Search for:
ট্রেড লাইসেন্স কী? ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ?

ট্রেড লাইসেন্স কী? 

অনলাইন ই-ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে?

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। প্রশু হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে করবেন ?  সাধারণত সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা , জেলা ও উপজেলা পরিষদ থেকে এটি প্রদান করা হয়। শুধু ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা যায়। ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে না জানার কারণে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়ে থাকেন। আমরা জানব –

ট্রেড লাইসেন্স কীঃ  ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স। এটি ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট ।আমাদের দেশে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী আছেন, যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। ব্যবসার লাইসেন্স মানে হিচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । তাই আপনার বৈধ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। 

ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ?

১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ ত্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাকে অবশ্যই কোনো না কোনো ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে। 

যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে সিদ্ধান্ত নিনঃ

যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারণ এবং ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপণ। আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুন। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি করপোরেশন  এলাকা যেমন , ঢাকা , চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর,ময়মনসিংহ কিংবাবরিশালে হয় তাহলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোনো পৌর এলাকায় হয়ে থাকে, তাহলে ওয়ি এলাকার পৌর কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম।

ট্রেড লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবেঃ

ধাপ ১ঃ নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

ধাপ ২ঃ প্রতিষ্ঠান /কারখানা / কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৩ঃ প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান / কারখানা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসমূহ নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৪ঃ প্রতিষ্ঠান / কারখানা / কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার মানচিত্রের অনাপত্তিনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৫ঃ কারখানা /সিএনজি স্টেশন / দাহ্য পদার্থের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর / ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র / অনুমতিপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৬ঃ আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৭ঃ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

ধাপ ৮ঃ প্রতিষ্ঠান প্রেস / পত্রিকা হলে ডিক্লারেশনপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। 

ধাপ ৯ঃ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ ট্যাক্সের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ায় চুক্তিপত্র /রশিদ আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

যাবতীয় কাগজপত্র দাখিলের পর করপোরেশনের ইন্সপেক্টর প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করার পর নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি আদায় করে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন । ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে নবায়ন করতে হয়। 

ধরন বা ক্যাটাগরি নির্বাচনঃ  

ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনাকে ব্যবসার ক্যাতাগরি নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করেন তাহলে পরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ২০১৬ সালের গেজেট অনুযায়ী ২৯৪ টি ক্যাটাগরিতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়। ভালোভাবে ব্যবসার প্রকৃতি বিবেচনা করে নির্ধারিত ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। 

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ সাধারণ ব্যবসার ক্ষত্রে (General business license) দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের ফটোকপি , আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন – জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা / শর্তাবলি জমা দিতে হবে। 

ফ্যাক্টরির / কারখানার ক্ষেত্রে ( Factory / factories in the case of a trade license) পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি।

প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান / স্থাপনার বিবরণসহ নকশা / লোকেশন ম্যাপ, প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি / কারখানার পার্শ্ববর্তীর অবস্থান / স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা। ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গীকারনামা ৩০০ টাকাএ জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরিত। 

ই – কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স

অনলাইন কমার্স ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে। তবে আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা করতে চান, সেক্ষেত্রে লাইসেন্স না করে ব্যবসা করা যেতে পারে। কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে আপনি কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। বেশি অ্যামাউন্টের কোনো পণ্য অর্ডার পেলেও সাপাই করতে পারবেন না। কোনো প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। বিভিন্ন ট্রেড বডিজ, চেম্বারের সদস্য হতে পারবেন না। ট্রেড লাইসেন্স আইন বা বিধিমালা শুধু একটি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে। কোনোক্রমেই অন্য কোনো ক্যাটাগরির ব্যবসার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না। নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য নতুন আরেকটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে । একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু একটি ব্যবসার ব্যবহার করতে পারবেন। এটি কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তরযোগ্য নয়। 

ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স কী এবং কেন প্রয়োজন ?

উত্তরঃ নাম শুনে নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন ট্রেড লাইসেন্স মানে ব্যবসার অনুমতি পত্র। আপনি যদি নতুন উদ্যেক্তা হয়ে থাকেন, দেশের আইন অনুসারে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবসায়ের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। সেটাই ট্রেড লাইসেন্স। ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য।

প্রশ্নঃ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলতে কী বুঝায় ? 

উত্তরঃ স্থানীয় সরকারকে বুঝায়। সাধারণত মেট্রো সিটিতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভায় পৌর কর্তৃপক্ষ আর গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে থাকে। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে ? 

উত্তরঃ খুব বেশি কিছু নয়। তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, যদি একাধিক অংশীদার থাকেন তাহলে প্রত্যেকের তিন কপি করে ছবি। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি এবং যে বাড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে বা অফিস রয়েছে তার বাড়িওয়ালার সাথে সম্পাদিত চুক্তির ফটোকপি। যে চুক্তিটি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পাদিত হয়েছে। এই তিনটি জিনিসা অতি দরকার। নিজের বাড়ি হলে হোল্ডিং কর পরিশোধের রসিদের ফটোকপি। আর বর্তমানে ইউটিলিটি বিলের কপি জমা দিতে হয় অথবা সার্ভিস চার্জের রশিদ। 

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স খরচ কেমন ? 

উত্তরঃ ব্যবসা অনুসারে ট্রেড লাইসেন্সের খরচ। যেমন, ঠেলাওয়ালার জন্য হয়তো ২০০ টাকা , আর আমদানি – রপ্তানির জন্য তা হয়তো ২ হাজার টাকা। তবে ঢাকা সিটি করপোরেশনের অধীনে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রেট আছে। ই – কমার্সের যেহেতু কোনো ক্যাটাগরি  নেই তাই সফটওয়্যার, আইটি বা জেনারেল সাপায়ার হিসেবে লাইসেন্স নিতে হয়। এজন্য সরকারি ফিস ৮৫০ থেকে ১৭০০ টাকা কিন্তু আপনার খরচ পড়বে কম – বেশি ৪ হাজার। আর কোনো ফার্মের সাহায্য নিলে ৫ হাজার। অন্য ব্যবসার জন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নির্ধারিত ফি জেনে নিতে পারেন। 

প্রশ্নঃ ই – কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের খরচ কেমন ?

উত্তরঃ আমাদের ব্যবসায়িক তালিকায় এখনো ই – কমার্স যুক্ত হয়নি। এ ক্যাটাগরিতে এখনো  লাইসেন্স দেয়া হয় না। তবে আইটি অথবা সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স নেয়া যেতে পারে। এজন্য দাপ্তরিক খরচ ১১ শ ‘ টাকা  থেকে ১৫ শ’’  কিন্তু অন্যান্য খরচ  যেমন সাইনবোর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্স আর সংশ্লিষ্ট খরচ মিলিয়ে এটা ৪ – ৫ হাজারে গিয়ে ঠেকে। 

প্রশ্নঃ কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবেন ? 

উত্তরঃ আপনি সরাসরি  ইউনিয়ন পরিষদ অফিস , সিটি করপোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে  ট্রেড  লাইসেন্স  বানাতে পারেন। তবে আজকাল অনেক কনসালটেন্সি  ফার্ম আছে যারা নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জের  বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে । নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে এসব ফার্মের হেল্প নিতে পারেন।

এরপর যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা। সব ব্যাংকে এই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এরপর ক্ষেত্রবিশেষে মুসক বা ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি ফিস ১ থেকে ৫ হাজার টাকা হলেও বাস্তবে কাজ করতে গেলে চার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগে। যাদের আমদানি – রপ্তানির ব্যবসা আছে তাদের আরো বেশি টাকা লাগতে পারে।  

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তরঃ ক। ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা ও পেশার অনুমতি আর কোম্পানি রেজিট্রেশন হলো ব্যবসা এনজিও সমাজসেবা প্রভৃতির জন্য । 

খ। ট্রেড লাইসেন্স একটা নির্দিষ্ট এরিয়ার কার্যালয় স্থাপনের জন্য আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন সারা বাংলাদেশের জন্য ।

গ। ট্রেড লাইসেন্স হলো ব্যবসা করতে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই, কিন্তু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন হলেও ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়।

ঘ। ট্রেড লাইসেন্স আপনি প্রতিষ্ঠানের যে নাম দেবেন তা আবার অন্য কেউ দিতে পারবে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলে একই নামে আর কোনো ব্যক্তি কোম্পানি খুলতে পারবে না । যদি খোলে আপনি আইনগত  ব্যবস্থা নিতে পারবেন। 

ঙ। ট্রেড লাইসেন্সের খরচ ব্যবার ক্যাটাগরি অনুসারে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের খরচ কোম্পানি কত টাকা বিনিয়োগ করবে তার ওপর। কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ ৩০,০০০ থেকে শুরু। 

চ। ট্রেড লাইসেন্সের সাধারণ স্থানীয় ব্যবসার নিয়মনীতির ওপর চলে আর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনে কোম্পানি গঠিত হয় কোম্পানি আইন অনুসারে। এর নির্দিষ্ট ফরমেট রয়েছে। 

ছ। আলাদাভাবে পণ্য বা ব্রান্ড রেজিস্ট্রেশনের জন্য ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করতে হয়, যাতে সে নাম এবং মার্কটি অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে । যেমন, বাতা, কোকাকোলা এগুলো কেউ হুবহু ব্যবহার করতে পারবে না।  

প্রশ্নঃ আমি ব্যবসা করি চট্টগ্রামে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় মাল 

পাঠাতে হলে আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।  

উত্তরঃ যেখানে আপনার অফিস বা ব্যবসার ঠিকানা শুধু সেখানেই ট্রেড লাইসেন্স নেবেন। তবে ঢাকায় যদি আরেকটা অফিস নেন তখন এখানে আরেকটা ট্রেড লাইসেন্সের প্রশ্ন আসবে। কিন্তু ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কোনো বাধা নয়। 

প্রশ্নঃট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম – ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি ? 

উত্তরঃ ফি প্রদান ও এফিডেফিটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য পরিবর্তন করা যায়। 

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে করা যায় না। তবে বিভিন্ন রকমের পণ্য তৈরি করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাটাগরি হবে জেনারেল সাপটায়ার ।

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ কতদিন ? মেয়াদ পূর্ণ হলে কী করতে হবে ? 

উত্তরঃ একটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ এক অর্থ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনি নবায়ন করে নিতে পারবেন। তবে নবায়ন না করলে যে আপনার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা নয়। বিষয়টা হলো নবায়ন করলে আপনার একটা আইনগত বৈদতা থাকল। অন্যদিকে নবায়ন না করলে পরে জরিমানাসহ নবায়ন করতে হয়। তখন অনেক কষ্ট হয়। কারণ জমে গিয়ে টাকার অ্যামাউন্টটা তখন হয়ে যায়। তাই প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন করা ভালো। 

প্রশ্নঃ এক এলাকার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি অন্য এলাকায় ব্যবসা করা যায় ? 

উত্তরঃ আইনগতভাবে যায় না । তবে বাংলাদেশে এটা কমন বিষয়, আবাসিক এলাকায় যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে। তাদের কারো ঠিকানা সে এলাকায় নয়। সাধারণত সিটি কর্তৃপক্ষ আবাসিক এলাকার নামে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে না বলে তারা অন্য ঠিকানা দিয়ে লাইসেন্স নিয়ে থাকেন। 

অনলাইনে ই – ট্রেড লাইসেন্স করবেন কীভাবে ? 

