Search for:
ইউক্রেন -রাশিয়া নিয়ে কিছু প্রশ্নাবলি

ইউক্রেন -রাশিয়া নিয়ে কিছু প্রশ্নাবলি


🔸 রাশিয়ার সঙ্গে পৃথিবীর কতটি দেশের সীমান্ত আছে?
= ১৪টি।
🔸 যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের সর্বাধিক শরণার্থী কোন দেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে?
= পোল্যান্ড।
🔸 রাশিয়া ইউরোপের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি গ্যাস সরবরাহ করে ?
= জার্মানি।

🔸 ইউক্রেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত পারমানবিক অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করেছিল কত সালে ?
= ১৯৯৪।
🔸 রাশিয়া ইউক্রেন সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ২০২২ সালের কোন তারিখে
= ২৪ ফেব্রুয়ারি।
🔸 কুরিল দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
= রাশিয়া।
🔸ইউক্রেনের রাজধানীর নাম কী
= কিয়েভ।
🔸 আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কটি কী নামে পরিচিত ?
= সুইফট।
🔸ওডেশা বন্দর কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
= কৃষ্ণসাগর।
🔸রাশিয়া ইউক্রেনের কোন দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে
= দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক।
🔸 রাশিয়া ও জার্মানির মধ্য দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস চলাচলেরর লাইনটির নাম কী ?
= নর্ড স্ট্রিম।
🔸 কোন চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয় ?
= উত্তর আটলান্টিক চুক্তি।
🔸জাতিসংঘে ইউক্রেনে হামলা বন্ধের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে কয়টি দেশ ?
= ১৪১টি।
🔸 বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশ কোনটি ?
= রাশিয়া।
🔸ইউরোপের সবচেয় বড় জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কোন দেশে অবস্থিত ?
= ইউক্রেন।
🔸 ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?
= নিপার।
🔸ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে হামলার শিকার হওয়া বাংলাদেশি জাহাজটির নাম কী ?
= এমভি বাংলার সমৃদ্ধি।

Is Training necessary ?

ট্রেনিং এর একটি কথা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে

খাবার যেমন দেহের খাদ্য তেমনি আমাদের ব্রেইনের খাদ্য হল ট্রেনিং

ট্রেনিং শত বছরের জ্ঞানকে মাত্র স্বল্প সময়ে আমাদের সামনে নিয়ে আসে

ট্রেনিং কাজকে সহজ করে দেয়

যত দামি মোবাইল ই হোক না কেন চার্জ ছাড়া যে রকম চলতে পারে না তেমনি ট্রেনিং ছাড়া আমরা মানুষ অনেকটা কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলি

ট্রেনিং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জ্ঞান কে সুশৃঙ্খলিত করে

ট্রেনিং আধুনিক এবং সমসাময়িক জ্ঞানকে সহজ করে

ট্রেনিং সমসাময়িক অনেকের সঙ্গে নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে সাহায্য করে

যথার্থ ট্রেনিং হলো অনেকটা গ্রাফটিং বা গাছে কলম দেওয়ার মতো

ট্রেনিং মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দেয়

ট্রেনিং ঠকার সুযোগ কমিয়ে দেয়

ট্রেনিং মানুষকে শিক্ষিত করে তোলে

ট্রেনিং শত বছরের জ্ঞানকে স্বল্প সময়ে আমাদের সামনে নিয়ে আসে

ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশা কি?

ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশা কি?

•ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশা হল এমন কোন কাজ যা আপনি কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে আপনার ইচ্ছামত করতে পারবেন। … আপনি অনলাইনের যেসব কাজে দক্ষ, সেসব কাজ অনলাইনে করে দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনার অনলাইন কাজের দক্ষতা অনলাইনে বিক্রি করে টাকা আয় করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয়

•যদি আপনি ইতিমধ্যে কোনো কাজের সাথে যুক্ত থেকে থাকেন সেক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কে বেছে নিতেই পারেন।

•ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয় –

•ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, সেটা নির্ভর করবে কম্পানি বা ব্যক্তির প্রয়োজন এবং আপনার স্কিলের ওপর। বর্তমানে সবথেকে চাহিদায় থাকা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলি হলো : •

➣ গ্রাফিক ডিজাইনিং (Graphics Designing)
➣ ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট (Web Development)
➣ App ডেভলপমেন্ট (Mobile App Development)
➣ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
➣ কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing)
➣ ভিডিও এডিটিং (Video Editing)

➣Digital Marketing

➣Marketing Strategy

➣Social Media Marketing

➣Community Management

➣Display Advertising

➣Lead Generation

➣Market Research

➣Email Automation

➣Search Engine Optimization

➣Search Engine Marketing

উপরে উল্লেখ করা কাজগুলি ছাড়াও অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ রয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কিভাবে পাবো

