৩য় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন ৮ম ধাপে, পড়তে থাকুন …)
৪র্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।
৫ম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )
৬ষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6
৭ম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে ৩য় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)
৮ম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / ৬ মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।
৯ম ধাপঃ মনে আছে, ৫ম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2? এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24 !
কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
উদাহরণ ২ঃ 4225 এর বর্গমূল বের করুন।
মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেন –
– প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।
– প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।
– 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 ।
– তাই উত্তর হচ্ছে 65 !
===========================

১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ টিঃ
২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩,২৯,৩১,৩
৭,৪১,৪৩,৪৭,৫৩,৫
৯,৬১,৬৭,৭১,৭৩,৭৯,৮৩,৮৯, এবং ৯৭।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
১০৬০।
১-১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ৪ টি।
এভাবে ১-১০,১১-২০…… ১০০ পর্যন্ত
মৌলিক
সংখ্যা হল ৪,৪,২,২,৩,২,২,৩,২,১
–
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।

British & U.S British U.S
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
.
ক্যারেট কি?
.উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
.1 ক্যারেট = 2 গ্রাম

.বেল কি?
.উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
.1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।

জ্যামিতির সূত্রাবলিঃ-

সূক্ষ্ণকোণ : এক সমকোণ (৯০º) অপেক্ষা ছোট
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।

০৩. স্থুলকোণ : ৯০º অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০º
অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থুলকোণ বলে।

০৪. সমকোণ : একটি রেখা অপর একটি রেখার
উপর লম্ব হলে সমকোণ সৃষ্টি হয়।

০৫. সরলকোণ : যে কোণের পরিমাণ ১৮০º
কোণের সমান তাকে সরল কোণ বলে।

০৬. পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি ৯০º
এর সমান হয় তবে একটি কোণকে অপর কোণের
পূরক কোণ বলে।

০৭. সম্পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি
১৮০º এর সমান হলে, একটি কোণকে অপর কোণের
সম্পূরক কোণ বলে।

০৮. পৃবৃদ্ধ কোণ : দুই সমকোণ (১৮০º)
অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ (৩৬০º) অপেক্ষা
ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
===========================

বৃত্ত সম্পর্কিত তথ্য:-
1. পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়? = পরিধি
2. পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয় = চাপ
3. পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ
সরলরেখাকে বলা হয় = জ্যা ( বৃত্তের ব্যাস
হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
4. বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই = ব্যাস
5. কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে
বলা হয় = ব্যাসার্ধ

বৃত্ত সম্পর্কিত কিছু সূত্র:
1. বৃত্তের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = πr²
( যেখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ)
2. বৃত্তের পরিধির সূত্র = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 4πr²
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3
=======================

ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল:-
সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২ ভূমিXউচ্চতা
.
সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
.
সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = a/4√
(4b2-a2) যেখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু
.
সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √(3/4)a2
যেখানে, a = যে কোন বাহুর দৈর্ঘ্য
.
চতুর্ভূজের ক্ষেত্রফল
=======================
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
.
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)২
.
সামন্তরিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ভূমি x উচ্চতা
.
অন্যান্য সূত্রাবলী
.
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 x এক বাহুর পরিমাণ
===========================
সহজভাবে মনে রাখার কিছু সুত্রঃ
.
১) জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৮ = ১২
.
২) জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৭ = ১১
.
৩) বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ + ৭ = ১২
.
৪) জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৪ = ৩২
.
৫) জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৩ = ২৪
.
৬) বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫×৭=৩৫

ধন্যবাদ

Digital Marketing Course Module
ফেসবুক মার্কেটিং কী:

ফেসবুক মার্কেটিং কী:

💻ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কী:
প্রতিদিন প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ একবার হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। আর প্রতিমাসে এই সংখ্যাটা যেয়ে দাঁড়ায় ২.৩ বিলিয়নে। সেখানে প্রায় ৭ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় কোম্পানি এই বিশাল দর্শকদের জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করে।

গত এক দশকে, ফেসবুক ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসে পরিণত হয়েছে এবং ব্যবসা প্রচারের জন্য সবচেয়ে নির্ভরশীল স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফেসবুক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বর্তমান ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং পেইজ ভিজিটরদের আগ্রহ ধরে রাখতে তাদের সাথে একটি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করাই হল এর প্রধান কাজ, যাতে পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ সেই পণ্য বা সাইট সম্পর্কে জানতে পারে।

