Search for:
৭ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও তরজমা।

★ ৭ম রোজার তারাবীহ ★

আজ নামাজের পর আগামীকালের ৭ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১০নং পারাটি তেলাওয়াত করা হবে।

১০নং পারা থেকে (সুরা আনফালের ৪১নং আয়াত থেকে সুরা তাওবার ৯৩নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•যারা ভরসা করে আল্লাহর উপর, সে নিশ্চিন্ত। কেননা আল্লাহ অতি পরাক্রমশীল, সুবিজ্ঞ। [ সুরা আনফাল-৪৯ ]

•আল্লাহ কখনও পরিবর্তন করেন না সে সব নেয়ামত, যা তিনি কোন জাতিকে দান করেছিলেন। যতক্ষণ না সে জাতি নিজেই পরিবর্তিত করে দেয় নিজের জন্য নির্ধারিত বিষয়। বস্তুতঃ আল্লাহ শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী। [ সুরা আনফাল-৫৩ ]

•নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব তারাই- যারা কুফরী করে এবং অতঃপর আর ঈমান আনেনা। [ সুরা আনফাল-৫৫ ]

•যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না। [ সুরা আনফাল-৬০ ]

•হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর থেকে; তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন। [ সুরা আনফাল-৬৫ ]

•তোমরা দুনিয়ার ক্ষনস্থায়ী সম্পদ কামনা করছ, অথচ আল্লাহ চান তোমাদের পরকালের কল্যাণ। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা। [ সুরা আনফাল-৬৭ ]

•যারা ঈমান এনেছে, নিজেদের ঘর-বাড়ী ছেড়েছে এবং আল্লাহর রাহে জেহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে, সাহায্য-সহায়তা করেছে, তাঁরা হলো প্রকৃত মুমিন। তাঁদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রুযী। [ সুরা আনফাল-৭৪ ]

•তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদেরকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে, যতক্ষণ না আল্লাহ জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ করেছে এবং কে আল্লাহ, তাঁর রসূল ও মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে। আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। [ সুরা তাওবা-১৬ ]

•মুশরিকরা যোগ্যতা রাখে না আল্লাহর মসজিদ আবাদ করার, যখন তারা নিজেরাই নিজেদের কুফরীর স্বীকৃতি দিচ্ছে। এদের আমল বরবাদ হবে এবং এরা আগুনে স্থায়ীভাবে বসবাস করবে। [ সুরা তাওবা-১৭ ]

•নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও শেষ দিনের প্রতি এবং কায়েম করেছে নামায ও আদায় করে যাকাত; আল্লাহ ব্যতীত আর কাউকে ভয় করে না। অতএব, আশা করা যায়, তারা হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হবে। [ সুরা তাওবা-১৮ ]

•হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা সীমালংঘনকারী। [ সুরা তাওবা-২৩ ]

•তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র, তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান যাকে তোমরা পছন্দ কর-আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়। তবে অপেক্ষা কর, আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না। [ সুরা তাওবা-২৪ ]

•তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে। [ সুরা তাওবা-৩২ ]

•যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন। [ সুরা তাওবা-৩৪ ]

•সেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে। (সেদিন বলা হবে) এগুলো যা তোমরা নিজেদের জন্যে জমা রেখেছিলে। সুতরাং এক্ষণে জমা করে রাখার স্বাদ গ্রহণ কর। [ সুরা তাওবা-৩৫ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর। তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প। [ সুরা তাওবা-৩৮ ]

•যদি বের না হও, আল্লাহ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। [ সুরা তাওবা-৩৯ ]

•তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে। এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার। [ সুরা তাওবা-৪১ ]

•আল্লাহই আমাদের কার্যনির্বাহক। আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত। [ সুরা তাওবা-৫১ ]

•তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্য তিনি (রসুল) রহমতবিশেষ। আর যারা আল্লাহর রসূলের প্রতি কুৎসা রটনা করে, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। [ সুরা তাওবা-৬১ ]

•আল্লাহর সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে যে মোকাবেলা করে তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে দোযখ; তাতে সব সময় থাকবে। এটিই হল মহা-অপমান। [ সুরা তাওবা-৬৩ ]

•আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? [ সুরা তাওবা-৬৫ ]

•মুনাফেক নর-নারী সবারই গতিবিধি একরকম। শিক্ষা দেয় মন্দ কথা, ভাল কথা থেকে বারণ করে এবং নিজ মুঠো বন্ধ রাখে। আল্লাহকে ভুলে গেছে তারা, কাজেই তিনিও তাদের ভূলে গেছেন; নিঃসন্দেহে মুনাফেকরাই নাফরমান। [ সুরা তাওবা-৬৭ ]

•আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী। [ সুরা তাওবা-৭১ ]

•এরা যদি তওবা করে নেয়, তবে তাদের জন্য মঙ্গল। আর যদি তা না মানে, তবে আল্লাহ তাদেরকে আযাব দেবেন, বেদনাদায়ক আযাব দুনিয়া ও আখেরাতে। অতএব, বিশ্বচরাচরে তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী-সমর্থক নেই। [ সুরা তাওবা-৭৪ ]

•অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক এবং তারা তাদের কৃতকর্মের বদলাতে অনেক বেশী কাঁদবে। [ সুরা তাওবা-৮২ ]

•আর তাদের মধ্য থেকে কারো মৃত্যু হলে তার উপর কখনও নামায পড়বেন না এবং তার কবরে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহর প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা নাফরমান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। [ সুরা তাওবা-৮৪ ]

৬ষ্ঠ রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন

★ ৬ষ্ঠ রোজার তারাবীহ ★

আজ দিবাগত রাতে এশার নামাজের পর আগামীকালের ৬ষ্ঠ রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (অষ্টম পারার শেষ অর্ধেকাংশ এবং সম্পুর্ন নবম পারা ) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা আরাফের ১২নং আয়াত থেকে সুরা আনফালের ৪০নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•হে আদম সন্তান! প্রত্যেক নামাযের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর। আর খাও ও পান কর এবং অপব্যয় করো না। তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না। [ সুরা আরাফ-৩১ ]

•যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে এমন কাউকে আমি তার সামর্থ্যের চাইতে বেশী বোঝা দেই না। তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা তাতেই চিরকাল থাকবে। [ সুরা আরাফ-৪২ ]

•তারা স্বীয় ধর্মকে তামাশা ও খেলা বানিয়ে নিয়েছিল এবং পার্থিব জীবন তাদেরকে ধোকায় ফেলে রেখেছিল। সুতরাং, আজকে আমি তাদেরকে তেমনিভাবে ভুলে থাকবো। যেমনিভাবে তারা এ দিনের সাক্ষাতকে ভুলে গিয়েছিল এবং আমার আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করত। [ সুরা আরাফ-৫১ ]

•নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আরশের উপর অধিষ্টিত হয়েছেন। তিনি দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন- যাতে তারা একে অন্যের অনুসরণ করে ত্বরিত গতিতে। সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্র সবাই তার আদেশের অনুগামী। শুনে রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা। আল্লাহ বরকতময়, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। [ সুরা আরাফ-৫৪ ]

•তোমরা বিনীতভাবে ও সংগোপনে তোমাদের প্রতিপালককে ডাকবে। তিনি সীমা লংঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। [ সুরা আরাফ-৫৫ ]

•পৃথিবীকে শান্তি শৃঙ্খলা স্থাপনের পর তাতে বিপর্যয় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না। আল্লাহকে ভয়-ভীতি ও আশা-আকাঙ্খার সাথে ডাকো। নিশ্চয় আল্লাহর করুণা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী। [ সুরা আরাফ-৫৬ ]

•যারা আমার আয়াতসমূহকে এবং আখেরাতের সাক্ষাতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তাদের যাবতীয় আমল ধ্বংস হয়ে যায়। তারা যা করত তদনুযায়ী তাদেরকে প্রতিফল দেয়া হবে। [ সুরা আরাফ-১৪৭ ]

•যারা খারাপ কাজ করলে, তারপর তওবা করে নেয়, এবং ঈমান আনে। তবে নিশ্চয়ই তোমার আল্লাহ তো ক্ষমাকারী, করুণাময়। [ সুরা আরাফ-১৫৩ ]

•বলুনঃ হে মানব মন্ডলী। তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহ প্রেরিত রসূল। সমগ্র আসমান ও যমীনে তার রাজত্ব। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো উপাসনা নয়। তিনি জীবন ও মৃত্যু দান করেন। সুতরাং তোমরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন করো আল্লাহর উপর, তাঁর প্রেরিত উম্মী নবীর উপর। তোমরা তারই অনুসরণ কর-যিনি বিশ্বাস রাখেন আল্লাহ এবং তাঁর সমস্ত কালামের উপর। আশা করা যায় তোমরা সরল পথপ্রাপ্ত হবে। [ সুরা আরাফ-১৫৮ ]

•আর সে সময়ের কথা স্মরণ কর। যখন তোমার পালনকর্তা সংবাদ দিয়েছেন যে, অবশ্যই কেয়ামত দিবস পর্যন্ত ইহুদীদের উপর এমন লোক পাঠাতে থাকবেন যারা তাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দান করতে থাকবে। নিঃসন্দেহে তোমার পালনকর্তা শীঘ্র শাস্তি দানকারী এবং তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু। [ সুরা আরাফ-১৬৭ ]

•যারা আল্লাহর কিতাবকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে থাকে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে, নিশ্চয়ই আমি বিনষ্ট করব না সৎকর্মশীলদের সওয়াব। [ সুরা আরাফ-১৭০ ]

•আল্লাহ যাকে পথ দেখাবেন, সেই পথপ্রাপ্ত হবে। আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করবেন, সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত। [ সুরা আরাফ-১৭৮ ]

•আমি বহু জ্বিন ও মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না। তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না। আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, উদাসীন। [ সুরা আরাফ-১৭৯ ]

•আমি সৃষ্টি করেছি, তাদের মধ্যে এমন এক দলও রয়েছে যারা সত্য পথের দাওয়াত দেয় এবং ন্যায়বিচার করে। [ সুরা আরাফ-১৮১ ]

•আমি তাদেরকে ঢিল দিয়ে থাকি। নিঃসন্দেহে আমার কৌশল সুনিপূণ। [ সুরা আরাফ-১৮৩ ]

•আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন। তার কোন পথপ্রদর্শক নেই। আর আল্লাহ তাদেরকে বিভ্রান্তির মধ্যে উদভ্রান্তের মত অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে রাখেন। [ সুরা আরাফ-১৮৬ ]

•আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? বলে দিন, এর খবর তো আমার পালনকর্তার কাছেই রয়েছে। তিনিই তা অনাবৃত করে দেখাবেন নির্ধারিত সময়ে। আসমান ও যমীনের জন্য সেটি অতি কঠিন বিষয়। যখন তা তোমাদের উপর আসবে, অজান্তেই এসে যাবে। আপনাকে জিজ্ঞেস করতে থাকে, যেন আপনি তার অনুসন্ধানে লেগে আছেন। বলে দিন, এর সংবাদ বিশেষ করে আল্লাহর নিকটই রয়েছে। কিন্তু তা অধিকাংশ লোকই উপলব্ধি করে না। [ সুরা আরাফ-১৮৭ ]

•আপনি বলে দিন, আল্লাহ যা চান তাছাড়া আমি আমার নিজের কল্যাণ সাধনের এবং অকল্যাণ সাধনের মালিক নই। আর আমি যদি গায়েবের কথা জেনে নিতে পারতাম, তাহলে বহু মঙ্গল অর্জন করে নিতে পারতাম। ফলে আমার কোন অমঙ্গল কখনও হতে পারত না। আমি তো শুধুমাত্র একজন ভীতি প্রদর্শক ও সুসংবাদদাতা ঈমানদারদের জন্য। [ সুরা আরাফ-১৮৮ ]