•স্কিল ডেভলপ করার পর সবথেকে প্রয়োজন হলো কাজ পাওয়া। আপনি লোকাল বিভিন্ন কম্পানি গুলিতে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ খুঁজে দেখতে পারেন, কিন্তু সবথেকে ভালো উপায় হলো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে একাউন্ট বানিয়ে নিজেদের সার্ভিস প্রোভাইড করা।

•ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে সারা বিশ্বের লোক নিজেদের প্রয়োজন মতন ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ করে, এর ফলে আপনার কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যায়। মনেরাখতে হবে আপনি যত ভালোভাবে সার্ভিসগুলি প্রোভাইড করবেন তার ওপর আপনার রেটিং বা জনপ্রিয়তা নির্ভর করবে। রেটিং ভালো থাকলে বেশি করে কাজ পাবেন আর খারাপ থাকলে পাবেন না।

•প্রতিযোগিতা সব ক্ষেত্রেই রয়েছে, তাই যেই বিষয়ে আপনি সত্যি পারদর্শী সেই বিষয়েই কাজ করুন। নিজের স্কিল ঠিকমতন ডেভলপ না করে কাজ করতে গেলে খারাপ রেটিং পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি যা পরবর্তীতে আপনার কাজ না পাওয়ার কারন হতে পারে।

Digital Marketing Training In Bangladesh
সেরা ১০ টি ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড

সেরা ১০ টি ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড

কন্টেন্ট মার্কেটিং

আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল কন্টেন্ট এর দ্বারা খুব সহজেই ভিজিটর দের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব। এজন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং কে মার্কেটিং সেক্টরের কিং হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে যা বর্তমানে সেরা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।

ভিডিও মার্কেটিং

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটারদের কাছে শর্ট ভিডিও কন্টেন্ট অনেক বেশী অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এর মূল কার ভিডিও কন্টেন্ট ব্যবহার করে সহজেই গ্রাহকদের নিকট পন্য বা সার্ভিস সম্পর্কে সামগ্রীক তথ্য উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।

চ্যাটবট ব্যবহার

চ্যাটবট ব্যবহার করে ক্লায়েন্টদের দ্রুত সাপোর্ট দেয়া সম্ভব ফলে ক্লায়েন্টরা সেরা কাস্টোমার সার্ভিস এক্সপিরিয়েন্স পায়। যা বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অভিনব ট্রেন্ড!

ফেসবুক মার্কেটিং

বর্তমানে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ফেসবুক বিজনেস প্রসারের জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে নানা স্টার্টআপ সহ অনলাইন ভিত্তিক ব্রান্ড।

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং ব্যবহার করে খুব সহজে সম্ভাব্য গ্রাহক কিংবা ভিজিটরদের নিকট সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব হয়। এটির মাধ্যমে খুব সহজেই ক্লায়েন্টদের সাথে সর্বদা টাচে থাকা যায় এবং বিভিন্ন ধরনের প্রমোশনাল মেইল সহ তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হয়। যার মাধ্যমে ভালো ধরনের সেলস জেনারেট সম্ভব হয়।

লোকাল এসইও

সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে গুগোল অন্যতম। এক ক্লিকেই কাঙ্খিত তথ্য এবং সার্ভিস বেছে নিতে প্রতিদিনই বিলিয়ন মানুষ Google এর সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে। তাই বিজনেস এর পরিধি সুবিস্তৃত করতে লোকাল এসইও করা সেরা সিদ্ধান্ত যা বর্তমানে অনেক বেশী কার্যকর হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ভালো ফলাফল পেতে সাইট ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ সহ প্রাসঙ্গিক কাজে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার এর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। যা অতিদ্রুত মার্কেটিং এর কাজকে অনেক সহজ এর ফলশ্রুত করবে বলে আশা করা যায়।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং

ইন্স্যুরেন্সের মার্কেটিং এর মূলমন্ত্র হচ্ছে জনপ্রিয় ব্যক্তিবর্গদের ফেস ভ্যালু ব্যবহার করে ব্র্যান্ড প্রমোট করা। যেহেতু ইনফ্লুয়েন্সারদের সব সময় এক ঝাঁক ফলোয়ার থেকে থাকে তাই খুব সহজেই তাদের ফলোয়ারদের নিকট ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট বিক্রি করা কিংবা প্রমোশন করা সম্ভব হয়, এই সমগ্র মার্কেটিং ফানেলের ভিতরে মূলত লুকিয়ে থাকে ইন্স্যুরেন্সের দের প্রতি আস্থা।

ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

💻ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কী:
প্রতিদিন প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ একবার হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। আর প্রতিমাসে এই সংখ্যাটা যেয়ে দাঁড়ায় ২.৩ বিলিয়নে। সেখানে প্রায় ৭ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় কোম্পানি এই বিশাল দর্শকদের জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করে।

গত এক দশকে, ফেসবুক ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসে পরিণত হয়েছে এবং ব্যবসা প্রচারের জন্য সবচেয়ে নির্ভরশীল স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফেসবুক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বর্তমান ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং পেইজ ভিজিটরদের আগ্রহ ধরে রাখতে তাদের সাথে একটি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করাই হল এর প্রধান কাজ, যাতে পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ সেই পণ্য বা সাইট সম্পর্কে জানতে পারে।

আপনি চাইলেই লিঙ্গ, বয়স, অবস্থান, চাকরি বা আগ্রহের উপর ভিত্তি করে ফেসবুকের মাইক্রো-টার্গেটিং বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে সঠিক টার্গেট ভিজিটরদের কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছা দিতে পাড়েন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সুবিধা:
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু:
আপনি ইতোমধ্যেই হয়তো জেনে থাকবেন যে অডিয়েন্স সম্পর্কে গভীরভাবে রিসার্চ করার অনুমতি ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের দিয়ে থাকে।

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট আয়, শিক্ষার স্তর, জীবনের ঘটনা, সম্পর্কের স্থিতি বা চাকরিসহ যেকোনো ধরনের অডিয়েন্স নির্বাচন করতে পারবেন। এমনকি আপনি গ্রাহকদের তাদের পছন্দের বিনোদন, খেলাধুলা, শখ ও কেনাকাটা করার অভ্যাসের মতো আগ্রহগুলো থেকেও তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন।

🔴ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি:
এই প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে আপনি অডিয়েন্সদের সরাসরি আপনার পেইজ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করাতে পারবেন। যারা ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ফলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, তারা অর্গানিক ইউজারদের থেকে বেশি জেনেই এখানে আসবেন কারণ তারা আপনার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই পণ্য সম্পর্কে জেনে নিয়েছেন।

তাই তাদের মনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। সেজন্য আপনার পণ্য সম্পর্কে আরও জানতে আপনার ফলোয়ারদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য উৎসাহিত করুন৷ এছাড়াও, যে ওয়েবসাইটটি লিঙ্ক করবেন সেখানে যদি কোনো ছবি দেওয়া থাকে, তাহলে ফেসবুক তা দিয়েই একটা বড় কভার ফটো তৈরি করে নেয়। তাই আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেইজ অথবা যেই পেইজটা লিংক করবেন সেখানে একটা আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করুন। এটি অনেক ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক বাড়াতে সাহায্য করবে।

🔴বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ফরম্যাট:
বর্তমানে ফেসবুক অ্যাড হলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সেরা ও সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র। খুব কম খরচে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন দৃষ্টিনন্দন অ্যাড তৈরি করা। আর ফেসবুক মার্কেটিংয়ে পাবেন ইমেজ, ক্যারোজেল, পোল, ভিডিও, স্লাইডশোর মতন হরেকরকম বিজ্ঞাপন ফরম্যাট।

🔴গ্রাহকদের সমর্থন:
যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার কাজ হচ্ছে পণ্য বিক্রয়ের সময়, বিক্রয়ের আগে ও পরে কাস্টমারকে সহযোগিতা করা। কাস্টমার আপনার কাছ থেকে একবার কিছু কিনে নিলেই তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না বরং সবসময় অনলাইনে কানেকটেড থাকতে হবে। কারণ আপনি চাইবেন আপনার পণ্য আরো বেশী এবং বার বার বিক্রি করতে। আর সেজন্যই কাস্টমারের সাথে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।

ফেসবুকের ক্রিয়েটর স্টুডিওতে যেয়ে অটোমেটেড রেস্পন্স অপশন থেকে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে না থাকার পরেও গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। তাছাড়া চ্যাটবট তৈরি করেও ব্যবহারকারীদের নিয়মিত করা প্রশ্নগুলোর উপর ভিত্তি করে আগেই এর উত্তর তৈরি করে রাখতে পারেন। ধরা যাক আপনি মূল্য, ডেলিভারি চার্জ, পেমেন্ট অপশন ইত্যাদি কি-ওয়ার্ড দিয়ে বেশ কিছু উত্তর সাজালেন৷