ই – ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারেন অনলাইনে।আবেদন করার জন্য সরকারি নিবন্ধন সাইটে গিয়ে ফরম ফিলাআপ করতে হবে। আপনি কিভাবে আবেদন করবেন তা বিস্তারিত জানার জন্য ই – ট্রেড লাইসেন্স নির্দেশিকা দেখতে পারেন। ই – ট্রেড লাইসেন্স নিবন্ধন করতে পারবেন নিচের লিংকে  http://www.etradelicense.gov.bd

নিজেই বানিয়ে নিন ই – টিন 

করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই – টি আইএন করদাতা হিসেবে ( e – TIN ) রেজিট্রেশন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে । এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ পেরোনোর মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ১২ ডিজিটের একটি নতুন টি আইএন। বর্তমানে যাদের টি আইএন আছে , তাদেরও নতুন পদ্ধতির টি আইএন এর জন্য রি – রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র , মোবাইল ফোন নম্বর ও কোম্পানির ক্ষেত্রে রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস ( RJSC ) – এর নিবন্ধন নম্বর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সরকারি  কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন অথবা ব্যবসায়ী হন এবং আপনার বার্ষিক আর যদি আড়াই লাখ টাকার অধিক হয় তবে আপনাকে অবশ্যই ই – টি আইএন নাম্বার গ্রহণ করে নিবন্ধিত হতে হবে। 

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ – এর আওতায় আয় নূন্যতম করমুক্ত আয়ের সীমা ( ২ লাখ ৫০ হাজার ) অতিক্রম করেলে রিটার্ন দাখিলের জন্য একজন করদাতাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্তর্গত কোনো আয়কর কমিশনারের অধীনস্থ সার্কেল থেকে ১২ ডিজিটের ই – টি আইএন অর্থাৎ ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর নিতে হয়। এটা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। একজন করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে করদাতা হিসেবে সনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয় ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন। একজন করদাতা সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। অনলাইনে ই – টি আইএন নিবন্ধনের প্রক্রিয়া জানানো হলো। অনলাইনে ই – টি আইএন রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা প্রয়োজন – 

প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকঃ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / পাসপোর্ট নম্বর, পূর্বের ( রি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ) 

অপ্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক : অভিভাবকের ১২ ডিজিটের টিআই এন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন (রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

প্রাপ্তবয়স্ক বিদেশি নাগরিগ :পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআই এন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

অপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিক : নিজের এবং অভিভাবকের পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

লিমিটেড কম্পানি : কোম্পানির ইনকরপোরেশন নম্বর ,তারিখ পূবের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

রেজিস্ট্রার্ড ফার্ম : রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)- এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রেজিস্ট্রেশন তারিখ, অংশীদারদের ১২ ডিজিটের নম্বর টিআইএন ( নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ) , পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

আন – রেজিস্টার্ড ফর্ম : অংশীদারদের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত ), পূর্বের টিআইএন ৯ ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে) 

ধারা ২(২০) অনুযায়ী গঠিত অন্যান্য কোম্পানি :  করদাতার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ফ্যাক্স নম্বর ও ই – মেইল আইডি ( রেজিস্ট্রেশন ক্ষেত্রে ), পূর্বের টিআইএন ( রি – রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে )

নতুন পদ্ধতিতে ই – টিআইএন রেজিস্ট্রেশনের শুরুতে প্রত্যেককে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।অ্যাকাউন্ট তৈরির জন্য www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

Required fee needed to collect import license:
Serial বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমাপ্রাথমিক নিবন্ধন ফিসবার্ষিক নবায়ন ফিস
প্রথমটা: ৫০০০০০টা: ৫০০০টা: ৩০০০
দ্বিতীয়টা: ২৫০০০০০টা: ১০০০০টা: ৬০০০
তৃতীয়টা: ৫০০০০০০টা:১৮০০০টা: ১০০০০
চতুর্থটা: ১০০০০০০০টা: ৩০০০টা:১৫০০০
পঞ্চমটা: ৫০০০০০০০টা: ৪৫০০০টা:২২০০০
ষষ্ঠটা: ৫০০০০০০০ এর উর্ধ্বেটা: ৬০০০০টা: ৩০০০০
বিস্তারিত জানতে

আমাদের ক্লাসে জয়েন করেন।বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন।
পেজ লিংকঃ
www.facebook.com/redlovedigital
ওয়েবসাইটঃ
www.redlovedigital.com

গ্রুপ লিংকঃ
facebook.com/groups/205793047964378
ইউটিউব চ্যানেলঃ
RED LOVE DIGITAL
youtube.com/c/redlovedigital
Mobile Number : 01894-895949
Email –
redlil6969@gmail.com

ধন্যবাদ।

কোম্পানী গঠন সহ বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স এর প্রয়োজনীয় ডকুন্টেস এর বিবরণ 

 Red Love Digital

A reputed Marketing, Packaging, Import, Export, Buyinghouse, Consulting Firm & business Developer in Bangladesh 

কোম্পানী গঠন সহ বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স এর প্রয়োজনীয় ডকুন্টেস এর বিবরণ 

০১।  লিমিটেড কোম্পানী করতে যা যা লাগে 

প্রাথমিক তথ্য 

  1. প্রস্তাবিত কোম্পানীর নাম 
  2. চেয়ারম্যান
  3. এম ডি
  4. মেইন বিজনেস
  5. অথরাইজড কেপিটাল
  6. পেইড আপ কেপিটাল
  7. বিশেষ কোন নির্দেশনা 

প্রত্যেক ডিরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডার যে তথ্যগুলো দিবেন

  1. NID 
  2. TIN 
  3. ছবি
  4. সিগনেচার
  5. ঠিকানা 
  6. মোবাইল নাম্বার
  7. ইমেইল
  8. সেয়ার পার্সেন্টেজে  

০২. ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে ?

ক) ট্রেড লাইসেন্স – এ যে ঠিকানা ব্যবহার করা হবে তা অবশ্যই বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে হতে হবে। আইন নেই কিন্তু বা বাস্তবে আবাসিক ঠিকানায় ও অনেক সময় ট্রেড লাইসেন্স করা যায়। 

খ) অফিস ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যাযিত ফটোকপি নিজের অফিস হলে ইউটিলিটিবিল বিল এবনং হালনাগাত হোল্ডি ট্যাঙ্গ পরিশোধের এর ফটোকপি 

গ) আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি 

ঘ) ব্যবসা যদি যোথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ২০০০ টাকার নন – জুডিসশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের রেজিষ্টি অঙ্গীকারনামা / শর্তাবলী জমা দিতে হবে। 

55/A, Purana Paltan, H.M Siddique Mansion, 2nd Floor, Dhaka – 1000

Phone : 

E- mail : 

Facebook : 

Twitter :

Linkedin :

আমরা  বেকারত্ব সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করে ব্যবসায়িক জাতি গঠনে অঙ্গীকারবদ্দ। ব্যবসায়িক জাতির গর্বিত অনংশীদার হতে Youtube এ Huzaifa Enterprize চ্যানেলটি Subscribe করুন। 

Red Love Digital

A reputed Marketing, Packaging, Import, Export, Buyinghouse, Consulting Firm & business Developer in Bangladesh

০২. IRC ইমপোর্ট ও ERC এক্সপোর্ট লাইসেন্স পেতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ? 

ক. ট্রেড লাইসেন্স 

খ. কোম্পানী হলে ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট 

গ. টিন সার্টিফিকেট 

ঘ. ব্যানংক সল্ভেন্সি

ঙ. চেম্বার অব কমার্স এর সনদপত্র

চ. জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি 

০৩ . TM করতে কি কি লাগে ? 

ট্রেড লাইসেন্স 

টি আই এন (TIN)

এন আই ডি (NID)

পাসপোর্ট সাইজ ফটো (২ কপি )

লগো (২O বাই ২ঃ ২” বাই ২ – ১ / ২” ) ৫ টি প্রিন্ট 

আবেদন ফরম / Online Application 

০৪. চেম্বার অফ কমার্স এর মেম্বর হতে করণীয়

  1. ট্রেড লাইসেন্স 
  2. টি আই এন (TIN)
  3. এন আই ডি (NID)
  4. ব্যানংক একাউন্ট 
  5. ছবি
  6. কোম্পানী প্যাড
  7. ভিজিটিনং কার্ড
  8. কোন চেম্বারের মেম্বার হতে চান সেই প্রাক্ষত বিশেষ নিদেশনা / সত্যায়নকারীর / প্রস্তাবকারী / সমর্তনকারী . বর্তমান দুজন সদস্য

০৫. আমাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে এক্সপোর্ট – ইমপোর্ট করতে চাইলে যা যা লাগবে 

  • NID ও Passport 
  • পাসপোর্ট সাইজ ২ কপি ছবি
  • বিদেশী কোম্পানির ডিটেইলস  
  • অবৈধ / নিষিদ্ধ কোন পণ্য নেই এই মর্ম অঙ্গীকার নামা 
  • আমাদের নির্ধারিত ফর্ম আমাদের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষর 
  • ফি ৫% 

এছাড়া ফায়ার লাইসেন্স, ‍পরিবেশ, কলকারখানা, বিএসটিআই সহ সকল ধরনের লাইসেন্স তৈরীতে সহযোগিতা করা হয়। লাইসেন্স দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা সরকার নির্ধারিত কতৃপক্ষের, আমরা শুধু মাত্র সহযোগিতা করে থাকি ।

যে কোন লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে যেকোন কারণে দেরি হতে পারে। লাইসেন্স করতে দেওয়ার সময় থেকে হাতে আসার আগ পর্যন্ত কোন কিছু নিশ্চিত নয় ধরে নিতে হবে। 

Phone : 

E- mail : 

Facebook : 

Twitter :

Linkedin :