•তারা কি এমন কাউকে শরীক সাব্যস্ত করে, যে একটি বস্তুও সৃষ্টি করেনি, বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। [ সুরা আরাফ-১৯১ ]

•আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা সবাই তোমাদের মতই বান্দা। [ সুরা আরাফ-১৯৪ ]

•তাদের কি পা আছে, যদ্বারা তারা চলাফেরা করে। কিংবা তাদের কি হাত আছে, যদ্বারা তারা ধরে। অথবা তাদের কি চোখ আছে, যদ্বারা তারা দেখতে পায়। কিংবা তাদের কি কান আছে, যদ্বারা শুনতে পায়? বলে দাও, তোমরা ডাক, আল্লাহর সাথে যাদেরকে অংশীদার করেছ, অতঃপর আমার অমঙ্গল কর এবং আমাকে অবকাশ দিও না। [ সুরা আরাফ-১৯৫ ]

•আমার সহায়তো হলেন আল্লাহ, যিনি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। বস্তুত; তিনিই সাহায্য করেন সৎকর্মশীল বান্দাদের। [ সুরা আরাফ-১৯৬ ]

•আর তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাক, তারা না তোমাদের কোন সাহায্য করতে পারবে, না নিজেদের আত্নরক্ষা করতে পারবে। [ সুরা আরাফ-১৯৭ ]

•আর ক্ষমা করার অভ্যাস গড়ে তোল। সৎকাজের নির্দেশ দাও এবং মূর্খ জাহেলদের থেকে দূরে সরে থাক। [ সুরা আরাফ-১৯৯ ]

•আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরণাপন্ন হও। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী। [ সুরা আরাফ-২০০ ]

•আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়। তখন মনযোগ সহকারে শ্রবণ কর এবং নিরব ও নিশ্চুপ থাক। যাতে তোমাদের উপর রহমত বর্ষিত হয়। [ সুরা আরাফ-২০৪ ]

•আর স্মরণ করতে থাক স্বীয় পালনকর্তাকে আপন মনে ক্রন্দনরত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় এবং এমন স্বরে যা চিৎকার করে বলা অপেক্ষা কম; সকালে ও সন্ধ্যায়। আর বে-খবর থেকো না। [ সুরা আরাফ-২০৫ ]

•তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হও। [ সুরা আনফাল-১ ]

•যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় আল্লাহর কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ারদেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে। [ সুরা আনফাল-২ ]

•যে সমস্ত লোক যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে- তারাই হল সত্যিকার ঈমানদার! তাদের জন্য রয়েছে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রুযী। [ সুরা আনফাল-৩,৪ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না। [ সুরা আনফাল-১৫ ]

•নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলার নিকট সমস্ত প্রাণীর তুলনায় তারাই মূক ও বধির, যারা উপলদ্ধি করে না। [ সুরা আনফাল-২২ ]

•হে ঈমানদারগণ, খেয়ানত করোনা আল্লাহর সাথে ও রসূলের সাথে এবং খেয়ানত করো না নিজেদের পারস্পরিক আমানতে জেনে-শুনে। [ সুরা আনফাল-২৭ ]

•নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে করে বাধাদান করতে পারে আল্লাহর পথে। [ সুরা আনফাল-৩৬ ]

৫ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও তরজমা।

★ ৫ম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর ৫ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (সপ্তম পারা সম্পুর্ন এবং অষ্টম পারার প্রথম অর্ধেকাংশ ) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা মায়েদার ৮৩নং আয়াত থেকে সুরা আরাফের ১১নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•যারা কাফের হয়েছে এবং আমার আয়াতসমুহকে মিথ্যা বলেছে, তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী। [ সুরা মায়েদা-৮৬ ]

•আল্লাহ তা’য়ালা যেসব বস্তু তোমাদেরকে দান করেছেন, তম্মধ্য থেকে হালাল ও পবিত্র বস্তু খাও এবং আল্লাহকে ভয় কর -যার প্রতি তোমরা বিশ্বাসী। [ সুরা মায়েদা-৮৮ ]

•হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি ইত্যাদি এবং লটারীর তীর -এসব গর্হিত বিষয় ও শয়তানী কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়। অতএব, এগুলো থেকে সম্পুর্ন দূরে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। [ সুরা মায়েদা-৯০ ]

•তিনিই তোমাদেরকে মাটির দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তোমাদের জীবনের জন্য একটি নির্দিষ্টকাল নির্ধারণ করেছেন। তাছাড়া আরো একটি নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে নির্ধারিত আছে। তথাপি তোমরা সন্দেহ কর। [ সুরা আন’য়াম-২ ]

•তারা কি দেখেনি যে, আমি তাদের পুর্বে বহু দল ও সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছি। যাদেরকে আমি পৃথিবীতে এমন প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, যা তোমাদেরকে দেইনি। আমি আকাশকে তাদের উপর অনবরত বৃষ্টি বর্ষণ করতে দিয়েছি এবং তাদের তলদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করে দিয়েছি। অতঃপর আমি তাদেরকে পাপের কারণে ধ্বংস করে দিয়েছি এবং তাদের পরে নতুন নতুন জাতি ও সম্প্রদায়সমূহ সৃষ্টি করেছি। [ সুরা আন’য়াম-৬ ]

•তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ, মিথ্যা আরোপকারীদের পরিণাম কি হয়েছে? [ সুরা আন’য়াম-১১ ]

•আপনি বলুন, আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হতে ভয় পাই, কেননা আমি একটি মহাদিবসের শাস্তিকে ভয় করি। [ সুরা আন’য়াম-১৫ ]

•আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করব, অতঃপর যারা শিরক করেছিল, তাদের বলবঃ যাদেরকে তোমরা আমার অংশীদার বলে ধারণা করতে, তারা এখন কোথায়? [ সুরা আন’য়াম-২২ ]