আপনি চাইলেই লিঙ্গ, বয়স, অবস্থান, চাকরি বা আগ্রহের উপর ভিত্তি করে ফেসবুকের মাইক্রো-টার্গেটিং বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে সঠিক টার্গেট ভিজিটরদের কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছা দিতে পাড়েন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সুবিধা:
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু:
আপনি ইতোমধ্যেই হয়তো জেনে থাকবেন যে অডিয়েন্স সম্পর্কে গভীরভাবে রিসার্চ করার অনুমতি ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের দিয়ে থাকে।

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট আয়, শিক্ষার স্তর, জীবনের ঘটনা, সম্পর্কের স্থিতি বা চাকরিসহ যেকোনো ধরনের অডিয়েন্স নির্বাচন করতে পারবেন। এমনকি আপনি গ্রাহকদের তাদের পছন্দের বিনোদন, খেলাধুলা, শখ ও কেনাকাটা করার অভ্যাসের মতো আগ্রহগুলো থেকেও তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন।

🔴ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি:
এই প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে আপনি অডিয়েন্সদের সরাসরি আপনার পেইজ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করাতে পারবেন। যারা ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ফলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, তারা অর্গানিক ইউজারদের থেকে বেশি জেনেই এখানে আসবেন কারণ তারা আপনার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই পণ্য সম্পর্কে জেনে নিয়েছেন।

তাই তাদের মনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। সেজন্য আপনার পণ্য সম্পর্কে আরও জানতে আপনার ফলোয়ারদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য উৎসাহিত করুন৷ এছাড়াও, যে ওয়েবসাইটটি লিঙ্ক করবেন সেখানে যদি কোনো ছবি দেওয়া থাকে, তাহলে ফেসবুক তা দিয়েই একটা বড় কভার ফটো তৈরি করে নেয়। তাই আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেইজ অথবা যেই পেইজটা লিংক করবেন সেখানে একটা আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করুন। এটি অনেক ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক বাড়াতে সাহায্য করবে।

🔴বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ফরম্যাট:
বর্তমানে ফেসবুক অ্যাড হলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সেরা ও সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র। খুব কম খরচে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন দৃষ্টিনন্দন অ্যাড তৈরি করা। আর ফেসবুক মার্কেটিংয়ে পাবেন ইমেজ, ক্যারোজেল, পোল, ভিডিও, স্লাইডশোর মতন হরেকরকম বিজ্ঞাপন ফরম্যাট।

🔴গ্রাহকদের সমর্থন:
যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার কাজ হচ্ছে পণ্য বিক্রয়ের সময়, বিক্রয়ের আগে ও পরে কাস্টমারকে সহযোগিতা করা। কাস্টমার আপনার কাছ থেকে একবার কিছু কিনে নিলেই তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না বরং সবসময় অনলাইনে কানেকটেড থাকতে হবে। কারণ আপনি চাইবেন আপনার পণ্য আরো বেশী এবং বার বার বিক্রি করতে। আর সেজন্যই কাস্টমারের সাথে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।

ফেসবুকের ক্রিয়েটর স্টুডিওতে যেয়ে অটোমেটেড রেস্পন্স অপশন থেকে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে না থাকার পরেও গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। তাছাড়া চ্যাটবট তৈরি করেও ব্যবহারকারীদের নিয়মিত করা প্রশ্নগুলোর উপর ভিত্তি করে আগেই এর উত্তর তৈরি করে রাখতে পারেন। ধরা যাক আপনি মূল্য, ডেলিভারি চার্জ, পেমেন্ট অপশন ইত্যাদি কি-ওয়ার্ড দিয়ে বেশ কিছু উত্তর সাজালেন৷

গ্রাহকদের প্রশ্নগুলোর মধ্যে যদি এই কি-ওয়ার্ডগুলো থেকে তাহলে অটোমেটিক তাদের প্রশ্নের উত্তর সেন্ড হবে। আপনার চ্যাটবট আসল কথোপকথন অনুকরণ করেই গ্রাহকের সাথে কথা বলবে। ফলস্বরূপ, আপনার কাজ অনেকটাই কমে যাবে এবং আপনি আপনার ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোয় মনোযোগ দিতে পারবেন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল:
ভিডিও অ্যাড:
এটি আপনার পণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরভাবে প্রদর্শন করার একটা দুর্দান্ত উপায়। ফেসবুক আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের রেডি-মেইড ভিডিও ব্যবহার করার অনুমতি দেয়, তেমনই পণ্য সম্পর্কে যেকোনো ভিডিও তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।