Importers Exporters Costing Factors
Importers Costing Factors
Exw = Ex Works = Factory Price ( every logistic cost needs to count )
( Outland Transport, load unload, Shipping Charge, Lc charge, Insurance Charge, TTI, port charge, speed money, C& f charge, Inland Transport, load unload, miscelineous )
FOB = Free On Boat = Free upto Ship
(Shipping Charge , Lc charge , Insurance Charge, TTI , port change , speed money, C& f charge, Inland Transport , load unload , miscelineous )
CFR = Cost & Freight = Free upto Destination port
( Lc charge , Insurance Charge , TTI , port change , speed money , C&f charge , Inland Transport, load unload , miscelineous)
CPT = Carriage paid to = Free upto Boarder Land port
(Lc charge, Insurance Charge , TTI , port charge , speed money, C&f charge , Inland Transport , load unload, miscelineous)
Exporters Costing Factors
Exw = Ex Works = Factory price ( No extra cost for seller )
(Only Products price with benefits )
FOB = Free On Boat = Need to send goods upto Ship
(Products price with benefits , Inland Transport , load unload , TTI, C&f charge)
CFR = Cost & Freight = Need to send goods upto Destination port
(Products price with benefits, Inland Transport, load unload, TTI C&f charge, shipping Charge )
CPT = Carriage paid to = Need to send goods upto Boarder Land port
(Products price with benefits, Inland Transport , load unload, TTI, C&f charge, miscelineous)
Product Price : According to negociation
Outland Transport + Load Unload
20′ Container Tk 50,000 /-
40′ Container Tk 75,000 /-
40′ Container Tk 90,000 /-
CBM Calculator searates.com
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হয়।
searates.com এ জাহাজ ভাড়া সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
গুগলে seafreight বা searate লিখে সার্চ দিয়ে জাহাজ কোম্পানি সহ প্রায় সকল বিষয়ে তথ্য পেতে পারি । যেকোনো অজানা বিষয় গুগলে সার্চ দিয়ে জেনে নিতে পারেন।
Shipping Freight
20′ Container Ctg /Mongle $ 1000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan $ 2000/-
40′ Container Ctg /Mongle $ 2000 /- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan $ 2500 /-
40′ Container Ctg / Mongle $ 2500 /- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan $ 3000/-
LC Charge 0.5%
Insurance Charge 0.5%
TTI : according to HS Code
Port charge + speedmoney + C&F
20′ Container Ctg / Mongla TK 60,000 /- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 90000/-
40′ Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 1,00,000/-
40′ HC Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur , Dhaka / ICT, Pangoan TK 1,00,000/-
Inland transport
20′ Container Ctg / Mongla TK 50,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan TK 10000/-
40′ Container Ctg / Mongla TK 75,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangoan TK 15,000/-
40′ HC Container Ctg / Mongla TK 90,000/- ICD, Kamalapur, Dhaka / ICT, Pangioan TK 20,000/-
Load Unload
20′ Container TK 10000/-
40′ Container TK 20,000/-
40′ HC Container TK 25,000/-
miscelineous
20′ / 40′ / 40′ HC Container TK 50000/-
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হবে।
গুগোল HS Code of পণ্যের নাম দিয়ে সার্চ দিয়ে HS Code বের করতে হয়। উক্ত HS কোড দিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ট্রেরিফ বই থেকে TTI । অর্থাৎ পরিপূর্ণ ট্যাক্স বের করতে হয়।
আমরা নতুন আমদানিকারকরা CFR – এ পণ্য কিনব এবং পুরাতন বড় আমদানিকারকরা ExW তে পণ্য কিনব।
এক্সপোট কস্টিং খুবই সহজ। EXW শুধু হলে লাভ সহ পণ্যের দাম, FOB / CPt হলে EXW খরচের সাথে পরিবহন, TTI ও সি এন্ড এফ খরচ যোগ হবে, CFR হলে FOB খরচের সাথে জাহাজ
ভাড়া যোগ হবে।
একটি ২ টন এসির Exw প্রাইস $300, 40% লাভে বিক্রয় মূল্য কত হবে ?
box size = 50x25x20cm ( Mini 1012 ) HS code 84151020 (27.88%)
cbm ক্যালকুলেটর দিয়ে এক কন্টেইনারে কতগুলো পণ্য ধরবে বের করতে হয়।
HS কোড দিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ট্রেরিফ বই থেকে TTI বের করতে হয়।
Import & Export ব্যবসা করতে হলে যা যা জানতে হবে

Import & Export Training in Bangladesh
ব্যবসা করতে হলে যা যা জানতে হবে
International Commercial Terms
Inco Terms
কোন Terms এ কোন পণ্য আনলে ভালো হবে ।
Inco Terms Choosing & Sourcing
SEA CONTAINER SPECIFICATIONS

20’ Standard Dry Cargo Container

Insidelength InsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo 
19’4”7’8’’7’10’’7’8’’7’6’’1,172CuFt4,916Ibs47,900 Ibs
5.900m2.350m2.393m2.342m2.280m33.2CBM2,230Kg21,770  Kg 

40’ Standard Dry Cargo Container

InsidelengthInsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo
39’5’’7’8’’7’10’’7’8’’7’6’’2,390CuFt8,160Ibs59,040Ibs
12.036m2.350m2.393m2.340m2.280m67.7CBM3,700Kg26,780 Kg

40’ Hi – Cube Dry Cargo Container

InsidelengthInsidewidthInside heightDoor widthDoor heightCapacityTare weightMaxicargo
39’5’’ 7’8’’8’9’’7’8’’8’5’’2,694 CuFt8,750Ibs58,450Ibs
12.036m2.350m2.697m2.338m2.565m76.3CBM3,970 Kg26,510 Kg


Contanier ছাড়তে কত খরচ হবে
CNF Charge Excluding all hidden and other cost up to release of any products
Mangla / Chittagong 20 feet = 30000 – 40000 TK ICT, Pangoan, ICD, Kamalpur, Dhaka = 45000 – 55000
Mangla / Chittagong 4o feet = 45000 – 55000 TK ICT, Pangoan, ICD, Kamalpur, Dhaka = 60000 – 75000
INFORMATION REGARDING TAX
H.S.C Code = Harmonized Commodity description and coding system
CD – Custom Duty (Import Duty) SD – Supplementary Duty rate VAT – Value Added Tax Rate
AIT – Advance Income Tax ATV – Advane Trade Vat RD – Regulatory Duty TTI – Total Tax Incident Rate

Costing করার সময় কি কি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে
১. পণ্যের দাম ২. পণ্য কোন Terms এ কেনা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে ঐ দেশে Transport, load unload ও জাহাজ ভাড়া ৩. LC change ৪. Insurance change ৫. TTI ৬. Port Change, Speed money, C & F agent ৮ . অভ্যন্তরীণ পরিবহন ৯. Load unload

N.B: তাছাড়া Costing এর সাথে অফিস ভাড়া, বিজ্ঞাপন, কর্মীর বেতন ডেলিভারি খরচ যোগ করা যায় কিন্তু প্রথম দিকে এতকিছু যোগ করলে ব্যবসা করা খুব কঠিন হয়ে পড়বে।
Sales Invoice/Profomainvoce / Sales Contanct
PI এর Terms & Condition
Packing size : Find out amount of products we can load
Container Understanding (FOB, CNF, EXW): Find out Logistics cost & Responsibility.
H.S Code (Hermonize code): Find out tax & Identifying goods.
Commercial Invoice : Find out actual shipments goods
TERM AND CONDITION :
Basis of Price: CFR, Chittagong port, Bangladesh by sea
Price of Validity: Valid for opening of Credit up to 11 December 2019
Date of Shipment: With in 90 days after receipt of workable letter of credit
Port of Shipment: Any sea port in China
Payment: 100 (hundred) perecent against presentation of Shipping documents by means of L/C to be opened in favor of…….. Company.

  1. Part Shipment : Allowed (not allowed)
  2. Trans – Shipment : Allowed (not allowed)
  3. Packing: International standard export packing
  4. Origin: People republic of China
  5. Insurance: To be overed by the buyer
  6. Bank charge : All bank chare inside china are on sellers account while out side china would be buyers account
  7. Validity : L/C remain in valid in china until 30 day from the date of shipment.
    IMPORTANT DOCUMENTS
    B/L Copy, commercial Invoice, Packing List, Country of origin, Certificate of Analysis, Bill exchange, PSI, MSD, Machine Catalogue, Certificate of instruction.

পরিপূর্ণ ইমপোর্ট – এক্সপোর্ট ফ্লোচার্ট
Letter of Credit Flow Chart

পৃথিবীর কোথায় Sourcing এর জন্য ঘুরে বেড়াবেন
সারা পৃথিবী আমার, যেখানে প্রয়োজন সেখানে যাব। যা প্রয়োজন তাই নেব। কারণ আমি ব্যবসায়ী।
L/C MARGIN
If you are a new account holder for your bank and bank does not know your other financial status. You need to keep 100% margin amount with your bank. If the LC amount is for USD 1000, your amount of USD 1000 is blocked from your account to pay LC amount to your overseas seller on maturity date.
You may have a good relationship with your, and your bank banker knows your fixed assets, your fixed investments with bank, other financial transactions and are happy with the credit worthiness, bank decides the amount of margin to be collected from you to open the letter of credit. It can be from 1% to 100%.

A 1. Revocable LC B. 1. Master LC C. 1. Transferable LC

  1. Irrevocable LC 2. Back to Back LC 2. Non Transferable LC
    D. 1. Green Clause LC E. 1. LC at sight F. 1. Revolving LC
    2. Red Clause Lc 2. Deferred LC 2. Usance LC

ইমপোর্ট ব্যবসা করার জন্য কি কি কাগজ প্রথমে সংগ্রহ করতে হবে
ইমপোর্ট লাইসেন্স পাওয়ার জন্য নিম্নের কাগজ গুলো সংগ্রহ করতে হবে।
১ । পৌরসভা থেকে ট্রেডলাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে (খরচ ৫০০ থেকে ২০,০০০) স্থান অনুযায়ী।
২। আপনার অফিসের এরিয়ার কর সার্কেল থেকে আয়কর প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে ( খরচ ৫০০ থেকে ৫০০০) অনলাইন ফ্রি।
উপরের কাগজগুলো সংগ্রহ করার পর এবার ব্যংকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
এমন ব্যংকে হিসাব খুলতে হবে, যে ব্যাংকের শাখা ইমপোর্ট – এক্সপোর্ট এলসি ওপেন করে থাকে। এমন ব্যাংকের কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে হবে যে, আমি ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসা প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের হিসাব খুলতে চাই এবার ব্যাংকের কর্মকর্তা আপনাকে চলতি হিসাব খুলে দিবে, যার মাধ্যমে আপনি ইমপোর্ট এক্সপোর্টের কাজ করতে পারবেন।
ব্যাংকে চলতি হিসাব এর জন্য যে কাগজ গুলো লাগবে।
১। ট্রেড লাইসেন্স কপি
২। আয়কর প্রত্যয়পত্র
৩। ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট ( এক্সপোর্টার এটি সবার শেষে দিতে পারবে।)
এখন ব্যাংকের হিসাব খোলার পর ইম্পোর্ট – লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

কিভাবে ইম্পোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করবেন ?
ব্যাংক হিসাব খোলার পর ইমপোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করতে যে যে কাগজ লাগবে –
১। ট্রেড লাইসেন্স কপি
২। আয়কর প্রত্যয়নপত্র
৩। ব্যাংক সলভেনসির সার্টিফিকেট ( খরচ ১০০ থেকে ৬০০ টাকা) ফ্রি।
৪। কোন অনুমোদিত চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হতে হবে ( খরচ ৫০০ থেকে ১,০০,০০০/- টাকা )
৫। ইমপোর্ট / এক্সপোর্ট পূরণ করা ফরম।
৬। নিজস্ব প্যাডে ফরওয়াডিং লেটার।
এখন, সরকারের আইন অনুযায়ী আপনি যত টাকা ইমপোর্ট করতে চান সে অনুযায়ী বাৎসরিক ফি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে ফির হার –

Required fee needed to collect import license:

Serial বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমাপ্রাথমিক নিবন্ধন ফিসবার্ষিক নবায়ন ফিস
প্রথমটা: ৫০০০০০টা: ৫০০০টা: ৩০০০
দ্বিতীয়টা: ২৫০০০০০টা: ১০০০০টা: ৬০০০
তৃতীয়টা: ৫০০০০০০টা:১৮০০০টা: ১০০০০
চতুর্থটা: ১০০০০০০০টা: ৩০০০টা:১৫০০০
পঞ্চমটা: ৫০০০০০০০টা: ৪৫০০০টা:২২০০০
ষষ্ঠটা: ৫০০০০০০০ এর উর্ধ্বেটা: ৬০০০০টা: ৩০০০০