•আপনি যদি দেখেন, যখন তাদেরকে দোযখের উপর দাঁড় করানো হবে! তারা বলবেঃ কতই না ভাল হত, যদি আমরা পুনঃপ্রেরিত হতাম; তা হলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না এবং আমরা ঈমানদার হয়ে যেতাম। [ সুরা আন’য়াম-২৭ ]

•এবং তারা ইতিপূর্বে যা গোপন করত, তা তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে পড়েছে। যদি তারা পুনঃপ্রেরিত হয়, তবুও তাই করবে, যা তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী। [ সুরা আন’য়াম-২৮ ]

•পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত কিছুই নয়। পরকালের আবাস পরহেযগারদের জন্যে শ্রেষ্টতর। তোমরা কি চিন্তা ভাবনা করবে না ? [ সুরা আন’য়াম-৩২ ]

•যদি তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি পতিত হয় কিংবা তোমাদের কাছে কিয়ামত এসে যায়, তবে তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ডাকবে যদি তোমরা সত্যবাদী হও। [ সুরা আন’য়াম-৪০ ]

•বলুন, আল্লাহ যদি তোমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নেন এবং তোমাদের অন্তরে মোহর এঁটে দেন। তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে, যে তোমাদেরকে এগুলো ফিরিয়ে এনে দেবে? [ সুরা আন’য়াম-৪৬ ]

•আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ধনভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কেন চিন্তা ভাবনা কর না ? [ সুরা আন’য়াম-৫০ ]

•তোমাদের পালনকর্তা নিজের উপর দয়া ও রহমত করার নীতি বাধ্যতামূলক করে নিয়েছেন। তোমাদের মধ্যে যে কেউ অজ্ঞতা ও মূর্খতা বশতঃ কোন পাপ কাজ করলে, অনন্তর এরপরে তওবা করে নেয় এবং সৎ হয়ে যায়, তবে তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, করুণাময়। [ সুরা আন’য়াম-৫৪ ]

•হুকুমের মালিক আল্লাহ ছাড়া আর কেহ নয়।[ সুরা আন’য়াম-৫৭ ]

•তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। তার অবগতি ব্যতীত বৃক্ষ হতে একটি পাতাও ঝরে পড়ে না। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না। সমস্ত কিছুই সুস্পষ্ট কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। [ সুরা আন’য়াম-৫৯ ]

•ঐ দিন আল্লাহই একমাত্র ফয়সালা করবেন এবং তিনিই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। [ সুরা আন’য়াম-৬২ ]

•তাদেরকে বর্জন করুন, যারা নিজেদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে; এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রেখেছে। কোরআন দ্বারা তাদেরকে উপদেশ দিন, যাতে কোন ব্যক্তি স্বীয় কর্মদোষে ধ্বংস হয়ে না যায়। [ সুরা আন’য়াম-৭০ ]

•যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার করা হবে, সেদিন তাঁরই আধিপত্য হবে। তিনি অদৃশ্য বিষয়ে এবং প্রত্যক্ষ বিষয়ে সর্বজ্ঞাত। তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ। [ সুরা আন’য়াম-৭৩ ]

•যারা ঈমান আনে এবং স্বীয় বিশ্বাসকে শেরেকীর সাথে মিশ্রিত করে না, তাদের জন্যেই শান্তি এবং তারাই সুপথগামী। [ সুরা আন’য়াম-৮২ ]

•এ কোরআন এমন গ্রন্থ, যা আমি অবতীর্ন করেছি; বরকতময়, পূর্ববর্তী গ্রন্থের সত্যতা প্রমাণকারী; এবং যাতে আপনি মক্কাবাসী ও পাশ্ববর্তীদেরকে ভয় প্রদর্শন করেন। যারা পরকালে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা এই কিতাবকেও বিশ্বাস করে এবং তারা নিয়মিতভাবে নিজের নামাযও আদায় করে। [ সুরা আন’য়াম-৯২ ]

•নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর সৃষ্টিকারী। তিনি জীবন্তকে প্রানহীন থেকে বের করেন ও প্রানহীনকে জীবন্ত থেকে বের করেন। তিনি তো আল্লাহ, তাহলে তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ? [ সুরা আন’য়াম-৯৫ ]

•তিনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনিই সব কিছুর স্রষ্টা। অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তিনিই প্রত্যেক বস্তুর কার্যনির্বাহী। [ সুরা আন’য়াম-১০২ ]

•এরা আল্লাহকে ছেড়ে যাদের পূজা অর্চণা করে তোমরা তাদেরকে গালমন্দ করো না । তাহলে তারাও ধৃষ্টতা ও অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে গালমন্দ করা শুরু করবে। [ সুরা আন’য়াম-১০৮ ]

•এমনিভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্যে শত্রু করেছি শয়তান, মানব ও জিনকে। তারা ধোঁকা দেয়ার জন্যে একে অপরকে কারুকার্যখচিত কথাবার্তা শিক্ষা দেয়। [ সুরা আন’য়াম-১১২ ]

•আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মত চলেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে। [ সুরা আন’য়াম-১১৬ ]

•যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম নিয়ে জবেহ করা হয়, তা থেকে ভক্ষণ কর। যদি তোমরা আল্লাহর বিধানের উপর ঈমান রাখ। [ সুরা আন’য়াম-১১৮ ]

•যেসব জন্তু আল্লাহর নাম নিয়ে জবেহ করা হয় না, সেগুলো থেকে ভক্ষণ করো না; এগুলো ভক্ষণ করা গোনাহ। নিশ্চয় শয়তান তাদের বন্ধুদের মনে নানাপ্রকার সন্দেহ ও প্রশ্ন সৃষ্টি করে-যাতে তারা তোমাদের সাথে বিতর্ক করতে পারে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তোমরাও মুশরেক হয়ে যাবে। [ সুরা আন’য়াম-১২১ ]

•আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না। পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার করো। স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্রের কারণে হত্যা করো না। কেননা আমিই তোমাদেরকে ও তাদেরকে জীবিকা দেই। আর অশ্লীল কাজ ও কথার ধারে কাছেও যেয়ো না, তা প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য। আর আল্লাহ যার হত্যা করা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারন ছাড়া তাকে হত্যা করো না। [ সুরা আন’য়াম-১৫১ ]

•এতীমদের ধনসম্পদের কাছেও যেয়ো না; কিন্তু উত্তম পন্থায় যে পর্যন্ত সে বয়ঃপ্রাপ্ত না হয়। ওজন ও মাপ পূর্ণ কর ন্যায় সহকারে। আমি কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত কষ্ট দেই না। যখন তোমরা কথা বল, তখন সুবিচার কর, যদি সে আত্নীয়ও হয়। আর আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ কর। [ সুরা আন’য়াম-১৫২ ]

•যে একটি সৎকর্ম করবে, সে তার দশগুণ পাবে এবং যে একটি মন্দ কাজ করবে, সে তার সমান শাস্তিই পাবে। বস্তুতঃ তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। [ সুরা আন’য়াম-১৬০ ]

•আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবাণী এবং আমার জীবন ও মরন শুধুমাত্র বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য। [ সুরা আন’য়াম-১৬২ ]

•সেদিন (প্রত্যেকের আমল) ন্যায় ও যথার্থভাবে ওজন করা হবে। অতঃপর যাদের (নেক আমলের) পাল্লা ভারী হবে, তারাই সফলকাম ও কৃতকার্য হবে। [ সুরা আরাফ-৮ ]

Export Import.

Export Business এ এক্সপার্ট হোন মাত্র ৩ দিনে।
REDlovedigital বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ নতুন একটি কোর্স “Export Expert”

ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে এক্সপোর্ট বিজনেস়ে অন্যতম। সম্ভাবনাময় এই সেক্টরে সফল হতে আপনাকে জানতে হবে এই সেক্টরের সবকিছু । আর এই সবকিছু নির্ভর করছে আপনার স্কিল ও বিজনেস স্ট্রাটেজির উপর। সফলতার জন্য চাই সঠিক দিক নির্দেশনা আর প্রশিক্ষণ। এখন ঘরে বসেই এক্সপোর্ট বিজনেসে হয়ে যান এক্সপার্ট।

®কি কি শিখবেন এই কোর্সে?

International market research and analysis.
International Market development process
How to find a global buyer for Export business
International Product Development process
Shipment Process
Overall commercial activities and documentation
International Payment method
LC/ DA / DP /PRC
Foreign exchange
CNF Management
Freight forwarding management
VAT Customs
Shipping line
সহ আরো অনেক কিছু।

📞কোর্সে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য কল করুন –

Website – www.redlovedigital.com

৪র্থ রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও তরজমা

★ ৪র্থ রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর ৪র্থ রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (পঞ্চম পারার শেষ অর্ধেকাংশ এবং ষষ্ঠ পারা সম্পুর্ন) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা নিসার ৮৮নং আয়াত থেকে সুরা মায়েদার ৮২নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে কোন মুসলমানকে হত্যা করে, তার শাস্তি জাহান্নাম, তাতেই সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। [ সুরা নিসা-৯৩ ]

•গৃহে অবস্থানরত মুসলমান- যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই, এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে, সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে- আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন, গৃহে অবস্থানরতের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে গৃহে অবস্থানরতের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন। [ সুরা নিসা-৯৫ ]

•যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে পৃথিবীতে বহু প্রশস্ত স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। যে কেউ নিজ গৃহ থেকে বের হয় আল্লাহ ও রসূলের প্রতি হিজরত করার উদ্দেশ্যে, অতঃপর মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়। [ সুরা নিসা-১০০ ]

•নিশ্চয় নামাজ মুমিনদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। [ সুরা নিসা-১০৩ ]

•যে গুনাহ করে, কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়। [ সুরা নিসা-১১০ ]

•যে ভুল কিংবা গুনাহ করে, অতঃপর কোন নিরপরাধের উপর অপবাদ আরোপ করে, সে নিজের মাথায় বহন করে জঘন্য মিথ্যা ও প্রকাশ্য গুনাহ। [ সুরা নিসা-১১২ ]

•নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। [ সুরা নিসা-১১৬ ]

•যে আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়। [ সুরা নিসা-১১৯ ]

•যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণও নষ্ট হবে না। [ সুরা নিসা-১২৪ ]

•যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে, সব আল্লাহরই। সব বস্তু আল্লাহর মুষ্ঠি বলয়ে। [ সুরা নিসা-১২৬ ]

•যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে, তবে পরস্পর আপোষ মীমাংসা করে নিলে তাতে তাদের উভয়ের কোন গুনাহ নাই। বস্তুত আপোষ মীমাংসাই উত্তম। [ সুরা নিসা-১২৮ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর; তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজকর্ম সম্পর্কেই অবগত। [ সুরা নিসা-১৩৫ ]

•আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন। [ সুরা নিসা-১৪০ ]

•আল্লাহ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ শ্রবণকারী, বিজ্ঞ। [ সুরা নিসা-১৪৮ ]

•সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা। [ সুরা মায়েদা-২ ]

•আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম, এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। [ সুরা মায়েদা-৩ ]

•তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী; এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে। যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে। কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। [ সুরা মায়েদা-৫ ]

•হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও, অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-অর্থাৎ, স্বীয় মুখ-মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল। আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না। কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান-যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [ সুরা মায়েদা-৬ ]

•হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ন্যায় সাক্ষ্যদানের ব্যাপারে অবিচল থাকবে এবং কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতার কারণে কখনও ন্যায়বিচার পরিত্যাগ করো না। সুবিচার কর এটাই খোদাভীতির অধিক নিকটবর্তী। আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কর, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে খুব জ্ঞাত। [ সুরা মায়েদা-৮ ]