গ্রাহকদের প্রশ্নগুলোর মধ্যে যদি এই কি-ওয়ার্ডগুলো থেকে তাহলে অটোমেটিক তাদের প্রশ্নের উত্তর সেন্ড হবে। আপনার চ্যাটবট আসল কথোপকথন অনুকরণ করেই গ্রাহকের সাথে কথা বলবে। ফলস্বরূপ, আপনার কাজ অনেকটাই কমে যাবে এবং আপনি আপনার ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোয় মনোযোগ দিতে পারবেন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল:
ভিডিও অ্যাড:
এটি আপনার পণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরভাবে প্রদর্শন করার একটা দুর্দান্ত উপায়। ফেসবুক আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের রেডি-মেইড ভিডিও ব্যবহার করার অনুমতি দেয়, তেমনই পণ্য সম্পর্কে যেকোনো ভিডিও তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।

🔴ইমেজ অ্যাড:
ভিডিও তৈরির জন্য আপনার বাজেট যদি খুব কম হয়, তাহলে দ্রুত ও সহজে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞাপন তৈরি করার জন্য ইমেজ অ্যাড একটি ভাল উপায়৷ এটা আপনাকে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

🔴ক্যারোজেল অ্যাড:
এই ধরনটি একটি বিজ্ঞাপনের মধ্যে সর্বোচ্চ দশটি ছবি বা ভিডিও প্রদর্শনের অনুমতি দেয় এবং প্রতিটি ছবিতে একটি নির্দিষ্ট পণ্য তার ওয়েবসাইট পেইজের লিঙ্কসহ যুক্ত থাকে।

🔴কালেকশন অ্যাড:
এটি ফেসবুক ফিডে আপনার পণ্যগুলোকে একটা ছোট ক্যাটালগের মতন দেখাবে।

🔴কেন শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
নতুন গ্রাহক অর্জন থেকে শুরু করে আরো ভালো ব্র্যান্ড সচেতনতা গড়ে তোলা পর্যন্ত ফেসবুক অ্যাড আজকাল অনেক ছোট ব্যবসাকে অনলাইনে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। কেন আপনি ফেসবুক মার্কেটিং শিখবেন তা সম্পর্কে আরো জানতে চান? চলুন তাহলে, জেনে আসা যাক!

আপনার গ্রাহকরা তাদের দিনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ফেসবুকে ব্যয় করেন।
টার্গেটেড অডিয়েন্সকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্ম।
কম খরচে অ্যাড দেওয়া যায়।
এটি দ্রুততার সাথে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ায় ও বাজেটবান্ধব।
ওয়েবসাইটের ট্রাফিক, আয়, বিক্রয় এবং লিড বাড়ায়।
ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও ট্রাফিক বাড়ায়।
গ্রাহকদের ইমেইল তালিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।
ব্লগ ট্রাফিক বৃদ্ধি করে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়াতে পারে।
অর্গানিক মার্কেটিংয়ের চেয়ে বেশী ভালো কাজ করে।
প্রোডাক্টটাকে যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে, তত বেশি সেল জেনারেট করা যাবে।
নতুনদের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং টিপস:
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য কিন্তু খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এর জন্য সবার প্রথমে দরকার একটা ফেসবুক পেইজ। চাইলে আপনি নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকেও মার্কেটিংয়ের কাজ করতে পারেন, তবে বিজনেস পেইজগুলোর যেই সুবিধা, সেগুলো আপনি পাবেন না।

ফ্রি ও পেইড এই দুই ধরনের ফেসবুক মার্কেটিং রয়েছে। ফ্রি মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট ব্যবহার করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন। অথবা অর্থের বিনিময়ে পেইজ বুস্ট করে নিজের টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব দ্রুত পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন! আপনার পেইজের লাইক ও রিচ যদি বেশি হয় তাহলে আপনি বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মতো আপনার ফেসবুক পেইজ থেকে অন্য কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেওয়ার বিনিময়ে আপনি সেই কোম্পানি থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

🔴কিভাবে শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
এতক্ষণ ব্লগটা পড়ে ফেসবুক থেকে উপার্জন করাটা সহজ মনে হলেও, আদতে এতটাও সহজ না। কারণ আপনার মতই আরো অসংখ্য ডিজিটাল মার্কেটার ফেসবুকে কাজ করছেন। তাই তাদের থেকে নিজেকে আলাদা করে তুলতে হলে আপনার জানতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, নিজের ব্র্যান্ডকে অনলাইনে প্রমোট করার কৌশল এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন দিক, যাতে আপনার ব্র্যান্ডকে খুব সহজেই অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়

Web Development
ডিজিটাল গণিত অলিম্পিয়াড !!