এক্সপোর্ট লাইসেন্সের জন্য ৮০০০ /- টাকা ফি লাগবে

নির্দিষ্ট ফি, সোনালি ব্যাংকে জমা দেবার পর , সে জমার স্লিপ এর সাথে উপরের ৫টি ডকুমেন্ট একসাথে স্ট্যাপলার পিন করে (ইমপোর্ট এক্সপোর্ট কন্ট্রোলার অফিসে জমা দিতে হবে )। এক্ষেত্রে ইমপোর্ট এর কাগজ বের হতে ৪-১০ দিন সময় লাগবে । কেউ যদি বৎসরে ৫০ লাখ টাকা ইমপোর্ট করতে চায় তবে সব মিলে আনুমানিক ৩৫০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা খরচ হবে । ইমপোর্ট লাইসেন্স সংগ্রহ করারা পর এবার আপনি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলে বিদেশ থেকে যে কোন পণ্য অবাধে আমদানি করতে পারবেন । প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়ে আপনি বিশ্বেও ১৮০ দেশ থেকেই যেকোন পণ্য অবাধে আমদানি করতে পারবেন। সকল ফি এর সাধে ১৫% ভ্যাট ও ১০০ টাকা পাস বইয়ের জন্য অতিরিক্ত জমা দিতে হবে।
এক্সপোর্টের জন্য লাইসেন্স ফি ৮০০০ /- টাকা
ব্যাংকে এলসি খোলার আগে করণীয় :
ব্যাংকে এলসি খোলার আগে করণীয় :
প্রদত্ত ট্রেইনিং অনুযায়ী সাপ্লায়ার এর সাথে যোগাযোগ করে পণ্যের দাম বা কোটেশন নিতে হবে।কোটেশন পেপারকে পিআই / সেলস ইনভয়েস / প্রো – ফরমা ইনভয়েস বলে থাকে ।
বিদেশ থেকে প্রাপ্ত এ প্রো – ফরমা ইনভয়েসে পণ্যের এইচ এস কোড (১২৫৮৪৯৮৭০) বিদেশী সাপ্লাইয়ারের ব্যাংকের নাম, ঠিকানা ,সুইফট কোড , শিপমেন্টের সময়, পণ্যের বিবরণ সবশেষে বিদেশী সাপ্লাইয়ারের কোম্পানী সীল সহ স্বাক্ষর দিয়ে ই – মেইলে পাঠিয়ে থাকে ।নিজে প্রিন্ট করে স্বাক্ষর দিয়ে সিল দিলেই এটি Sales Contract এ রূপান্তরিত হয়।
Free Sample আনার নিয়ম
যে কোন পণ্য দাম নেবার পর বিক্রেতার সাথে কথা বলে পণ্যের গুনাগুন সম্পর্কে কনফার্ম হতে হবে। প্রয়োজনে (২০০০ – ৩৫০০) টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে যে পণ্যটি আনতে চান তার ফ্রি স্যাম্পল আনতে পারেন।
যে কোন পণ্য আমদানি কিভাবে বিক্রেতার কাছ থেকে ফ্রি স্যাম্পল আনবেন :
ট্রেনিং অনুযায়ী , বিক্রেতার সাথে কথা বলে আগে নির্দিষ্ট বা একাদিক আইটেমের পণ্য নির্বাচনের পর তা বাংলাদেশে আপনার কাছে আনার জন্য নিম্নের পদক্ষেপ নিবেন ।

বিদেশী বিক্রেতার টোটাল কোম্পানির নাম ঠিকানা, ফোন নম্বর যোগাড় করবেন।
তাকে আপনার নাম, ঠিকানা , কোম্পানির মেইল ঠিকানা সব দিবেন । (আলীবাবা ফ্রি মেম্বারশীপের অনেক উত্তম মাধ্যম ।)
এরপর (ডিএচিএল) : ৮৮ (০২) ৯৫৫৩৫১১ অথবা টিএন্ডটি +৮৮ ০২ ৯৮৯০৪৩০। ডিএইচএল / টিএন্ডটি তে অ্যাডভান্স টাকা জমা দিয়ে অ্যাকাউন্ট করলে বিদেশ থেকে যেকোন স্যাম্পল আনা অনেক সহজ। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ডিএইচএল – এর অ্যাকাউন্ট নাম্বারটা চায়নার স্যাপ্লাইরকে দিতে হবে।

Google play store এ গিয়ে Easy Chines Language Learning লিখে Search দিলে অনেক ভাষা শিক্ষার Appes আসবে। যে কোনটি Download করে চর্চা করুন ।এভাবে একটি শেষ হলে আরেকটি নামিয়ে চেষ্টা করুন।

কিভাবে করবেন Export Import? টিপস সমূহঃ

ট্রেড লাইসেন্স সংশোধন করা যায় –
ট্রেড লাইসেন্স করার সময় নাম , ঠিকানা , ধরণ প্রভৃতি সবকিছু NID অনুযায়ী হয়েছে কিনা ?

ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। এমনকি প্রতিটি বানান ভালোভাবে লক্ষ্য করুন । ভুল থাকলে সাথে সাথে সংশোধন করুন ।
লাইসেন্সের পেছনের পৃষ্ঠায় নিয়মাবলী লেখা থাকে। অবশ্যই পড়ে নিবেন।
কিছু কিছু প্রোর্ডাকসের ক্ষেত্রে DC অফিসের অনুমতি লাগবে।
তারপরেও পৃষ্ঠায় সংশোধনী পাতা থাকে, তাতে যেকোন ধরনের সংশোধনী যেমন, নাম – ঠিকানা, ব্যবসার ধরণ , মালিকের নাম প্রভৃতি।
ট্রেড লাইসেন্সের প্রতিটি কাজ নিজে করলে কোন অতিরিক্ত খরচ নেই।

তাই আপনি নিজেই করার চেষ্টা করবেন। অন্য লোক দিয়ে করালে ১০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিতে পারে।
অনলাইন বিহীন যে সমস্ত এলাকা আছে সেখানে এ ধরনের ট্রেডলাইসেন্স দেওয়া হয়।

Google এ How to register e – tin লিখে Search দিলে NBR সাইড আসবে, ঐ লিংকে Click করে প্রথমে Mobile No. দিয়ে Registration করতে হবে। তার পর Login করে তথ্য দিয়ে Submit করলে চলে আসবে।
নিজে করলে অনলাইনে ফ্রি করা যাবে। কিন্তু কাউকে দিয়ে করলে ৫০০/ – ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত নিতে পারে।

RJSC এর ওয়েবসাইটে চাইলে যে কেউ নাম জমা দিতে পারেন। নাম খালি থাকলে পরবর্তীতে টাকা জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। Memorandum এর জন্য সাধারণত Advocate রা ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নেয়। এ সংক্রান্ত আমাদের ভিডিও গুলো দেখুন আপনি নিজেই কোম্পানী খুলতে পারবেন।


এটিকে Blank Solvency সার্টিফিকেট ও বলে। এটি নেওয়ার জন্য ব্যাংক সামান্য টাকা থাকলেই চলবে।

একটি Chamber of Commerce এর Member হওয়া বাধ্যতামূলক । একাধিক হতে কোন বাধাঁ নেই ।

এই ফি’র যে কোন Updated Website এ পাওয়া যায়। Website দেখে নিন ।
আইআরসির জন্য ঠিক উপরে দেখানো ফরমটি পূরণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার ০৩ – ১০ দিনের মধ্যে আইআরসি সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।

এখানে কোন ব্যাংকে LC খুলতে হবে কোন ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। কত টাকার IRC এবং বিশেষ কোন নির্দেশনা থাকলে তা লেখা থাকে।

একটি ERC License দিয়ে যেকোন মূল্য সিমার যেকোন পণ্য রপ্তানি করা যাবে তবে । অবশ্যই EXP করতে হবে।

BIN – Business Identification No.
BIN – Beneficiary Identification No.
VIN – VAT Identification No.

সবগুলোর পণ্যের HS Code এক হলে উপরে বা নীচে দেওয়া থাকে। এক একটি পণ্যের HS Code একেক রকম হলে পণ্যের নামের পাশে HS Code থাকে।

LCA form মূলত ইম্পোর্টার কর্তৃক ব্যাংককে LC খোলার Form Authorization দেওয়া ।
বাংলাদেশ ব্যাংকে রপ্তানি তথ্য সংগ্রহের জন্য
এল.সি.গ্রহনের সময় ই.এক্স.পি. ফরম পূরণ করা হয়।

বাস্তবে LC এমনই ।

PL পাওয়ার পর Insurance করতে হয়। অনেক সময় PL নিয়ে ব্যাংককে গেলে ব্যাংক Insurance এর সাথে সাথে LC খুলে দেয়।

Insurance Cover Note আরেক নাম Marine Cover Note বলে।
পণ্যের মান ও পরিমাণ ঠিক আছে কিনা Shipment পূর্বে চেক করে দেখাকে , PSI বলে ।

পণ্য Shipment এর সময় Container এ যতটুকু থাকে তাকেই বলে Commercial Invoice.

Container এ কতটুকু পণ্য আছে, কত CBM আছে , সব কিছু বিস্তারিত ভাবে Packing list এ থাকে। Packing list এ কতগুলো কার্টুন আছে নেট – ওয়েট কত, গ্রস ওয়েট কত তা – উল্লেখ থাকে ।

Marine Policy পাওয়ার অর্থ তার ব্যাংকের সাথে LC সংক্রান্ত আর কোন লেন্দেন নাই।
ব্যাংকে সকল টাকা প্রদানের পরে Marine Policy দেওয়া হয়।
Marine Policy তে BL No. / AWB No. / Truck Challan No. দেওয়া থাকে।

Importer নিজস্ব কোম্পানী প্যাডে C & F কে Authorization Letter দিবে

Customs আমদানিকৃত পণ্য পরিপূর্ণ বা আংশিক চেক করার পরে Tax Assessment Report দেয়।

সাধারণত সেই টাকা ট্যাক্স দিতে হয়।

সাধারণত LC ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ Docs ঐ সমস্ত মাধ্যমে পাঠানো হয়।

টাকা কম দেখানোকে বলে Under invoice বেশি দেখানোকে over In Voice এই তথ্যগুলো Bangladesh Customs Tariff বইতে দেওয়া থাকে।

প্রতি বছর বাজেটের পর HS Code অনুযায়ী Tax সাধারণত পার্থক্য হয়ে থাকে। তাই সব সময় Bangladesh Customs Tariff বই ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া গুগুলে সার্চ দিয়েও এই তথ্যগুলো পেতে পারেন।

What is Freelancing?