🔴ইমেজ অ্যাড:
ভিডিও তৈরির জন্য আপনার বাজেট যদি খুব কম হয়, তাহলে দ্রুত ও সহজে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞাপন তৈরি করার জন্য ইমেজ অ্যাড একটি ভাল উপায়৷ এটা আপনাকে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

🔴ক্যারোজেল অ্যাড:
এই ধরনটি একটি বিজ্ঞাপনের মধ্যে সর্বোচ্চ দশটি ছবি বা ভিডিও প্রদর্শনের অনুমতি দেয় এবং প্রতিটি ছবিতে একটি নির্দিষ্ট পণ্য তার ওয়েবসাইট পেইজের লিঙ্কসহ যুক্ত থাকে।

🔴কালেকশন অ্যাড:
এটি ফেসবুক ফিডে আপনার পণ্যগুলোকে একটা ছোট ক্যাটালগের মতন দেখাবে।

🔴কেন শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
নতুন গ্রাহক অর্জন থেকে শুরু করে আরো ভালো ব্র্যান্ড সচেতনতা গড়ে তোলা পর্যন্ত ফেসবুক অ্যাড আজকাল অনেক ছোট ব্যবসাকে অনলাইনে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। কেন আপনি ফেসবুক মার্কেটিং শিখবেন তা সম্পর্কে আরো জানতে চান? চলুন তাহলে, জেনে আসা যাক!

আপনার গ্রাহকরা তাদের দিনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ফেসবুকে ব্যয় করেন।
টার্গেটেড অডিয়েন্সকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্ম।
কম খরচে অ্যাড দেওয়া যায়।
এটি দ্রুততার সাথে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ায় ও বাজেটবান্ধব।
ওয়েবসাইটের ট্রাফিক, আয়, বিক্রয় এবং লিড বাড়ায়।
ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও ট্রাফিক বাড়ায়।
গ্রাহকদের ইমেইল তালিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।
ব্লগ ট্রাফিক বৃদ্ধি করে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়াতে পারে।
অর্গানিক মার্কেটিংয়ের চেয়ে বেশী ভালো কাজ করে।
প্রোডাক্টটাকে যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে, তত বেশি সেল জেনারেট করা যাবে।
নতুনদের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং টিপস:
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য কিন্তু খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এর জন্য সবার প্রথমে দরকার একটা ফেসবুক পেইজ। চাইলে আপনি নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকেও মার্কেটিংয়ের কাজ করতে পারেন, তবে বিজনেস পেইজগুলোর যেই সুবিধা, সেগুলো আপনি পাবেন না।

ফ্রি ও পেইড এই দুই ধরনের ফেসবুক মার্কেটিং রয়েছে। ফ্রি মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট ব্যবহার করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন। অথবা অর্থের বিনিময়ে পেইজ বুস্ট করে নিজের টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব দ্রুত পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন! আপনার পেইজের লাইক ও রিচ যদি বেশি হয় তাহলে আপনি বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মতো আপনার ফেসবুক পেইজ থেকে অন্য কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেওয়ার বিনিময়ে আপনি সেই কোম্পানি থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

🔴কিভাবে শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
এতক্ষণ ব্লগটা পড়ে ফেসবুক থেকে উপার্জন করাটা সহজ মনে হলেও, আদতে এতটাও সহজ না। কারণ আপনার মতই আরো অসংখ্য ডিজিটাল মার্কেটার ফেসবুকে কাজ করছেন। তাই তাদের থেকে নিজেকে আলাদা করে তুলতে হলে আপনার জানতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, নিজের ব্র্যান্ডকে অনলাইনে প্রমোট করার কৌশল এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন দিক, যাতে আপনার ব্র্যান্ডকে খুব সহজেই অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়

Video Editing Course Module
ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর অসুবিধা

•ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ এক্ষেত্রে।

চলুন দেখে নিই এর অসুবিধাগুলোওঃ

•ফ্রিল্যান্সেরদের (Freelancer) দীর্ঘ সময় একই জায়াগায় বসে কাজ করতে হয়। এজন্য কোমর, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