গণিত

1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল

# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট

# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট

# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এক সহস্রাংশ = 0.001

গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================

#যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।:-
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি

আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি

আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================

১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================

★#সুত্র-১)সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)
1+2+3+4+……+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা
s=যোগফল
#প্রশ্নঃ 1+2+3+4+…………+100 =?
#সমাধানঃ[n(n+1)/2] = [100(100+1)/2] = 5050

★#সুত্রঃ2)সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²…….. +n²)
#প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ……. +31²) সমান কত?
#সমাধানঃS=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6] (এখানে n=শেষ সংখ্যা,31)

★#সুত্রঃ3)সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি
S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+………….+n³)

#প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
#সমাধানঃ [n(n+1)/2]2 = [10(10+1)/2]2 = 3025(উঃ)

★#সুত্রঃ4)পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +১

#প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
#সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+ ১
= [(50 – 5)/5] + 1 =10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি = [(5 + 50)/2] x 10 = 275(উঃ)

★#সুত্রঃ৫)n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = ১ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
#প্রশ্নঃ 5+8+11+14+…….ধারাটির কোন পদ 302?
#সমাধানঃধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100(উঃ)

★#সুত্রঃ6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(১ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
#প্রশ্নঃ1+3+5+…….+19=কত?
#সমাধানঃS=M²={(1+19)/2}²=(20/2)²=100(উঃ)
===========================

ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করার একটি effective টেকনিক!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
(০১) 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।
(০২) 213/5=42.6 (213*2=426)
0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)
(০৩) 12,121,212/5= 2,424,242.4
এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন, ৩.৫ সেকেন্ডের বেশি লাগবে না!!

❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 25 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটিও সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।
০২. 210/25 = 8.40
০৩. 0.03/25 = 0.0012
০৪. 222,222/25 = 8,888.88
০৫. 13,121,312/25 = 524,852.48

❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 125 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 7/125 = 0.056
টেকনিকঃ 125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।
০২. 111/125 = 0.888
০৩. 600/125 = 4.800
=====================

আসুন সহজে করি …
টপিকঃ ১০ সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।
বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল ১ থেকে ৯৯ এর মধ্যে এই পদ্বতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।
** অনেক বড় পোস্ট। অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ৫ মিনিটের মাথায় ভুলে যাবেন।
তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-
1 square = 1
2 square = 4
3 square = 9
4 square = 16
5 square = 25
6 square = 36
7 square = 49
8 square = 64
9 square = 81
এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে –
*১ আর ৯ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81);
*২ আর ৮ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64);
*৩ আর ৭ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);
*৪ আর ৬ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);
এবং ৫ একা frown emoticon
এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।
উদাহরণ ১ঃ 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।
১ম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে ‘6’ ।
২য় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা ‘6’ । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।
৩য় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন ৮ম ধাপে, পড়তে থাকুন …)
৪র্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।
৫ম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )
৬ষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6
৭ম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে ৩য় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)
৮ম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / ৬ মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।
৯ম ধাপঃ মনে আছে, ৫ম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2? এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24 !
কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
উদাহরণ ২ঃ 4225 এর বর্গমূল বের করুন।
মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেন –
– প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।
– প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।
– 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 ।
– তাই উত্তর হচ্ছে 65 !
===========================

১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ টিঃ
২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩,২৯,৩১,৩
৭,৪১,৪৩,৪৭,৫৩,৫
৯,৬১,৬৭,৭১,৭৩,৭৯,৮৩,৮৯, এবং ৯৭।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
১০৬০।
১-১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ৪ টি।
এভাবে ১-১০,১১-২০…… ১০০ পর্যন্ত
মৌলিক
সংখ্যা হল ৪,৪,২,২,৩,২,২,৩,২,১
–
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।

British & U.S British U.S
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
.
ক্যারেট কি?
.উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
.1 ক্যারেট = 2 গ্রাম

.বেল কি?
.উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
.1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।

জ্যামিতির সূত্রাবলিঃ-

সূক্ষ্ণকোণ : এক সমকোণ (৯০º) অপেক্ষা ছোট
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।

০৩. স্থুলকোণ : ৯০º অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০º
অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থুলকোণ বলে।

০৪. সমকোণ : একটি রেখা অপর একটি রেখার
উপর লম্ব হলে সমকোণ সৃষ্টি হয়।

০৫. সরলকোণ : যে কোণের পরিমাণ ১৮০º
কোণের সমান তাকে সরল কোণ বলে।

০৬. পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি ৯০º
এর সমান হয় তবে একটি কোণকে অপর কোণের
পূরক কোণ বলে।

০৭. সম্পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি
১৮০º এর সমান হলে, একটি কোণকে অপর কোণের
সম্পূরক কোণ বলে।