What is Freelancing?
Freelancing is a contract-based profession where instead of being recruited in an organization, the person uses his skills and experience to provide services to a number of clients.
In simple terms, freelancing is when you use your skills, education, and experience to work with multiple clients and take on various assignments without committing to a single employer. The number of assignments or tasks that you can take just boils down to your ability to deliver on them as asked from them.
Freelancing is a contract-based profession where instead of being recruited in an organization, the person uses his skills and experience to provide services to a number of clients.
In simple terms, freelancing is when you use your skills, education, and experience to work with multiple clients and take on various assignments without committing to a single employer. The number of assignments or tasks that you can take just boils down to your ability to deliver on them as asked from them.
How To Become A Freelancer?
Here are a few sites that you can try for freelancing jobs:
Fiverr: the world’s largest marketplace to look for freelance jobs. Just create an account post what you can do, add few links and you’re done.
Upwork: Upwork is a more professional looking freelance marketplace where you’ll find more business clients.
Freelancer.com: Freelancer.com is among the oldest freelance job marketplace which you can choose in your initial year when you have little or no freelance experience.
Tips for Freelancing
Decide what services you’ll offer
Determine your target market
Find the platforms (freelancing websites) you’ll be serving on. Choose a uniform username on all of them. It helps you build your brand identity.
Decide your rates
Create an online portfolio on your niche-specific portfolio platforms; GitHub for developers, Behance for designers, etc. We also suggest you create a personal portfolio website to showcase your skills and talent.
Market your services: market on social media, offer something for free or at a very less cost (helps in getting more traction), ask for referrals, and use email marketing.
Jobs that you can do!
Freelance marketing jobs include:
Marketing Strategy
Social Media Marketing
Community Management
Display Advertising
Lead Generation
Market Research
Email Automation
Search Engine Optimization
Search Engine Marketing

Learn More, Earn More
https://www.freelancer.com.bd/support/General/what-is-freelancer

https://www.fiverr.com/start_selling

https://www.upwork.com/resources/how-to-get-started-on-upwork-as-a-freelancer

Introduction to Google Ads

Google বিজ্ঞাপনের ভূমিকা

Introduction to Google Ads

If you’re considering spending any amount of money on ads to reach your target audience, you’d
better spend it in the right place.
That is, somewhere with over 259 million unique visitors and 4.8 billion daily interactions.
Somewhere like … Google.

Google Ads was launched just two years after what has become the most popular website in the
world: Google.com. The advertising platform came on the scene in October 2000 as Google
Adwords, but after some rebranding in 2018, it was renamed Google Ads.
Given Google’s expansive reach, chances are you’ve seen (and probably clicked on) a Google ad …
and so have your potential customers.

In this guide you’ll discover how to begin advertising on Google. We’ll cover features specific to
the platform and teach you how to optimize your campaigns to achieve the best results with your
ads.

What is Google Ads?
Google Ads is a paid advertising platform that falls under a marketing channel known as payper-click (PPC), where you (the advertiser) pays per click or per impression (CPM) on an ad.
Google Ads is an effective way to drive qualified traffic, or good-fit customers, to your business
while they’re searching for products and services like the ones you offer. With Google Ads, you
can boost your website traffic, receive more phone calls, and increase your in-store visits.
Google Ads allows you to create and share well-timed ads (via both mobile and desktop)
among your target audience. This means your business will show up on the search engine
results page (SERP) at the moment your ideal customers are looking for products and services
like yours via Google Search or Google Maps. This way, you reach your target audience when it
makes sense for them to come across your ad.
Note: Ads from the platform can span across other channels too, including YouTube, Blogger,
and Google Display Network.

Why Choose Google Ads
Why advertise on Google?
Google is the most used search engine, receiving over 5 billion search queries a day.
Not to mention, the Google Ads platform has been around for nearly two decades, giving it
some seniority in the area of paid advertising.
Google is a resource used by people around the world to ask questions that are answered with
a combination of paid advertisements and organic results.
And, according to Google,
advertisers make $8 for every $1 they spend on Google Ads.
So, there are a few reasons why you’d want to consider advertising on Google.

Google Ads Best Practices

  1. Avoid broad keyword terms.
    You really need to nail it when it comes to your keywords, which is why testing and tweaking should be a part
    of your strategy. If your keywords are too broad, Google will be placing your ad in front of the wrong audience
    which means fewer clicks and a higher ad spend.
  2. Don’t run irrelevant ads.
    If your ad doesn’t match the searcher’s intent, you won’t get enough clicks to justify your ad spend. Your
    headline and ad copy need to match the keywords you’re bidding on, and the solution your ad is marketing
    needs to solve whatever pain point that searcher is experiencing.
  3. Improve your Quality Score (QS).
    Your Quality Score (QS) is how Google determines how your ad should rank. The higher your rank, the better
    your placements. If your quality score is low, you’ll have fewer eyeballs on your ad and fewer chances to
    convert. Google will tell you your Quality Score, but improving it is up to you.
  4. Optimize your ad landing page.
    Your efforts shouldn’t stop with your ad — the user experience after a click is equally important.
    What does your user see once they click your ad? Is your landing page optimized for conversions, meaning
    does it use the same keywords? Does the page solve your user’s pain point or answer their question? Your
    user should experience a seamless transition through to the conversion.

Introduction to Google Ads Terms
1.AdRank
2.Bidding
3.Campaign Type
4.Click-Through Rate
5.Conversion Rate
6.Display Network
7.Ad Extensions
8.Keywords
9.PPC
10.Quality Score

Introduction to Google Ads Terms

  1. AdRank
    Your AdRank determines your ad placement. The higher the value, the better you’ll rank, the more eyes will
    fall on your ad, and the higher the probability that users will click your ad. Your AdRank is determined by
    your maximum bid multiplied by your Quality Score.
  2. Bidding
    Google Ads is based on a bidding system, where you as the advertiser selects a maximum bid amount
    you’re willing to pay for a click on your ad. The higher your bid, the better your placement. You have three
    options for bidding: CPC, CPM, or CPE.
    •CPC, or cost-per-click, is the amount you pay for each click on your ad.
    •CPM, or cost per mille, is the amount you pay for one thousand ad impressions, that is when your ad is
    shown to a thousand people.
    •CPE, or cost per engagement, is the amount you pay when someone takes a predetermined action with
    your ad.
  3. Campaign Type
    Before you begin a paid campaign on Google Ads, you’ll select between one of three campaign types:
    search, display, or video.
    Search ads are text ads that are displayed among search results on a Google results page.
    Display ads are typically image-based and are shown on web pages within the Google Display Network.
    Video ads are between six and 15 seconds and appear on YouTube
    Introduction to Google Ads Terms
  4. Click-Through Rate (CTR)
    Your CTR is the number of clicks you get on your ad as a proportion of the number of views your ad gets.
    A higher CTR indicates a quality ad that matches search intent and targets relevant keywords.
  5. Conversion Rate (CVR)
    CVR is a measure of form submissions as a proportion of total visits to your landing page. Simplistically
    speaking, a high CVR means that your landing page presents a seamless user experience that matches
    the promise of the ad.
  6. Display Network
    Google ads can be displayed on either search results pages or a web page within Google’s Display
    Network (GDN). GDN is a network of websites that allow space on their webpages for Google Ads — these
    ads can be text-based or image ads and are displayed alongside content relevant to your target keywords.
    The most popular Display Ad options are Google Shopping and app campaigns.
  7. Extensions
    Ad Extensions allow you to supplement your ad with additional information at no additional cost. These
    extensions fall under one of five categories: Sitelink, Call, Location, Offer, or App;
    Introduction to Google Ads Terms
  8. Keywords
    When a Google user types a query into the search field, Google returns a range of results that match the
    searcher’s intent. Keywords are words or phrases that align with what a searcher wants and will satisfy
    their query. You select keywords based on which queries you want to display your ad alongside. For
    example, a searcher that types “how to clean gum off shoes” will see results for advertisers that targeted
    keywords like “gum on shoes” and “clean shoes.”
  9. PPC
    Pay-per-click, or PPC, is a type of advertising where the advertiser pays per click on an ad. PPC is not
    specific to Google Ads, but it is the most common type of paid campaign. It’s important to understand the
    ins and outs of PPC before launching your first Google Ads campaign.
  10. Quality Score (QS)
    Your Quality Score measures the quality of your ad by your click-through rate (CTR), the relevance of your
    keywords, the quality of your landing page, and your past performance on the SERP. QS is a determining
    factor in your AdRank.

How does Google Ads Work
Google Ads displays your ad to potential leads or customers who are interested in your product or service.
Advertisers bid on search terms, or keywords, and the winners of that bid are placed at the top of search
results pages, on YouTube videos, or on relevant websites, depending on the type of ad campaign
selected.

AdRank and Quality Score
AdRank determines the placement of your ads, and Quality Score is one of the two factors (the other
being bid amount) that determines your AdRank. Remember, your Quality Score is based on the quality
and relevance of your ad, and Google measures that by how many people click on your ad when it’s
displayed — i.e. your CTR.

You CTR depends on the how well your ad matches searcher intent, which you can deduce from three
areas:

  1. The relevance of your keywords
  2. If your ad copy and CTA deliver what the searcher expects based on their search
  3. The user experience of your landing page

Your QS is where you should focus most of your attention when you first set up your Google Ad campaign
— even before you increase your bid amount. The higher your QS, the lower your acquisition costs will be
and the better placement you’ll get.
How does Google Ads Work

Location
When you first set up your Google Ad, you’ll select a geographical area where your ad will be shown. If you
have a storefront, this should be in a reasonable radius around your physical location. If you have an
ecommerce store and a physical product, your location should be set in the places where you ship. If you
provide a service or product that is accessible worldwide, then the sky’s the limit.
Your location settings will play a role in placement. For instance, if you own a yoga studio in San Francisco,
someone in New York that enters “yoga studio” will not see your result, no matter your AdRank. That’s
because Google’s main objective is to display the most relevant results to searchers, even when you’re
paying.

Keywords
This is just as important for paid ads as it is for organic search. Your keywords need to match searcher
intent as much as possible. That’s because Google matches your ad with search queries based on the
keywords you selected.
Each ad group that you create within your campaign will target a small set of keywords (one to five
keywords is optimal) and Google will display your ad based on those selections.
How does Google Ads Work

Match Types
Match Types give you a little wiggle room when it comes to your keyword selections — they tell Google whether you
want to match a search query exactly or if your ad should be shown to anyone with a search query that’s semi-related.

There are four match types to choose from:
•Broad Match is the default setting that uses any word within your keyword phrase in any order. For example, “goat yoga
in Oakland” will match “goat yoga” or “yoga Oakland.”

•Modified Broad Match allows you to lock in certain words within a keyword phrase by denoting them with a “+” sign.
Your matches will include that locked-in word at the very least. For example, “+goats yoga in Oakland” could yield
“goats,” “goats like food,” or “goats and yoga.”

•Phrase Match will match with queries that include your keyword phrase in the exact order but may include additional
words before or after it. For example, “goat yoga” can yield “spotted goat yoga” or “goat yoga with puppies.”

•Exact Match maintains your keyword phrase as it is written in the exact order. For example, “goat yoga” will not show
up if someone types “goats yoga” or “goat yoga class.”
If you’re just starting out and don’t know exactly how your persona will be searching, move from a broad match to a
more narrow approach so you can test which queries yield the best results. However, since your ad will be ranking for
many queries (some unrelated) you should keep a close eye on your ads and modify them as you can gain new
information.

How does Google Ads Work
Headline and Description
Your ad copy can be the difference between a click on your ad and a click on your competitor’s ad. It’s
important that your ad copy matches the searcher’s intent, is aligned with your target keywords, and
addresses the personas pain point with a clear solution.
To illustrate what we mean, let’s review an example.
A search for “baby swim lessons” yielded this result. The copy is concise and uses the limited
space wisely to convey their message and connect with their target audience.
How does Google Ads Work

Ad Extensions
If you’re running Google Ads, you should be using Ad Extensions for two reasons: they’re free, and they
give users additional information and another reason to interact with your ad. These extensions fall within
one of these five categories:
•Sitelink Extensions extend your add — helping you stand out — and provide additional links to your site
that offer users more enticing reasons to click.