•কম্পিউটার এর সামনে একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয়। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রিল্যান্সারদের চোখের সমস্যা দেখা যায়।

•এক্ষেত্রে সব কাজ বাসায় বসে করতে হয়। এর ফলে একাকীত্বের মাধ্যমে মানুষ অবসাদগ্রস্ত হয়ে যায় যেটি পরবর্তীতে বড় রুপ ধারন করতে পারে।

•প্রায়শই ঘুমের নানা রকম সমস্যায় সম্মুখীন হন ফ্রিল্যান্সাররা। কারন দেখা যায় আমাদের দেশে যখন রাত, ক্লায়েন্টের দেশে তখন দিন।

•বাইরে তেমন বের না হওয়ার কারনে রোদের স্পর্শ পায় না তেমন এই পেশার লোকজন। সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি এর অভাব হওয়াটা ব্যতিক্রম কিছু না। •

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা

•ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। তারপরও সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলো নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

•সময়ের স্বাধীনতা •

আগেই বলা হয়েছে যে, এ কাজে আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময়ে আপনি কাজ করতে পারবেন। এর পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপরে। আপনি যদি চান আপনি এখন কাজ করবেন না, আপনাকে কেউ জোর করবে না এখন কাজ করতে।

•কাজের স্বাধীনতা •

আপনি নিজেই নিজের কাজ বেছে নিতে পারবেন। আপনার যে কাজটি সব থেকে ভালো লাগে সেটিকে বেছে নিতে পারবেন ও চাইলে যতদিন ইচ্ছা ওই কাজ করে যেতে পারবেন।

•নিজের বেতন নিজে ঠিক করা •

আপনার নিজের পেমেন্ট রেট (Payment Rate) আপনি নিজে বেছে নিতে পারবেন। প্রায় প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেসেই নিজের পেমেন্ট রেট উল্লেখ করার সুযোগ রয়েছে। আপনি যত বেতনে কাজ করতে চান সেটি অনুযায়ী কাজ পাবেন এখানে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ক্রেতা মার্কেটে যেয়ে প্রডাক্ট কেনার দরকার হয় না।

প্রডাক্ট কেনার সময় অনলাইনে সার্চ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পেজ ঘুরে যাদের কাষ্টমার রিভিউ ভালো এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে অর্ডার করে থাকে।

সেক্ষেত্রে মার্কেটে যেয়ে সময়, শ্রম এবং টাকা নষ্ট করার প্রয়োজন হয় না। খুব অল্প খরচে বাসায় বসে প্রডাক্ট পেয়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বের ৫১.০৮% মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করে থাকে।

এর পরিমাণটা আরো দিনদিন বাড়ছে। তাহলে নিশ্চই বলতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ দিনদিন ভালো ছাড়া খারাপের দিকে কল্পনা করা যায় না।

Digital Marketing
Digital Marketing কত প্রকার?

Digital Marketing কত প্রকার?

ডিজিটাল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কোন প্রকার ভেদ হতে পারে না। Digital Marketing একটি বিভাগ যার সীমার মধ্যে সকল কিছু সীমাবদ্ধ। মার্কেটিং সেক্টরটাকে যদি পৃথিবী কল্পনা করি তাহলে তার ভিতরে হাজার হাজার দেশ থাকতে পারে, লক্ষ লক্ষ শহর থাকতে পারে।

আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কিছু বিষয় আলোচনা করতে পারি। কিন্তু সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়। Digital Marketing বিষয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্ট নিয়ে আলোচনা করব।

মার্কেটিংয়ের চ্যানেল ও কন্টেন্টের ধরনের ভিত্তিতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ধরন আলাদা হয়।

প্রায় সময় এগুলো পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত হবার কারণে সুনির্দিষ্ট কোন সংখ্যায় ডিজিটাল মার্কেটিংকে ভাগ করা যায় না। নিচে Digital Marketing এর গুরুত্ত্বপূর্ণ পার্ট উল্লেখ করা হলো-