০৮. পৃবৃদ্ধ কোণ : দুই সমকোণ (১৮০º)
অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ (৩৬০º) অপেক্ষা
ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
===========================

বৃত্ত সম্পর্কিত তথ্য:-
1. পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়? = পরিধি
2. পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয় = চাপ
3. পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ
সরলরেখাকে বলা হয় = জ্যা ( বৃত্তের ব্যাস
হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
4. বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই = ব্যাস
5. কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে
বলা হয় = ব্যাসার্ধ

বৃত্ত সম্পর্কিত কিছু সূত্র:
1. বৃত্তের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = πr²
( যেখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ)
2. বৃত্তের পরিধির সূত্র = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 4πr²
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3
=======================

ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল:-
সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২ ভূমিXউচ্চতা
.
সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
.
সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = a/4√
(4b2-a2) যেখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু
.
সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √(3/4)a2
যেখানে, a = যে কোন বাহুর দৈর্ঘ্য
.
চতুর্ভূজের ক্ষেত্রফল
=======================
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
.
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)২
.
সামন্তরিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ভূমি x উচ্চতা
.
অন্যান্য সূত্রাবলী
.
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 x এক বাহুর পরিমাণ
===========================
সহজভাবে মনে রাখার কিছু সুত্রঃ
.
১) জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৮ = ১২
.
২) জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৭ = ১১
.
৩) বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ + ৭ = ১২
.
৪) জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৪ = ৩২
.
৫) জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৩ = ২৪
.
৬) বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫×৭=৩৫

ধন্যবাদ

Digital Marketing Course Module
ফেসবুক মার্কেটিং কী:

ফেসবুক মার্কেটিং কী:

💻ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কী:
প্রতিদিন প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ একবার হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। আর প্রতিমাসে এই সংখ্যাটা যেয়ে দাঁড়ায় ২.৩ বিলিয়নে। সেখানে প্রায় ৭ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় কোম্পানি এই বিশাল দর্শকদের জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করে।

গত এক দশকে, ফেসবুক ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসে পরিণত হয়েছে এবং ব্যবসা প্রচারের জন্য সবচেয়ে নির্ভরশীল স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফেসবুক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বর্তমান ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং পেইজ ভিজিটরদের আগ্রহ ধরে রাখতে তাদের সাথে একটি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করাই হল এর প্রধান কাজ, যাতে পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ সেই পণ্য বা সাইট সম্পর্কে জানতে পারে।

আপনি চাইলেই লিঙ্গ, বয়স, অবস্থান, চাকরি বা আগ্রহের উপর ভিত্তি করে ফেসবুকের মাইক্রো-টার্গেটিং বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে সঠিক টার্গেট ভিজিটরদের কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছা দিতে পাড়েন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সুবিধা:
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু:
আপনি ইতোমধ্যেই হয়তো জেনে থাকবেন যে অডিয়েন্স সম্পর্কে গভীরভাবে রিসার্চ করার অনুমতি ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের দিয়ে থাকে।

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট আয়, শিক্ষার স্তর, জীবনের ঘটনা, সম্পর্কের স্থিতি বা চাকরিসহ যেকোনো ধরনের অডিয়েন্স নির্বাচন করতে পারবেন। এমনকি আপনি গ্রাহকদের তাদের পছন্দের বিনোদন, খেলাধুলা, শখ ও কেনাকাটা করার অভ্যাসের মতো আগ্রহগুলো থেকেও তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন।

🔴ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি:
এই প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে আপনি অডিয়েন্সদের সরাসরি আপনার পেইজ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করাতে পারবেন। যারা ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ফলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, তারা অর্গানিক ইউজারদের থেকে বেশি জেনেই এখানে আসবেন কারণ তারা আপনার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই পণ্য সম্পর্কে জেনে নিয়েছেন।

তাই তাদের মনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। সেজন্য আপনার পণ্য সম্পর্কে আরও জানতে আপনার ফলোয়ারদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য উৎসাহিত করুন৷ এছাড়াও, যে ওয়েবসাইটটি লিঙ্ক করবেন সেখানে যদি কোনো ছবি দেওয়া থাকে, তাহলে ফেসবুক তা দিয়েই একটা বড় কভার ফটো তৈরি করে নেয়। তাই আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেইজ অথবা যেই পেইজটা লিংক করবেন সেখানে একটা আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করুন। এটি অনেক ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক বাড়াতে সাহায্য করবে।