How does Google Ads Work
Call Extensions
Call Extensions allow you to incorporate your phone number in your ad so users have an
additional (and instant) way to reach out to you. If you have a customer service team that is
ready to engage and convert your audience, then include your phone number.
How does Google Ads Work

Location Extensions
Location Extensions include your location and phone number within your ad so Google can
offer searchers a map to easily find you. This option is great for businesses with a storefront
and it works well for the search query “…near me.”
How does Google Ads Work
Offer Extensions
Offer Extensions work if you’re running a current promotion. It can entice users to click your
ad over others if they see that your options are discounted compared to your competitors.
How does Google Ads Work
App Extensions
App Extensions provide a link to an app download for mobile users. This reduces the friction
from having to perform a new search to find and download the app in an AppStore.

আপনি যদি আপনার লক্ষ্য দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য বিজ্ঞাপনগুলিতে যে কোনও পরিমাণ অর্থ ব্যয় করার কথা বিবেচনা করছেন, আপনি তা করবেন
এটি সঠিক জায়গায় ব্যয় করা ভাল।
অর্থাৎ, কোথাও 259 মিলিয়ন অনন্য দর্শক এবং 4.8 বিলিয়ন দৈনিক মিথস্ক্রিয়া সহ।
কোথাও যেন… গুগল।

গুগল এ্যাডস চালু হয় মাত্র দুই বছর পর যা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হয়ে উঠেছে
বিশ্ব: Google.com। বিজ্ঞাপনের প্ল্যাটফর্মটি গুগল হিসাবে 2000 সালের অক্টোবরে দৃশ্যে এসেছিল
Adwords, কিন্তু 2018 সালে কিছু পুনঃব্র্যান্ডিং করার পরে, এটি Google Ads নামকরণ করা হয়েছিল।
Google এর বিস্তৃত নাগালের পরিপ্রেক্ষিতে, আপনি একটি Google বিজ্ঞাপন দেখেছেন (এবং সম্ভবত ক্লিক করেছেন) সম্ভাবনা রয়েছে …
এবং তাই আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকদের আছে.

এই নির্দেশিকাটিতে আপনি কীভাবে Google-এ বিজ্ঞাপন শুরু করবেন তা আবিষ্কার করবেন। আমরা নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলি কভার করব
প্ল্যাটফর্ম এবং আপনাকে শেখান কিভাবে আপনার প্রচারাভিযান অপ্টিমাইজ করে আপনার সাথে সেরা ফলাফল অর্জন করতে হয়
বিজ্ঞাপন

গুগল বিজ্ঞাপন কি?
Google Ads হল একটি অর্থপ্রদানের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্ম যা পেপার-ক্লিক (PPC) নামে পরিচিত একটি বিপণন চ্যানেলের অধীনে পড়ে, যেখানে আপনি (বিজ্ঞাপনদাতা) একটি বিজ্ঞাপনে প্রতি ক্লিক বা প্রতি ইম্প্রেশন (CPM) অর্থ প্রদান করেন।
Google Ads হল আপনার ব্যবসায় যোগ্য ট্রাফিক বা উপযুক্ত গ্রাহকদের চালিত করার একটি কার্যকর উপায়
যখন তারা আপনার অফার করার মতো পণ্য এবং পরিষেবাগুলি অনুসন্ধান করছে৷ Google বিজ্ঞাপনের সাথে, আপনি
আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়াতে পারে, আরও ফোন কল পেতে পারে এবং আপনার ইন-স্টোর ভিজিট বাড়াতে পারে।
Google বিজ্ঞাপন আপনাকে সঠিক সময়ে বিজ্ঞাপন তৈরি এবং শেয়ার করতে দেয় (মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয়ের মাধ্যমে)
আপনার লক্ষ্য দর্শকদের মধ্যে. এর মানে আপনার ব্যবসা সার্চ ইঞ্জিনে প্রদর্শিত হবে
ফলাফল পৃষ্ঠা (SERP) এই মুহুর্তে আপনার আদর্শ গ্রাহকরা পণ্য এবং পরিষেবাগুলি খুঁজছেন
Google অনুসন্ধান বা Google মানচিত্রের মাধ্যমে আপনার মত। এইভাবে, আপনি যখন আপনার লক্ষ্য দর্শকদের কাছে পৌঁছান
আপনার বিজ্ঞাপন জুড়ে আসা তাদের জন্য বোধগম্য হয়।
দ্রষ্টব্য: প্ল্যাটফর্ম থেকে বিজ্ঞাপনগুলি YouTube, ব্লগার, সহ অন্যান্য চ্যানেলগুলিতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে
এবং Google প্রদর্শন নেটওয়ার্ক।

কেন গুগল বিজ্ঞাপন চয়ন করুন
গুগলে বিজ্ঞাপন কেন?
Google হল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন, দিনে 5 বিলিয়নেরও বেশি সার্চ কোয়েরি পায়।
উল্লেখ করার মতো নয়, গুগল অ্যাডস প্ল্যাটফর্ম প্রায় দুই দশক ধরে এটি প্রদান করছে
অর্থ প্রদানের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কিছু জ্যেষ্ঠতা।
Google হল এমন একটি সংস্থান যা সারা বিশ্বের লোকেরা ব্যবহার করে এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে যার উত্তর দেওয়া হয়
অর্থপ্রদানের বিজ্ঞাপন এবং জৈব ফলাফলের সংমিশ্রণ।
এবং, গুগলের মতে,
বিজ্ঞাপনদাতারা Google বিজ্ঞাপনে প্রতি $1 খরচের জন্য $8 করে।
সুতরাং, আপনি Google-এ বিজ্ঞাপন বিবেচনা করতে চান এমন কয়েকটি কারণ রয়েছে।
গুগল বিজ্ঞাপনের সর্বোত্তম অনুশীলন

  1. বিস্তৃত কীওয়ার্ড পদ এড়িয়ে চলুন।
    আপনার কীওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আপনাকে সত্যিই এটি পেরেক দিতে হবে, তাই পরীক্ষা এবং টুইকিং একটি অংশ হওয়া উচিত
    আপনার কৌশল। যদি আপনার কীওয়ার্ডগুলি খুব বিস্তৃত হয়, তাহলে Google ভুল দর্শকদের সামনে আপনার বিজ্ঞাপনটি স্থাপন করবে
    যার অর্থ কম ক্লিক এবং একটি উচ্চ বিজ্ঞাপন ব্যয়।
  2. অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন চালাবেন না।
    যদি আপনার বিজ্ঞাপন অনুসন্ধানকারীর অভিপ্রায়ের সাথে মেলে না, তাহলে আপনি আপনার বিজ্ঞাপন ব্যয়কে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য পর্যাপ্ত ক্লিক পাবেন না। তোমার
    শিরোনাম এবং বিজ্ঞাপনের অনুলিপি আপনার বিডিং করা কীওয়ার্ডগুলির সাথে মেলে এবং আপনার বিজ্ঞাপনের সমাধান হল বিপণন
    অনুসন্ধানকারী যে ব্যথা অনুভব করছেন তা সমাধান করতে হবে।
  3. আপনার গুণমানের স্কোর (QS) উন্নত করুন।
    আপনার কোয়ালিটি স্কোর (QS) হল Google কীভাবে আপনার বিজ্ঞাপনের র‌্যাঙ্ক হওয়া উচিত তা নির্ধারণ করে। আপনার পদমর্যাদা যত বেশি, তত ভাল
    আপনার বসানো যদি আপনার মানের স্কোর কম হয়, তাহলে আপনার বিজ্ঞাপনে আপনার নজর কম থাকবে এবং সম্ভাবনা কম থাকবে
    রূপান্তর Google আপনাকে আপনার গুণমানের স্কোর জানাবে, কিন্তু এটির উন্নতি আপনার উপর নির্ভর করে।
  4. আপনার বিজ্ঞাপন ল্যান্ডিং পৃষ্ঠা অপ্টিমাইজ করুন।
    আপনার প্রচেষ্টা আপনার বিজ্ঞাপনের সাথে বন্ধ করা উচিত নয় – একটি ক্লিকের পরে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
    আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার পর আপনার ব্যবহারকারী কী দেখতে পান? আপনার ল্যান্ডিং পৃষ্ঠা কি রূপান্তরের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে, অর্থ
    এটা কি একই কীওয়ার্ড ব্যবহার করে? পৃষ্ঠাটি কি আপনার ব্যবহারকারীর ব্যথার সমস্যা সমাধান করে বা তাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়? তোমার
    ব্যবহারকারীর রূপান্তরের মাধ্যমে একটি বিরামবিহীন রূপান্তর অনুভব করা উচিত।

Google বিজ্ঞাপনের শর্তাবলীর ভূমিকা
1.AdRank
2.বিডিং
3.প্রচারের ধরন
4.ক্লিক-থ্রু রেট