  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)
  • কনটেন্ট মার্কেটিং (Content Marketing)
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • মোবাইল মার্কেটিং
  • Pay-per-click অ্যাডভার্টাইজিং (PPC)
  • রেফারেল মার্কেটিং (Referral Marketing)
  • গুগল এ্যাড।
  • ওয়েবসাইট মার্কেটিং।
ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন
•ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) মূলত এমন একটি পেশা যেখানে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এটি সাধারন চাকরির মতোই, কিন্তু ভিন্নতা হলো এখানে আপনি আপনার স্বাধীন মতো কাজ করতে পারবেন।
•দেখা গেলো আপনার এখন কাজ করতে ইচ্ছা করছে না; আপনি করবেন না। যখন ইচ্ছা করবে তখন আবার চাইলেই করতে পারবেন। ধরাবাঁধা কোনো অফিস টাইম নেই। এরপরে এখানে আপনার নির্দিষ্ট কোনো ইমপ্লয়ার (Employer) নেই। যখন যে বায়ারের কাজ নিবেন তখন সে-ই আপনার ইমপ্লয়ার (Employer)।
•সাধারন চাকরি থেকে এখানে আরেকটি বিষয়-এর ভিন্নতা আছে। সেটি হলো কাজের স্থান। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর নির্দিষ্ট কোনো অফিস নেই। মূলত আপনার বাড়িই হচ্ছে আপনার অফিস।
•এখানে বসেই আপনি বিভিন্ন দেশের বায়ারদের সাথে কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর ক্ষেত্রে খুব সহজেই সরকারি বেসরকারি অনেক চাকরির থেকে বেশি বেতনে কাজ করতে পারবেন আপনার যদি যথেষ্ট পরিমাণে দক্ষতা থাকে।

•এখানে আপনার শুধু দরকার একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডে দক্ষতা অর্জন করা। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) ও আউটসোর্সিং (Outsourcing) এর আওতা অনেক বড়। ফটো এডিটিং (Photo Editing) থেকে শুরু করে ভিডিও বানানো, এডিট করা (Video Editing) সহ গ্রাফিক্স ডিজাইনের সকল বিভাগই এর আওতাভুক্ত। এছাড়া ওয়েব ডিজাইন (Web design), কোডিং (Coding), এনিমেশন তৈরি (Animation Making), ব্লগিং (Blogging) সহ অনেক কাজ আপনি এখানে পেয়ে যাবেন।

•ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে যেকোনো একটি স্কিলে খুব ভালো মানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন ধরুন আপনি ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর উপর খুব ভালো দক্ষতা অর্জন করলেন। •এবার আপনাকে যেকোনো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করতে হবে। একাউন্ট তৈরি করার পর আপনাকে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে হবে একটি অর্ডার পাওয়ার জন্য। •সত্যি কথা বলতে একজন নতুন ওয়েব ডিজাইনারকে কেউই কাজ দিতে খুব একটা আগ্রহী হয় না। আর তাই আপনার প্রোফাইলে যদি ভালো কিছু রিভিউ থাকে, তাহলে আপনাকে আর কাজ পেতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।

ডিজিটাল মার্কেটিং
ডিজিটাল মার্কেটিং কি, কত প্রকার এবং কাদের জন্য?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং শব্দটি এখন খুবই পরিচিত। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একটি শব্দ আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত সেটা হচ্ছে “প্রচারই প্রসার”। প্রচার না করলে প্রসার হওয়া অসম্ভব। আর মার্কেটিংয়ের কথা যখন সামনে আসে তখন দুই ধরনের মার্কেটিংয়ের কথা আমাদের মাথায় আসে।
১) ট্রাডিশনাল মার্কেটিং
২) ডিজিটাল মার্কেটিং।

তবে ট্রাডিশনাল মার্কেটিংয়ের চেয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং মানুষ বেশি পছন্দ করে থাকে। আর সে জন্যই আমাদের এই পর্বে জেনে নিব ডিজিটাল মার্কেটিং কি।

ডিজিটাল মার্কেটিং বুঝতে সুবিধার জন্য আমাদের জানা দরকার মার্কেটিং কি।
সাধারণভাবে বলতে পারি, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কিংবা কোন ব্যবসাকে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের নিকট পৌছে দেওয়ার নামই হচ্ছে মার্কেটিং।

আর এই মার্কেটিং করার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি এজেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকে। এজেন্টের পাশাপাশি এখন পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।

এই মার্কেটিং এর কাজটি যখন আমরা ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালাবো তখন আমরা বলছি ডিজিটাল মার্কেটিং।

অর্থাৎ, ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারকারীদের কাছে মার্কেটিং করাকে বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং।

এক কথায় বলতে পারি, ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে ব্যবসার যে মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকে আমরা বলছি Digital Marketing ।

Digital Marketing কত প্রকার?