🔴বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ফরম্যাট:
বর্তমানে ফেসবুক অ্যাড হলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সেরা ও সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র। খুব কম খরচে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন দৃষ্টিনন্দন অ্যাড তৈরি করা। আর ফেসবুক মার্কেটিংয়ে পাবেন ইমেজ, ক্যারোজেল, পোল, ভিডিও, স্লাইডশোর মতন হরেকরকম বিজ্ঞাপন ফরম্যাট।

🔴গ্রাহকদের সমর্থন:
যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার কাজ হচ্ছে পণ্য বিক্রয়ের সময়, বিক্রয়ের আগে ও পরে কাস্টমারকে সহযোগিতা করা। কাস্টমার আপনার কাছ থেকে একবার কিছু কিনে নিলেই তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না বরং সবসময় অনলাইনে কানেকটেড থাকতে হবে। কারণ আপনি চাইবেন আপনার পণ্য আরো বেশী এবং বার বার বিক্রি করতে। আর সেজন্যই কাস্টমারের সাথে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।

ফেসবুকের ক্রিয়েটর স্টুডিওতে যেয়ে অটোমেটেড রেস্পন্স অপশন থেকে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে না থাকার পরেও গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। তাছাড়া চ্যাটবট তৈরি করেও ব্যবহারকারীদের নিয়মিত করা প্রশ্নগুলোর উপর ভিত্তি করে আগেই এর উত্তর তৈরি করে রাখতে পারেন। ধরা যাক আপনি মূল্য, ডেলিভারি চার্জ, পেমেন্ট অপশন ইত্যাদি কি-ওয়ার্ড দিয়ে বেশ কিছু উত্তর সাজালেন৷

গ্রাহকদের প্রশ্নগুলোর মধ্যে যদি এই কি-ওয়ার্ডগুলো থেকে তাহলে অটোমেটিক তাদের প্রশ্নের উত্তর সেন্ড হবে। আপনার চ্যাটবট আসল কথোপকথন অনুকরণ করেই গ্রাহকের সাথে কথা বলবে। ফলস্বরূপ, আপনার কাজ অনেকটাই কমে যাবে এবং আপনি আপনার ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোয় মনোযোগ দিতে পারবেন।

🔴ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল:
ভিডিও অ্যাড:
এটি আপনার পণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরভাবে প্রদর্শন করার একটা দুর্দান্ত উপায়। ফেসবুক আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের রেডি-মেইড ভিডিও ব্যবহার করার অনুমতি দেয়, তেমনই পণ্য সম্পর্কে যেকোনো ভিডিও তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।

🔴ইমেজ অ্যাড:
ভিডিও তৈরির জন্য আপনার বাজেট যদি খুব কম হয়, তাহলে দ্রুত ও সহজে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞাপন তৈরি করার জন্য ইমেজ অ্যাড একটি ভাল উপায়৷ এটা আপনাকে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

🔴ক্যারোজেল অ্যাড:
এই ধরনটি একটি বিজ্ঞাপনের মধ্যে সর্বোচ্চ দশটি ছবি বা ভিডিও প্রদর্শনের অনুমতি দেয় এবং প্রতিটি ছবিতে একটি নির্দিষ্ট পণ্য তার ওয়েবসাইট পেইজের লিঙ্কসহ যুক্ত থাকে।

🔴কালেকশন অ্যাড:
এটি ফেসবুক ফিডে আপনার পণ্যগুলোকে একটা ছোট ক্যাটালগের মতন দেখাবে।

🔴কেন শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
নতুন গ্রাহক অর্জন থেকে শুরু করে আরো ভালো ব্র্যান্ড সচেতনতা গড়ে তোলা পর্যন্ত ফেসবুক অ্যাড আজকাল অনেক ছোট ব্যবসাকে অনলাইনে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। কেন আপনি ফেসবুক মার্কেটিং শিখবেন তা সম্পর্কে আরো জানতে চান? চলুন তাহলে, জেনে আসা যাক!

আপনার গ্রাহকরা তাদের দিনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ফেসবুকে ব্যয় করেন।
টার্গেটেড অডিয়েন্সকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্ম।
কম খরচে অ্যাড দেওয়া যায়।
এটি দ্রুততার সাথে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ায় ও বাজেটবান্ধব।
ওয়েবসাইটের ট্রাফিক, আয়, বিক্রয় এবং লিড বাড়ায়।
ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও ট্রাফিক বাড়ায়।
গ্রাহকদের ইমেইল তালিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।
ব্লগ ট্রাফিক বৃদ্ধি করে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়াতে পারে।
অর্গানিক মার্কেটিংয়ের চেয়ে বেশী ভালো কাজ করে।
প্রোডাক্টটাকে যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে, তত বেশি সেল জেনারেট করা যাবে।
নতুনদের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং টিপস:
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য কিন্তু খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না। এর জন্য সবার প্রথমে দরকার একটা ফেসবুক পেইজ। চাইলে আপনি নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকেও মার্কেটিংয়ের কাজ করতে পারেন, তবে বিজনেস পেইজগুলোর যেই সুবিধা, সেগুলো আপনি পাবেন না।