  1. রূপান্তর হার
  2. ডিসপ্লে নেটওয়ার্ক
    7.Ad এক্সটেনশন
    8.কীওয়ার্ড
    9.পিপিসি
    10.গুণমানের স্কোর
    Google বিজ্ঞাপনের শর্তাবলীর ভূমিকা
  3. AdRank
    আপনার AdRank আপনার বিজ্ঞাপনের স্থান নির্ধারণ করে। মান যত বেশি হবে, আপনার র‍্যাঙ্ক তত ভালো হবে, চোখ তত বেশি হবে
    আপনার বিজ্ঞাপনে পড়ে, এবং ব্যবহারকারীরা আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি। আপনার AdRank দ্বারা নির্ধারিত হয়
    আপনার সর্বোচ্চ বিড আপনার গুণমানের স্কোর দ্বারা গুণিত।
  4. বিডিং
    Google বিজ্ঞাপনগুলি একটি বিডিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে, যেখানে আপনি বিজ্ঞাপনদাতা হিসাবে সর্বাধিক বিডের পরিমাণ নির্বাচন করেন৷
    আপনি আপনার বিজ্ঞাপনে একটি ক্লিকের জন্য অর্থ প্রদান করতে ইচ্ছুক। আপনার বিড যত বেশি, আপনার প্লেসমেন্ট তত ভালো। আপনার তিনটি আছে
    বিডিংয়ের বিকল্প: CPC, CPM, বা CPE।
    •সিপিসি, বা প্রতি-ক্লিকের মূল্য, আপনার বিজ্ঞাপনে প্রতিটি ক্লিকের জন্য আপনি যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন।
    • CPM, বা প্রতি মিলের খরচ, হল আপনি এক হাজার বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশনের জন্য যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন, সেটি হল যখন আপনার বিজ্ঞাপন
    হাজার মানুষকে দেখানো হয়েছে।
    • CPE, বা প্রতি এনগেজমেন্টের খরচ হল আপনি যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন যখন কেউ পূর্বনির্ধারিত পদক্ষেপ নেয়
    আপনার বিজ্ঞাপন.
  5. প্রচারাভিযানের ধরন
    আপনি Google বিজ্ঞাপনে একটি অর্থপ্রদানের প্রচারণা শুরু করার আগে, আপনি তিনটি প্রচারের প্রকারের মধ্যে একটি নির্বাচন করবেন:
    অনুসন্ধান, প্রদর্শন, বা ভিডিও।
    অনুসন্ধান বিজ্ঞাপন হল পাঠ্য বিজ্ঞাপন যা Google ফলাফল পৃষ্ঠায় অনুসন্ধান ফলাফলের মধ্যে প্রদর্শিত হয়।
    প্রদর্শন বিজ্ঞাপনগুলি সাধারণত চিত্র-ভিত্তিক হয় এবং Google প্রদর্শন নেটওয়ার্কের মধ্যে ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিতে দেখানো হয়।
    ভিডিও বিজ্ঞাপনগুলি ছয় থেকে 15 সেকেন্ডের হয় এবং YouTube এ প্রদর্শিত হয়৷
    Google বিজ্ঞাপনের শর্তাবলীর ভূমিকা
  6. ক্লিক-থ্রু রেট (CTR)
    আপনার CTR হল আপনার বিজ্ঞাপনের ভিউ সংখ্যার অনুপাত হিসাবে আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিকের সংখ্যা।
    একটি উচ্চ CTR একটি মানসম্পন্ন বিজ্ঞাপন নির্দেশ করে যা অনুসন্ধানের অভিপ্রায়ের সাথে মেলে এবং প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ডকে লক্ষ্য করে।
  7. রূপান্তর হার (CVR)
    CVR হল আপনার ল্যান্ডিং পৃষ্ঠায় মোট ভিজিটের অনুপাত হিসাবে ফর্ম জমা দেওয়ার একটি পরিমাপ। সরলভাবে
    বলতে গেলে, একটি উচ্চ CVR এর অর্থ হল আপনার ল্যান্ডিং পৃষ্ঠা মেলে এমন একটি বিরামহীন ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করে
    বিজ্ঞাপনের প্রতিশ্রুতি।
  8. ডিসপ্লে নেটওয়ার্ক
    Google বিজ্ঞাপনগুলি অনুসন্ধান ফলাফলের পৃষ্ঠাগুলিতে বা Google এর প্রদর্শনের মধ্যে একটি ওয়েব পৃষ্ঠাতে প্রদর্শিত হতে পারে
    নেটওয়ার্ক (GDN)। GDN হল ওয়েবসাইটগুলির একটি নেটওয়ার্ক যা তাদের ওয়েবপৃষ্ঠাগুলিতে Google বিজ্ঞাপনগুলির জন্য স্থান দেয় — এইগুলি৷
    বিজ্ঞাপনগুলি পাঠ্য-ভিত্তিক বা চিত্র বিজ্ঞাপন হতে পারে এবং আপনার লক্ষ্য কীওয়ার্ডগুলির সাথে প্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তুর পাশাপাশি প্রদর্শিত হয়৷
    সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিসপ্লে অ্যাড অপশন হল গুগল শপিং এবং অ্যাপ ক্যাম্পেইন।
  9. এক্সটেনশন
    বিজ্ঞাপন এক্সটেনশনগুলি আপনাকে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই অতিরিক্ত তথ্য সহ আপনার বিজ্ঞাপনের পরিপূরক করতে দেয়। এইগুলো
    এক্সটেনশনগুলি পাঁচটি বিভাগের একটির মধ্যে পড়ে: সাইটলিঙ্ক, কল, অবস্থান, অফার, বা অ্যাপ;
    Google বিজ্ঞাপনের শর্তাবলীর ভূমিকা
  10. কীওয়ার্ড
    যখন একজন Google ব্যবহারকারী অনুসন্ধান ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন টাইপ করে, তখন Google এর সাথে মেলে এমন ফলাফলের একটি পরিসীমা প্রদান করে
    অনুসন্ধানকারীর অভিপ্রায়। কীওয়ার্ড হল এমন শব্দ বা বাক্যাংশ যা একজন অনুসন্ধানকারী যা চায় এবং সন্তুষ্ট করবে তার সাথে সারিবদ্ধ
    তাদের প্রশ্ন। আপনি কোন প্রশ্নের সাথে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চান তার উপর ভিত্তি করে আপনি কীওয়ার্ড নির্বাচন করেন। জন্য
    উদাহরণস্বরূপ, একজন অনুসন্ধানকারী যে “কিভাবে জুতা থেকে গাম পরিষ্কার করতে হয়” টাইপ করে এমন বিজ্ঞাপনদাতাদের ফলাফল দেখতে পাবে
    কিওয়ার্ড যেমন “গাম অন জুতা” এবং “ক্লিন জুতা”।
  11. পিপিসি
    পে-পার-ক্লিক, বা PPC হল এক ধরনের বিজ্ঞাপন যেখানে বিজ্ঞাপনদাতা একটি বিজ্ঞাপনে প্রতি ক্লিকে অর্থ প্রদান করে। পিপিসি নয়
    Google বিজ্ঞাপনের জন্য নির্দিষ্ট, কিন্তু এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের অর্থপ্রদানের প্রচারণা। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ
    আপনার প্রথম Google বিজ্ঞাপন প্রচারাভিযান চালু করার আগে PPC এর ইনস এবং আউটস।
  12. কোয়ালিটি স্কোর (QS)
    আপনার গুণমানের স্কোর আপনার ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) দ্বারা আপনার বিজ্ঞাপনের গুণমান পরিমাপ করে, আপনার প্রাসঙ্গিকতা
    কীওয়ার্ড, আপনার ল্যান্ডিং পৃষ্ঠার গুণমান এবং SERP-এ আপনার অতীত কর্মক্ষমতা। QS একটি নির্ধারক
    আপনার AdRank এর ফ্যাক্টর।

কিভাবে Google Ads কাজ করে
Google Ads সম্ভাব্য লিড বা গ্রাহকদের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে যারা আপনার পণ্য বা পরিষেবাতে আগ্রহী।
বিজ্ঞাপনদাতারা অনুসন্ধানের পদ বা কীওয়ার্ডে বিড করেন এবং সেই বিডের বিজয়ীদের অনুসন্ধানের শীর্ষে রাখা হয়
ফলাফল পৃষ্ঠা, YouTube ভিডিওতে বা প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইটে, বিজ্ঞাপন প্রচারের ধরনের উপর নির্ভর করে
নির্বাচিত

AdRank এবং কোয়ালিটি স্কোর
AdRank আপনার বিজ্ঞাপনের স্থান নির্ধারণ করে এবং গুণমানের স্কোর হল দুটি কারণের মধ্যে একটি (অন্যটি
বিডের পরিমাণ) যা আপনার AdRank নির্ধারণ করে। মনে রাখবেন, আপনার গুণমানের স্কোর মানের উপর ভিত্তি করে
এবং আপনার বিজ্ঞাপনের প্রাসঙ্গিকতা, এবং Google পরিমাপ করে যে কতজন লোক আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে
প্রদর্শিত — যেমন আপনার CTR।

আপনার CTR নির্ভর করে আপনার বিজ্ঞাপন অনুসন্ধানকারীর অভিপ্রায়ের সাথে কতটা মেলে, যা আপনি তিনটি থেকে অনুমান করতে পারেন
এলাকা:

  1. আপনার কীওয়ার্ডের প্রাসঙ্গিকতা
  2. যদি আপনার বিজ্ঞাপনের অনুলিপি এবং CTA প্রদান করে যা অনুসন্ধানকারী তাদের অনুসন্ধানের উপর ভিত্তি করে প্রত্যাশা করে
  3. আপনার ল্যান্ডিং পৃষ্ঠার ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা

আপনার QS হল যেখানে আপনি প্রথমবার আপনার Google বিজ্ঞাপন প্রচারাভিযান সেট আপ করার সময় আপনার সবচেয়ে বেশি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা উচিত

  • এমনকি আপনি আপনার বিড পরিমাণ বৃদ্ধি করার আগে। আপনার QS যত বেশি হবে, আপনার অধিগ্রহণের খরচ তত কম হবে
    এবং আপনি আরও ভাল প্লেসমেন্ট পাবেন।
    কিভাবে Google Ads কাজ করে

অবস্থান
আপনি যখন প্রথম আপনার Google বিজ্ঞাপন সেট আপ করবেন, আপনি একটি ভৌগলিক এলাকা নির্বাচন করবেন যেখানে আপনার বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। আপনি যদি
একটি স্টোরফ্রন্ট আছে, এটি আপনার শারীরিক অবস্থানের চারপাশে যুক্তিসঙ্গত ব্যাসার্ধে হওয়া উচিত। আপনি যদি একটি
ইকমার্স স্টোর এবং একটি ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, যেখানে আপনি শিপিং করেন সেখানে আপনার অবস্থান সেট করা উচিত। আপনি যদি
এমন একটি পরিষেবা বা পণ্য সরবরাহ করুন যা বিশ্বব্যাপী অ্যাক্সেসযোগ্য, তাহলে আকাশের সীমা।
আপনার অবস্থান সেটিংস প্লেসমেন্ট একটি ভূমিকা পালন করবে. উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি সান ফ্রান্সিসকোতে একটি যোগ স্টুডিওর মালিক হন,
নিউ ইয়র্কের কেউ যে “যোগ স্টুডিও”তে প্রবেশ করে সে আপনার ফলাফল দেখতে পাবে না, আপনার AdRank যাই হোক না কেন। ওটা
কারণ Google এর মূল উদ্দেশ্য হল অনুসন্ধানকারীদের কাছে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করা, এমনকি আপনি যখন
পরিশোধ করা

কীওয়ার্ড
এটি জৈব অনুসন্ধানের জন্য যেমন অর্থপ্রদত্ত বিজ্ঞাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কীওয়ার্ডগুলি অনুসন্ধানকারীর সাথে মেলে
যতটা সম্ভব অভিপ্রায়। কারণ Google আপনার বিজ্ঞাপনের সাথে সার্চ কোয়েরিগুলির উপর ভিত্তি করে মেলে
আপনার নির্বাচিত কীওয়ার্ড।
প্রতিটি বিজ্ঞাপন গোষ্ঠী যা আপনি আপনার প্রচারাভিযানের মধ্যে তৈরি করেন তা লক্ষ্য করবে একটি ছোট সেট কীওয়ার্ড (এক থেকে পাঁচটি
কীওয়ার্ডগুলি সর্বোত্তম) এবং Google সেই নির্বাচনগুলির উপর ভিত্তি করে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবে৷
কিভাবে Google Ads কাজ করে
মিলের ধরন
আপনার কীওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে ম্যাচের ধরনগুলি আপনাকে একটু নড়বড়ে জায়গা দেয় — তারা Google কে বলে আপনি কিনা
একটি সার্চ ক্যোয়ারী হুবহু মিলাতে চান বা আপনার বিজ্ঞাপনটি আধা-সম্পর্কিত একটি অনুসন্ধান ক্যোয়ারী সহ কাউকে দেখানো উচিত কিনা।

চারটি ম্যাচের ধরন থেকে বেছে নিতে হবে:
• ব্রড ম্যাচ হল ডিফল্ট সেটিং যা আপনার কীওয়ার্ড শব্দগুচ্ছের মধ্যে যেকোনো ক্রমে যেকোনো শব্দ ব্যবহার করে। উদাহরণস্বরূপ, “ছাগল যোগব্যায়াম
ওকল্যান্ডে” মিলবে “ছাগল যোগা” বা “যোগ ওকল্যান্ড।”

• সংশোধিত ব্রড ম্যাচ আপনাকে একটি কীওয়ার্ড বাক্যাংশের মধ্যে নির্দিষ্ট শব্দগুলিকে “+” চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত করে লক করতে দেয়৷
আপনার মিলগুলি অন্তত সেই লক-ইন শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করবে। উদাহরণস্বরূপ, “+ওকল্যান্ডে ছাগল যোগা” ফল দিতে পারে
“ছাগল,” “খাদ্যের মতো ছাগল,” বা “ছাগল এবং যোগ।”