ডিজিটাল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কোন প্রকার ভেদ হতে পারে না। Digital Marketing একটি বিভাগ যার সীমার মধ্যে সকল কিছু সীমাবদ্ধ। মার্কেটিং সেক্টরটাকে যদি পৃথিবী কল্পনা করি তাহলে তার ভিতরে হাজার হাজার দেশ থাকতে পারে, লক্ষ লক্ষ শহর থাকতে পারে।

আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কিছু বিষয় আলোচনা করতে পারি। কিন্তু সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়। Digital Marketing বিষয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্ট নিয়ে আলোচনা করব।

মার্কেটিংয়ের চ্যানেল ও কন্টেন্টের ধরনের ভিত্তিতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ধরন আলাদা হয়।

প্রায় সময় এগুলো পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত হবার কারণে সুনির্দিষ্ট কোন সংখ্যায় ডিজিটাল মার্কেটিংকে ভাগ করা যায় না। নিচে Digital Marketing এর গুরুত্ত্বপূর্ণ পার্ট উল্লেখ করা হলো-

  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)
  • কনটেন্ট মার্কেটিং (Content Marketing)
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • মোবাইল মার্কেটিং
  • Pay-per-click অ্যাডভার্টাইজিং (PPC)
  • রেফারেল মার্কেটিং (Referral Marketing)
  • গুগল এ্যাড।
  • ওয়েবসাইট মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?

বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে Digital Marketing ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন কম সময়ে, কম খরচে বেশি ফলাফল পাওয়ার কারণেই সবাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের দিকে ঝুকছে।

নিচে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করছি-

ভোক্তারা বেশি বেশি ডিজিটাল হচ্ছেঃ

ভোক্তারা এখন কোন পণ্য কেনার আগে পাশে থাকা ফোন অথবা কম্পিউটারে সার্চ করে দেখে নেয় পণ্যটি কোন কোম্পানি বিক্রি করছে, কত প্রাইস, কত রকম কালার আছে, পরিচিতদের মধ্যে কে কে কিনেছে, সবাই ফিডব্যাক কেমন দিচ্ছে ইত্যাদি।

সেজন্য আপনি যদি বিক্রেতা হয়ে থাকেন তাহলে আপনার পণ্যটি গুগোল, ফেসবুক, টুয়েটার ইত্যাদি প্লাটফর্মে রাখতে হবে তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধি পাবে।

অল্প খরছে ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রেটেজির প্রয়োগ করা যায়ঃ

গতানুগতিক মার্কেটিং এবং Digital Marketing এর মধ্যে অন্যতম পার্থক্য হচ্ছে গতানুগতিক পদ্ধতির মার্কেটিংয়ে খরচ বেশি এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে খরচ কম।

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কোন প্রকার খরছ ছাড়াই লক্ষ লক্ষ ফেসবুক ইউজার এবং ইউটিউব ব্যবহারকারীর কাছে খুব সহজে পৌছানো সম্ভব।

এছাড়াও ফেসবুকে মাত্র কয়েক ডলার খরচ করলেই লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে খুব সহজে পৌছে যাওয়া সম্ভব। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে পৌছানো সম্ভব।

সহজেই ট্র্যাক করা যায়ঃ

আপনি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্সদের খব সহজে ট্রাক করতে পারবেন।

আপনার ওয়েবসাইট থেকে আপনার অডিয়েন্সরা কোন পেজ থেকে কোন পেজে যাচ্ছে প্রতিদিন কত অডিয়েন্স আপনার পেজ ভিজিট করছে, কত সময় আপনার ওয়েবসাইটে থাকছে সবকিছু আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন।

ট্রেন্ড গুলো সহজেই সনাক্ত করা যায়ঃ

ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ট্রেন্ড ‍বুঝতে পারা খুবই জরুরি। ট্রেন্ড সবসময় পরিবর্তনশীল, ব্যবসা করতে হইলে ট্রেন্ড পরিবর্তনেন সাথে সাথে আপনাকেও পরিবর্তন হতে হবে।

গুগল ট্রেন্ডে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরণের ট্রেন্ড গুলো চলছে তা দেখা যায়। মার্কেটিং পদ্ধতি তৈরির পূর্বে সেই ট্রেন্ড অনুসারে কৌশল তৈরি করা যায়।