ফ্রি ও পেইড এই দুই ধরনের ফেসবুক মার্কেটিং রয়েছে। ফ্রি মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট ব্যবহার করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন। অথবা অর্থের বিনিময়ে পেইজ বুস্ট করে নিজের টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব দ্রুত পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন! আপনার পেইজের লাইক ও রিচ যদি বেশি হয় তাহলে আপনি বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মতো আপনার ফেসবুক পেইজ থেকে অন্য কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেওয়ার বিনিময়ে আপনি সেই কোম্পানি থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

🔴কিভাবে শিখবো ফেসবুক মার্কেটিং:
এতক্ষণ ব্লগটা পড়ে ফেসবুক থেকে উপার্জন করাটা সহজ মনে হলেও, আদতে এতটাও সহজ না। কারণ আপনার মতই আরো অসংখ্য ডিজিটাল মার্কেটার ফেসবুকে কাজ করছেন। তাই তাদের থেকে নিজেকে আলাদা করে তুলতে হলে আপনার জানতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, নিজের ব্র্যান্ডকে অনলাইনে প্রমোট করার কৌশল এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন দিক, যাতে আপনার ব্র্যান্ডকে খুব সহজেই অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়

Video Editing Course Module
ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর অসুবিধা

•ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ এক্ষেত্রে।

চলুন দেখে নিই এর অসুবিধাগুলোওঃ

•ফ্রিল্যান্সেরদের (Freelancer) দীর্ঘ সময় একই জায়াগায় বসে কাজ করতে হয়। এজন্য কোমর, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

•কম্পিউটার এর সামনে একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয়। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রিল্যান্সারদের চোখের সমস্যা দেখা যায়।

•এক্ষেত্রে সব কাজ বাসায় বসে করতে হয়। এর ফলে একাকীত্বের মাধ্যমে মানুষ অবসাদগ্রস্ত হয়ে যায় যেটি পরবর্তীতে বড় রুপ ধারন করতে পারে।

•প্রায়শই ঘুমের নানা রকম সমস্যায় সম্মুখীন হন ফ্রিল্যান্সাররা। কারন দেখা যায় আমাদের দেশে যখন রাত, ক্লায়েন্টের দেশে তখন দিন।

•বাইরে তেমন বের না হওয়ার কারনে রোদের স্পর্শ পায় না তেমন এই পেশার লোকজন। সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি এর অভাব হওয়াটা ব্যতিক্রম কিছু না। •

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা

•ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। তারপরও সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলো নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

•সময়ের স্বাধীনতা •

আগেই বলা হয়েছে যে, এ কাজে আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময়ে আপনি কাজ করতে পারবেন। এর পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপরে। আপনি যদি চান আপনি এখন কাজ করবেন না, আপনাকে কেউ জোর করবে না এখন কাজ করতে।

•কাজের স্বাধীনতা •

আপনি নিজেই নিজের কাজ বেছে নিতে পারবেন। আপনার যে কাজটি সব থেকে ভালো লাগে সেটিকে বেছে নিতে পারবেন ও চাইলে যতদিন ইচ্ছা ওই কাজ করে যেতে পারবেন।

•নিজের বেতন নিজে ঠিক করা •

আপনার নিজের পেমেন্ট রেট (Payment Rate) আপনি নিজে বেছে নিতে পারবেন। প্রায় প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেসেই নিজের পেমেন্ট রেট উল্লেখ করার সুযোগ রয়েছে। আপনি যত বেতনে কাজ করতে চান সেটি অনুযায়ী কাজ পাবেন এখানে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ক্রেতা মার্কেটে যেয়ে প্রডাক্ট কেনার দরকার হয় না।

প্রডাক্ট কেনার সময় অনলাইনে সার্চ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পেজ ঘুরে যাদের কাষ্টমার রিভিউ ভালো এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে অর্ডার করে থাকে।

সেক্ষেত্রে মার্কেটে যেয়ে সময়, শ্রম এবং টাকা নষ্ট করার প্রয়োজন হয় না। খুব অল্প খরচে বাসায় বসে প্রডাক্ট পেয়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বের ৫১.০৮% মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করে থাকে।

এর পরিমাণটা আরো দিনদিন বাড়ছে। তাহলে নিশ্চই বলতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ দিনদিন ভালো ছাড়া খারাপের দিকে কল্পনা করা যায় না।