• বাক্যাংশের মিল এমন প্রশ্নের সাথে মিলবে যেগুলিতে আপনার কীওয়ার্ড বাক্যাংশটি সঠিক ক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকে তবে অতিরিক্ত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে
এর আগে বা পরে শব্দ। উদাহরণ স্বরূপ, “ছাগল যোগা” থেকে “দাগযুক্ত ছাগল যোগা” বা “কুকুরের বাচ্চাদের সাথে ছাগল যোগ” হতে পারে।

•Exact Match আপনার কীওয়ার্ড শব্দগুচ্ছ বজায় রাখে কারণ এটি সঠিক ক্রমে লেখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, “ছাগল যোগা” দেখাবে না
কেউ যদি “ছাগল যোগা” বা “ছাগল যোগ ক্লাস” টাইপ করে।
আপনি যদি সবে শুরু করছেন এবং আপনার ব্যক্তিত্ব কীভাবে অনুসন্ধান করা হবে তা সঠিকভাবে জানেন না, তাহলে একটি বিস্তৃত মিল থেকে একটিতে যান
আরও সংকীর্ণ পদ্ধতি যাতে আপনি পরীক্ষা করতে পারেন কোন প্রশ্নগুলি সেরা ফলাফল দেয়৷ তবে যেহেতু আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য র‍্যাঙ্কিং হবে
অনেক প্রশ্ন (কিছু অসংলগ্ন) আপনার বিজ্ঞাপনগুলির উপর কড়া নজর রাখা উচিত এবং সেগুলি সংশোধন করা উচিত কারণ আপনি নতুন লাভ করতে পারেন
তথ্য

কিভাবে Google Ads কাজ করে
শিরোনাম এবং বর্ণনা
আপনার বিজ্ঞাপনের অনুলিপি আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক এবং আপনার প্রতিযোগীর বিজ্ঞাপনে ক্লিকের মধ্যে পার্থক্য হতে পারে। এটা
আপনার বিজ্ঞাপনের অনুলিপি অনুসন্ধানকারীর অভিপ্রায়ের সাথে মেলে, আপনার টার্গেট কীওয়ার্ডের সাথে সারিবদ্ধ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ এবং
একটি সুস্পষ্ট সমাধান সহ ব্যক্তিত্বের ব্যথা বিন্দুকে সম্বোধন করে।
আমরা কি বলতে চাই তা বোঝাতে, আসুন একটি উদাহরণ পর্যালোচনা করি।
“শিশুর সাঁতারের পাঠ” অনুসন্ধানের ফলে এই ফলাফল পাওয়া গেছে। অনুলিপিটি সংক্ষিপ্ত এবং সীমিত ব্যবহার করে
তাদের বার্তা জানাতে এবং তাদের লক্ষ্য দর্শকদের সাথে সংযোগ করার জন্য বুদ্ধিমানের সাথে স্থান।
কিভাবে Google Ads কাজ করে

বিজ্ঞাপন এক্সটেনশন
আপনি যদি Google Ads চালান, তাহলে আপনার দুটি কারণে বিজ্ঞাপন এক্সটেনশন ব্যবহার করা উচিত: সেগুলি বিনামূল্যে, এবং সেগুলি
ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত তথ্য এবং আপনার বিজ্ঞাপনের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার আরেকটি কারণ দিন। এই এক্সটেনশন মধ্যে পড়ে
এই পাঁচটি বিভাগের একটি:
•সাইটলিঙ্ক এক্সটেনশনগুলি আপনার অ্যাডকে প্রসারিত করে — আপনাকে আলাদা করতে সাহায্য করে — এবং আপনার সাইটে অতিরিক্ত লিঙ্ক প্রদান করে৷
যা ব্যবহারকারীদের ক্লিক করার জন্য আরও লোভনীয় কারণ অফার করে।
কিভাবে Google Ads কাজ করে
কল এক্সটেনশন
কল এক্সটেনশনগুলি আপনাকে আপনার বিজ্ঞাপনে আপনার ফোন নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দেয় যাতে ব্যবহারকারীদের কাছে থাকে৷
আপনার কাছে পৌঁছানোর অতিরিক্ত (এবং তাত্ক্ষণিক) উপায়। আপনি যদি একটি গ্রাহক সেবা দল আছে যে
আপনার শ্রোতাদের জড়িত এবং রূপান্তর করতে প্রস্তুত, তারপর আপনার ফোন নম্বর অন্তর্ভুক্ত করুন।
কিভাবে Google Ads কাজ করে

অবস্থান এক্সটেনশন
অবস্থান এক্সটেনশানগুলি আপনার বিজ্ঞাপনের মধ্যে আপনার অবস্থান এবং ফোন নম্বর অন্তর্ভুক্ত করে যাতে Google পারে৷
আপনাকে সহজেই খুঁজে পেতে অনুসন্ধানকারীদের একটি মানচিত্র অফার করুন। এই বিকল্পটি স্টোরফ্রন্টের সাথে ব্যবসার জন্য দুর্দান্ত
এবং এটি “…আমার কাছাকাছি” অনুসন্ধান প্রশ্নের জন্য ভাল কাজ করে।
কিভাবে Google Ads কাজ করে
অফার এক্সটেনশন
অফার এক্সটেনশন কাজ করে যদি আপনি একটি বর্তমান প্রচার চালাচ্ছেন। এটি ব্যবহারকারীদের আপনার ক্লিক করতে প্রলুব্ধ করতে পারে
অন্যদের উপর বিজ্ঞাপন যদি তারা দেখে যে আপনার বিকল্পগুলি আপনার প্রতিযোগীদের তুলনায় ছাড় দেওয়া হয়েছে।
কিভাবে Google Ads কাজ করে
অ্যাপ এক্সটেনশন
অ্যাপ এক্সটেনশনগুলি মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি অ্যাপ ডাউনলোডের লিঙ্ক প্রদান করে। এতে ঘর্ষণ কমে যায়
একটি অ্যাপস্টোরে অ্যাপটি খুঁজে পেতে এবং ডাউনলোড করতে একটি নতুন অনুসন্ধান করতে হবে।

Tarabi Salat
১৩তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও তরজমা।

★ ১৩তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৩তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১৬তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

১৬তম পারা (সুরা কা’হফের ৭৫নং আয়াত থেকে সুরা ত্ব-হা এর ১৩৫নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•বলুনঃ আমি কি তোমাদেরকে সেসব লোকের সংবাদ দেব, যারা কর্মের দিক দিয়ে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত। [ সুরা কা’হফ-১০৩ ]

•তারাই সে লোক, যাদের পার্থিবজীবনে সব প্রচেষ্টা পন্ড হয়, অথচ তারা মনে করে যে, তারা সৎকর্ম করেছে। [ সুরা কা’হফ-১০৪ ]

•তারাই সে লোক, যারা তাদের পালনকর্তার নিদর্শনাবলী এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের বিষয় অস্বীকার করে। ফলে তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়। সুতরাং কেয়ামতের দিন তাদের জন্য কোন ওজনের ব্যবস্থা রাখবো না। [ সুরা কা’হফ-১০৫ ]

•জাহান্নাম-এটাই তাদের প্রতিফল; যেহেতু তারা কুফরী করেছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও রসূলগণকে বিদ্রূপের বিষয় রূপে গ্রহণ করেছে। [ সুরা কা’হফ-১০৬ ]

•যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস। [ সুরা কা’হফ-১০৭ ]

•সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখান থেকে তারা স্থানান্তর কামনা করতে চাইবে না। [ সুরা কা’হফ-১০৮ ]

•বলুনঃ আমার পালনকর্তার কথা, লেখার জন্যে যদি সমুদ্রের পানি কালি হয়, তবে আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। সাহায্যার্থে অনুরূপ আরেকটি সমুদ্র এনে দিলেও। [ সুরা কা’হফ-১০৯ ]

•হে আমার পালনকর্তা! আপনাকে ডেকে তো আমি কখনও ব্যর্থ হইনি। [ সুরা মারঈয়াম-৪ ]

•আল্লাহ এমন নন যে, সন্তান গ্রহণ করবেন, তিনি পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা, তিনি যখন কোন কাজ করা সিদ্ধান্ত করেন, তখন একথাই বলেনঃ ‘হও’ এবং তা হয়ে যায়। [ সুরা মারঈয়াম-৩৫ ]

•তিনি (ইব্রাহীম) তার পিতাকে বললেনঃ হে আমার পিতা, যে শোনে না, দেখে না এবং তোমার কোন উপকারে আসে না, তার এবাদত কেন কর? [ সুরা মারঈয়াম-৪২ ]

•যারা তওবা করেছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে। সুতরাং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের উপর কোন জুলুম করা হবে না। [ সুরা মারঈয়াম-৬০ ]

•এটা স্থায়ী জান্নাত, যে অদৃশ্য বিষয়ের ওয়াদা দয়াময় আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই তাঁর ওয়াদা অবশ্যম্ভাবী। [ সুরা মারঈয়াম-৬১ ]

•এই সেই জান্নাত, যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে। [ সুরা মারঈয়াম-৬৩ ]

•তাদের পূর্বে কত মানব গোষ্ঠীকে আমি বিনাশ করেছি, যারা তাদের চাইতে সম্পদে ও জাঁক-জমকে শ্রেষ্ঠ ছিল। [ সুরা মারঈয়াম-৭৪ ]

•সেদিন দয়াময়ের কাছে পরহেযগারদেরকে অতিথিরূপে সমবেত করা হবে [ সুরা মারঈয়াম-৮৫ ]

•এবং অপরাধীদেরকে পিপাসার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব। [ সুরা মারঈয়াম-৮৬ ]

•কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে। [ সুরা ত্ব-হা-১৫ ]

•এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব। [ সুরা ত্ব-হা-৫৫ ]

•নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হিসাবে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না। [ সুরা ত্ব-হা-৭৪ ]

•আর যারা উপস্থিত হবে মুমিন অবস্থায়, সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্তবা। [ সুরা ত্ব-হা-৭৫ ]

•আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল। [ সুরা ত্ব-হা-৮২ ]

•যেদিন সিঙ্গায় ফূৎকার দেয়া হবে, সেদিন আমি অপরাধীদেরকে সমবেত করব দৃষ্টিহীন অবস্থায়। [ সুরা ত্ব-হা-১০২ ]

•দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন এবং যার কথায় সন্তুষ্ট হবেন সে ছাড়া কারও সুপারিশ সেদিন কোন কাজে আসবে না। [ সুরা ত্ব-হা-১০৯ ]

•সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সামনে সব মুখমন্ডল অবনমিত হবে এবং সে ব্যর্থ হবে যে জুলুমের বোঝা বহন করবে। [ সুরা ত্ব-হা-১১১ ]

•যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না। [ সুরা ত্ব-হা-১১২ ]

•এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। [ সুরা ত্ব-হা-১২৪ ]

•সে বলবেঃ হে আমার পালনকর্তা আমাকে কেন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করলেন? আমি তো চক্ষুমান ছিলাম। [ সুরা ত্ব-হা-১২৫ ]

•আল্লাহ বলবেনঃ এমনিভাবে তোমার কাছে আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলো ভুলে গিয়েছিলে। তেমনিভাবে আজ তুমিও বিস্মৃত হলে [ সুরা ত্ব-হা-১২৬ ]

•আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ। [ সুরা ত্ব-হা-১৩২ ]