কাস্টমারের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা অনেক সহজঃ

ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে কাষ্টমারকে সন্তষ্ঠ রাখা খুবই জরুরী। কাষ্টমারকে খুশি না রাখতে পারলে ব্যবসায়ে সফল হওয়া অসম্ভব।

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কাষ্টমারদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখা যায়। কাষ্টমাররা তাদের মতামত জানাতে পারে, তাদের পছন্দ-অপছন্দ জানাতে পারে।

প্রতিযোগীরা ব্যবসায়ীঃ

আপনি কেন ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন তার সঠিক উত্তর হচ্ছে আপনার প্রতিযোগীরা Digital Marketing করছে। আপনি যদি ব্যবসায়ে টিকে থাকতে চান তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে।

সময়ের সাথে আপডেট না হতে পারার কারণে নোকিয়া ফোন এবং ইয়াহুর মতো কোম্পানি অবস্থা আমাদের সবার জানা আছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ?

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ক্রেতা মার্কেটে যেয়ে প্রডাক্ট কেনার দরকার হয় না।

প্রডাক্ট কেনার সময় অনলাইনে সার্চ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পেজ ঘুরে যাদের কাষ্টমার রিভিউ ভালো এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে অর্ডার করে থাকে।

সেক্ষেত্রে মার্কেটে যেয়ে সময়, শ্রম এবং টাকা নষ্ট করার প্রয়োজন হয় না। খুব অল্প খরচে বাসায় বসে প্রডাক্ট পেয়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বের ৫১.০৮% মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করে থাকে।

এর পরিমাণটা আরো দিনদিন বাড়ছে। তাহলে নিশ্চই বলতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ দিনদিন ভালো ছাড়া খারাপের দিকে কল্পনা করা যায় না।


ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শেখা যায়?

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাইলে আপনি অনেকভাবে শিখতে পারেন। শিখতে চাইলে শেখার সুযোগের অভাব নেই।

তবে দ্রুত এবং সঠিক গাইডলাইন নিয়ে শিখতে চাইলে কোর্স করা বেটার। কেননা এতে কন্টেন্ট গুলো গোছানো থাকে।

তবে কাজ শিখতে হইলে আপনাকে প্রচুর প্রাকটিসের বিকল্প নেই। অল্পদিনে সফল হতে হলে আপনাকে প্রচুর প্রাকটিস করতে হবে।

সেটা হোক অনলাইন রিসোর্স দেখে শেখা অথবা কোন প্রতিষ্ঠানে কোর্স করে শেখার মাধ্যমে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখতে পারেন তার বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হলো-

অনলাইন ফ্রী রিসোর্সঃ

অনলাইনে রিসোর্সের অভাব নেই। আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে বিভিন্ন মেন্টরের বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আছে।

আপনি চাইলে সেখান থেকে দেখে দেখে প্রাকটিস করে শিখতে পারেন।তবে ইউটিউব থেকে শেখাটা অনেক কঠিন।

কারণ, যেহেতু ইউটিউবে রিসোর্সের অভাব নেই সেহেতু কোথা থেকে শুরু করব, কোনটা আগে করবো, কোন মেন্টরের ভিডিও আগে দেখবো এইটা ডিসিশন নিতেই অনেক সময় চলে যায়।

অথবা এক মেন্টরের ভিডিও দেখতে দেখতে আরেক মেন্টরের ভিডিও দেখা শুরু করলে আসলে তেমন কিছু শেখা যাবে না।

অনলাইন কোর্সঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করিয়ে থাকে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সটি করানোর জন্য স্কলারশিপ দিয়ে থাকে আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সামান্য মূল্য থেকে শুরু করে ৪০-৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে।

সেখান থেকে আপনাকে খুজে খুজে আপনার জন্য কোনটি পারফেক্ট সেটা আপনাকেই দেখতে হবে।

অফলাইন কোর্সঃ

আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার কম্পিউটার নেই সেজন্য কি আপনার শেখার পথ বন্ধ থাকবে? সেজন্য আপনি চাইলে অফলাইনেও শিখতে পারবেন।

অফলাইনে শেখার জন্য আপনাকে সেই প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে। তবে অনলাইন আর অফলাইনে যেভাবেই আপনি শিখেন না কেন আপনাকে প্রাকটিস করতে হবে।

ইন্টার্নশিপঃ

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে দ্রুত সফল হতে চাইলে আপনি ইন্টার্নশিপ করতে পারেন।

ইন্টার্নশিপ করার ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠান অনলাইনে কাজ করে সেই প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করতে পারেন। তাহলে হাতে কলমে ভালোভাবে কাজ শিখতে পারবেন।

প্রাইভেট ওয়ান টু ওয়ান কোর্সঃ

আপনি চাইলে কোন মেন্টরের কাছ থেকে প্রাইভেট ওয়ান টু ওয়ান কোর্স করতে পারেন। সেক্ষেত্রে মেন্টরকে প্রচুর টাকা পে করতে হবে।

উপসংহারঃ

পরিশেষে আমরা বলতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে যদি সফল হইতে চাই তাহলে আমাদেরকে 2-3 মাস কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এবং ধ্যৈর্য ধরে টিকে থাকতে হবে।

সেক্ষেত্রে RED LOVE DIGITAL দিচ্ছে প্রফেশনাল কোর্স মডিউল এবং লাইফটাইম সাপোর্ট।

Digital Marketing Course Module
Digital Marketing Course Module

কোম্পানির ব্রান্ডিং, পণ্যের বিক্রি সহ প্রত্যেকটি কাজে ডিজিটাল মার্কেটিং ছাড়া কল্পনা করা যায় না। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে দক্ষ হয়ে দেশের মার্কেটে শুধু নয় ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। নিচে ডিজিটাল মার্কেটিং

ক্লাস ০১
শিক্ষার্থী পরিচিতি
মার্কেটিং সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা
ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণা
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আলোচনা

ক্লাস ০২
ফেসবুক প্রফাইল সেটিং
ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপ তৈরী
ফেসবুক পেজ ভেরিফিকেশন
অর্গেনিক রিচ এবং পেজ লাইক

ক্লাস ০৩
সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
টুয়েটার প্রোফাই সেটাপ
লিংকডিন প্রোফাইল সেটাপ
ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল সেটাপ

ক্লাস ০৪
বেসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন
ব্যানার/ছবি এডিটিং
বেসিক ভিডিও এডিটিং
ক্যামতাশিয়া ভিডিও এডিটিং

ক্লাস ০৫
ফেসবুক বুস্টিং
ম্যাসেঞ্জার এড
কনভার্সন এড
অন্যান্য এড

ক্লাস ০৬
মেসেঞ্জার মার্কেটিং
ফেসবুক মেসেঞ্জার বিজ্ঞাপন
অটো রিপ্লাই সিস্টেম
ম্যাসেঞ্জার বট লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ০৭
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আলোচনা
ফাইবার মার্কেটপ্লেস
ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস
অন্যান্য মার্কেটপ্লেস

ক্লাস ০৮
ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারণা
ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ধারণা
লোকালহোস্ট ইনস্টল করা
ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করা

ক্লাস ০৯
ব্লগ সাইট সম্পর্কে ধারণা
পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরী করা
কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে আলোচনা
লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১০
এসইও সম্পর্কে ধারণা
অনপেজ এসইও সম্পর্কে ধারণা
ওয়েবসাইট অডিট করা
লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১১
অফপেজ এসইও সম্পর্কে ধারণা
ব্যাকলিংক সম্পর্কে ধারণা
যাদের সাথে ব্যাকলিংক করবো
লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১২
গুগোল সার্চ কনসোল আলোচনা
সার্চ কনসোলে তালিকাভুক্ত করা
লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১৩
গুগল বিজনেস ম্যানেজার
বিজনেস ম্যানেজার লাইভ প্রোজেক্ট
গুগল এনালাইটিক্স আলোচনা
এনালাইটিক্স লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১৪
গুগল এড সম্পর্কে আলোচনা
গুগল এড একাউন্ট ক্রিয়েট করা
গুগল এড তৈরী করা
গুগল এড লাইভ প্রোজেক্ট

ক্লাস ১৫
ইউটিউব মার্কেটিং আলোচনা
ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করা
ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করা
ইউটিউবে ভিডিও এসইও করা

ক্লাস ১৬
ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কে আলোচনা
ফ্রিতে মেইল কালেক্ট করা
মেইল টেমপ্লেট তৈরী করা
একসাথে অসংখ্য মেইল সেন্ড করা