•আল্লাহকে ভয় কর এবং মুমিনদের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত। [ সুরা মায়েদা-১১ ]

•যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হলো তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা, আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। [ সুরা মায়েদা-৩৩ ]

•তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর; এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না। যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের। [ সুরা মায়েদা-৪৪ ]

•যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই পাপাচারী। [ সুরা মায়েদা-৪৭ ]

•তারা কি জাহেলিয়াত আমলের ফয়সালা কামনা করে? আল্লাহ অপেক্ষা বিশ্বাসীদের জন্যে উত্তম ফয়সালাকারী কে? [ সুরা মায়েদা-৫০ ]

•হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। [ সুরা মায়েদা-৫১ ]

•তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ, তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ- যারা নামাজ কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। [ সুরা মায়েদা-৫৫ ]

•আর যারা আল্লাহ, তাঁর রসূল এবং বিশ্বাসীদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারাই আল্লাহর দল এবং তারাই বিজয়ী। [ সুরা মায়েদা-৫৬ ]

৩য় রোজার তারাবীহ তেলোয়াত ও তরজমা।

আজ এশার নামাজের পর ৩য় রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (সম্পুর্ন চতুর্থ পারা এবং পঞ্চম পারার প্রথম অর্ধেকাংশ) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা আল ইমরানের ৯৩ আয়াত থেকে সুরা নিসার ৮৭ আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•আল্লাহর প্রতি যারা মিথ্যা আরোপ করেছে, তারাই জালেম সীমালংঘনকারী। [ সুরা আল ইমরান- ৯৪ ]

•(কাবা) ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। [ সুরা আল ইমরান-৯৭ ]

•হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। [ সুরা আল ইমরান-১০২ ]

•তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [ সুরা আল ইমরান-১০৩ ]

•তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি; নির্দেশ দেবে ভাল কাজের; এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে; আর তারাই হলো সফলকাম। [ সুরা আল ইমরান-১০৪ ]

•যা কিছু আসমান ও যমীনে রয়েছে সে সবই আল্লাহর; এবং আল্লাহর প্রতিই সব কিছু প্রত্যাবর্তনশীল। [ সুরা আল ইমরান-১০৯ ]

•তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। [ সুরা আল ইমরান-১১০ ]

•নিশ্চয় যারা কাফের হয়, তাদের ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কোন কাজে আসবে না। আর তারাই হলো দোজখের আগুনের অধিবাসী। তারা সে আগুনে চিরকাল থাকবে। [ সুরা আল ইমরান-১১৬ ]

•হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না; তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও। [ সুরা আল ইমরান- ১১৮ ]

•মুমিনদের উচিত আল্লাহর উপরই ভরসা করা। [ সুরা আল ইমরান-১২২ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। [ সুরা আল ইমরান-১৩০ ]

•তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়। [ সুরা আল ইমরান-১৩২ ]

•তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে, কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে, আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? …. তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ, যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। [ সুরা আল ইমরান-১৩৫,১৩৬ ]

•তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে তোমরাই জয়ী হবে। [ সুরা আল ইমরান-১৩৯ ]

•তোমাদের কি ধারণা, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনও দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জেহাদ করেছে এবং কারা ধৈর্য্যশীল। [ সুরা আল ইমরান-১৪২ ]

•যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে, যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো [ সুরা আল ইমরান-১৪৫ ]

•বহু নবী ছিলেন, যাঁদের সঙ্গী-সাথীরা তাঁদের অনুবর্তী হয়ে জেহাদ করেছে; আল্লাহর পথে, তাদের কিছু কষ্ট হয়েছে বটে, কিন্তু আল্লাহর রাহে তারা হেরেও যায়নি, ক্লান্তও হয়নি, এবং দমেও যায়নি। আর যারা সবর করে, আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন। [ সুরা আল ইমরান-১৪৬ ]

•আল্লাহ তোমাদের সাহায্যকারী, আর তাঁর সাহায্যই হচ্ছে উত্তম সাহায্য। [ সুরা আল ইমরান-১৫০ ]

•আল্লাহ যদি তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন, তবে এমন কে আছে, যে তোমাদের সাহায্য করতে পারে? আর আল্লাহর ওপরই মুসলমানের ভরসা করা উচিত। [ সুরা আল ইমরান-১৬০ ]

•যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত। [ সুরা আল ইমরান-১৬৯ ]

•আল্লাহ ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না। [ সুরা আল ইমরান-১৭১ ]

•যারা ঈমানের পরিবর্তে কুফর ক্রয় করে নিয়েছে, তারা আল্লাহ তা’আলার কিছুই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি। [ সুরা আল ইমরান-১৭৭ ]

•যারা কার্পন্য করে, তাদের সে সমস্ত ধন-সম্পদকে কিয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। [ সুরা আল ইমরান-১৮০]

•প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যু আস্বাদন করতে হবে। তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। …আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা আল ইমরান-১৮৫ ]

•নিশ্চয় আসমান ও জমিন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধসম্পন্ন লোকদের জন্যে। [ সুরা আল ইমরান-১৯০ ]

•যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায়, আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষয়ে, তারা বলে হে পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও। [ সুরা আল ইমরান-১৯১ ]

•আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। [ সুরা আল ইমরান-১৯৫ ]

•নগরীতে কাফেরদের চাল-চলন যেন তোমাদিগকে ধোঁকা না দেয়। [ সুরা আল ইমরান-১৯৬ ]

•তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর। [ সুরা নিসা-৪ ]

•যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে। [ সুরা নিসা-১০ ]

•এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে; এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে -আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। [ সুরা নিসা-১৮ ]

•আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান। মানুষকে দুর্বল করে সৃজিত করা হয়েছে। [ সুরা নিসা-২৮ ]

•পুরুষরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সেমতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন, লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে [ সুরা নিসা-৩৪ ]

•নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন। [ সুরা নিসা-৪০ ]

•এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী। [ সুরা নিসা-৫৬ ]

•নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদিগকে নির্দেশ দেন যে, তোমরা যেন প্রাপ্য আমানতসমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও। আর যখন তোমরা মানুষের কোন বিচার-মীমাংসা করতে আরম্ভ কর, তখন মীমাংসা কর ন্যায়ভিত্তিক। [ সুরা নিসা-৫৮ ]

•যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম। [ সুরা নিসা-৬৯ ]

•তোমাদের কি হল যে, তোমরা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না – দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও। [ সুরা নিসা-৭৫ ]

•তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। [ সুরা নিসা-৭৮ ]

•যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। [ সুরা নিসা-৮৫ ]

-— ৩য় রোজার তারাবীহ -—

আজ সোমবার এশার নামাজের পর ৩য় রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (সম্পুর্ন চতুর্থ পারা এবং পঞ্চম পারার প্রথম অর্ধেকাংশ) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা আল ইমরানের ৯৩ আয়াত থেকে সুরা নিসার ৮৭ আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•আল্লাহর প্রতি যারা মিথ্যা আরোপ করেছে, তারাই জালেম সীমালংঘনকারী। [ সুরা আল ইমরান- ৯৪ ]

•(কাবা) ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। [ সুরা আল ইমরান-৯৭ ]

•হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। [ সুরা আল ইমরান-১০২ ]

•তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [ সুরা আল ইমরান-১০৩ ]

•তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি; নির্দেশ দেবে ভাল কাজের; এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে; আর তারাই হলো সফলকাম। [ সুরা আল ইমরান-১০৪ ]

•যা কিছু আসমান ও যমীনে রয়েছে সে সবই আল্লাহর; এবং আল্লাহর প্রতিই সব কিছু প্রত্যাবর্তনশীল। [ সুরা আল ইমরান-১০৯ ]

•তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। [ সুরা আল ইমরান-১১০ ]

•নিশ্চয় যারা কাফের হয়, তাদের ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কোন কাজে আসবে না। আর তারাই হলো দোজখের আগুনের অধিবাসী। তারা সে আগুনে চিরকাল থাকবে। [ সুরা আল ইমরান-১১৬ ]

•হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না; তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও। [ সুরা আল ইমরান- ১১৮ ]

•মুমিনদের উচিত আল্লাহর উপরই ভরসা করা। [ সুরা আল ইমরান-১২২ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। [ সুরা আল ইমরান-১৩০ ]

•তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়। [ সুরা আল ইমরান-১৩২ ]

•তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে, কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে, আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? …. তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ, যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। [ সুরা আল ইমরান-১৩৫,১৩৬ ]

•তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে তোমরাই জয়ী হবে। [ সুরা আল ইমরান-১৩৯ ]

•তোমাদের কি ধারণা, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনও দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জেহাদ করেছে এবং কারা ধৈর্য্যশীল। [ সুরা আল ইমরান-১৪২ ]

•যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে, যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো [ সুরা আল ইমরান-১৪৫ ]

•বহু নবী ছিলেন, যাঁদের সঙ্গী-সাথীরা তাঁদের অনুবর্তী হয়ে জেহাদ করেছে; আল্লাহর পথে, তাদের কিছু কষ্ট হয়েছে বটে, কিন্তু আল্লাহর রাহে তারা হেরেও যায়নি, ক্লান্তও হয়নি, এবং দমেও যায়নি। আর যারা সবর করে, আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন। [ সুরা আল ইমরান-১৪৬ ]

•আল্লাহ তোমাদের সাহায্যকারী, আর তাঁর সাহায্যই হচ্ছে উত্তম সাহায্য। [ সুরা আল ইমরান-১৫০ ]

•আল্লাহ যদি তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন, তবে এমন কে আছে, যে তোমাদের সাহায্য করতে পারে? আর আল্লাহর ওপরই মুসলমানের ভরসা করা উচিত। [ সুরা আল ইমরান-১৬০ ]

•যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত। [ সুরা আল ইমরান-১৬৯ ]

•আল্লাহ ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না। [ সুরা আল ইমরান-১৭১ ]

•যারা ঈমানের পরিবর্তে কুফর ক্রয় করে নিয়েছে, তারা আল্লাহ তা’আলার কিছুই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি। [ সুরা আল ইমরান-১৭৭ ]

•যারা কার্পন্য করে, তাদের সে সমস্ত ধন-সম্পদকে কিয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। [ সুরা আল ইমরান-১৮০]

•প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যু আস্বাদন করতে হবে। তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। …আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা আল ইমরান-১৮৫ ]

•নিশ্চয় আসমান ও জমিন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধসম্পন্ন লোকদের জন্যে। [ সুরা আল ইমরান-১৯০ ]

•যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায়, আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষয়ে, তারা বলে হে পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও। [ সুরা আল ইমরান-১৯১ ]

•আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। [ সুরা আল ইমরান-১৯৫ ]

•নগরীতে কাফেরদের চাল-চলন যেন তোমাদিগকে ধোঁকা না দেয়। [ সুরা আল ইমরান-১৯৬ ]

•তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর। [ সুরা নিসা-৪ ]

•যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে। [ সুরা নিসা-১০ ]

•এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে; এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে -আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। [ সুরা নিসা-১৮ ]

•আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান। মানুষকে দুর্বল করে সৃজিত করা হয়েছে। [ সুরা নিসা-২৮ ]

•পুরুষরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সেমতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন, লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে [ সুরা নিসা-৩৪ ]

•নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন। [ সুরা নিসা-৪০ ]

•এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী। [ সুরা নিসা-৫৬ ]

•নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদিগকে নির্দেশ দেন যে, তোমরা যেন প্রাপ্য আমানতসমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও। আর যখন তোমরা মানুষের কোন বিচার-মীমাংসা করতে আরম্ভ কর, তখন মীমাংসা কর ন্যায়ভিত্তিক। [ সুরা নিসা-৫৮ ]

•যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম। [ সুরা নিসা-৬৯ ]

•তোমাদের কি হল যে, তোমরা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না – দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও। [ সুরা নিসা-৭৫ ]

•তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। [ সুরা নিসা-৭৮ ]

•যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। [ সুরা নিসা-৮৫ ]

২য় রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের তেলোয়াত ও তরজমা

-— ২য় রোজার তারাবীহ-—

আজ রবিবার এশার নামাজের পর ২য় রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (দ্বিতীয় পারার শেষ অর্ধেকাংশ এবং সম্পুর্ন তৃতীয় পারা) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা বাকারার ২০৪নং আয়াত থেকে সুরা আল ইমরানের ৯১নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিতরূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সুরা বাকারা-২০৮ ]

•পার্থিব জীবনের উপর কাফেরদিগকে উম্মত্ত করে দেয়া হয়েছে। আর তারা ঈমানদারদের প্রতি লক্ষ্য করে হাসাহাসি করে। পক্ষান্তরে যারা পরহেযগার তারা সেই কাফেরদের তুলনায় কেয়ামতের দিন অত্যন্ত উচ্চমর্যাদায় থাকবে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সীমাহীন রুযী দান করেন। [ সুরা বাকারা-২১২ ]

•তোমরা কি এই ধারণা কর যে, তোমরা এমনিতেই জান্নাতে চলে যাবে? অথচ সে লোকদের অবস্থা অতিক্রম করনি যারা তোমাদের পূর্বে অতীত হয়েছে। তাদের উপর এসেছে বিপদ ও কষ্ট। আর এমনিভাবে শিহরিত হতে হয়েছে, যাতে নবী ও তাঁর প্রতি যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে পর্যন্ত একথা বলতে হয়েছে যে, কখন আসবে আল্লাহর সাহায্য! তোমরা শুনে নাও, আল্লাহর সাহায্য একান্তই নিকটবর্তী। [ সুরা বাকারা-২১৪ ]

•তোমরা ব্যয় কর, পিতা-মাতার জন্য, আত্নীয়-আপন জনের জন্য, এতীম-অনাথদের জন্য, অসহায়দের জন্য এবং মুসাফিরদের জন্য। [ সুরা বাকারা-২১৫ ]

•তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না। [ সুরা বাকারা-২১৬ ]

•ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহাপাপ। [ সুরা বাকারা-২১৭ ]

•তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। [ সুরা বাকারা-২২১ ]

•আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েজ (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-২২২ ]

•সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও। [ সুরা বাকারা-২৩৮ ]

•এমন কে আছে যে, আল্লাহকে কর্জ দেবে, উত্তম কর্জ; অতঃপর আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ-বহু গুণ বৃদ্ধি করে দিবেন। আল্লাহই সংকোচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে। [ সুরা বাকারা-২৪৫ ]

•(আয়াতুল কুরসী)-
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁরই। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। [ সুরা বাকারা-২৫৫ ]

•যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোযখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে। [ সুরা বাকারা-২৫৭ ]

•যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-২৬১ ]

•যারা স্বীয় ধনসম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে না এবং কষ্টও দেয় না, তাদেরই জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে পুরস্কার এবং তাদের কোন আশংকা নেই, তারা চিন্তিতও হবে না। [ সুরা বাকারা-২৬২ ]

•শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশী অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-২৬৮ ]

•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে বিশেষ জ্ঞান দান করেন, এবং যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভুত কল্যাণকর বস্তু প্রাপ্ত হয়। উপদেশ তারাই গ্রহণ করে, যারা জ্ঞানবান। [ সুরা বাকারা-২৬৯ ]

•যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে; যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। [ সুরা বাকারা-২৭৫ ]

•নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যাকাত আদায় করেছে, তাদের জন্য পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না। [ সুরা বাকারা-২৭৭ ]

•হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক। অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। [ সুরা বাকারা-২৭৮,২৭৯]

•ঐ দিনকে ভয় কর, যে দিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কর্মের ফল পুরোপুরি পাবে এবং তাদের প্রতি কোনরূপ অবিচার করা হবে না। [ সুরা বাকারা-২৮১ ]

•হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও। [ সুরা বাকারা-২৮২ ]

•আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না। [ সুরা বাকারা-২৮৬ ]

•আল্লাহর নিকট আসমান ও যমীনের কোন বিষয়ই গোপন নেই। [ সুরা আল ইমরান-৫ ]

•তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি চেয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তিনি প্রবল পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়। [ সুরা আল ইমরান-৬ ]

•হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা, এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা। [ সুরা আল ইমরান-৮ ]

•নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন হচ্ছে একমাত্র ইসলাম। [ সুরা আল ইমরান-১৯ ]

•হে আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর, আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। [ সুরা আল ইমরান-২৬ ]

•তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও। আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর। আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর। [ সুরা আল ইমরান-২৭ ]

•মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোন সম্পর্ক থাকবে না। [ সুরা আল ইমরান-২৮ ]

•(হে রসূল) বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর।[ সুরা আল ইমরান-৩১ ]

•আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। যখন কোন কাজ করার জন্য ইচ্ছা করেন তখন বলেন যে, `হয়ে যাও’ অমনি তা হয়ে যায়। [ সুরা আল ইমরান-৪৭ ]

•কাফেরেরা ষড়যন্ত্র করেছিল, আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহই হচ্ছেন শ্রেষ্ঠতম কৌশলী। [ সুরা আল ইমরান-৫৪ ]

•যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য মুল্যে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কোন অংশ নেই। আর তাদের সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদেরকে পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুতঃ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। [ সুরা আল ইমরান-৭৭ ]

•তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য দ্বীন তালাশ করছে? আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তাঁরই অনুগত হবে এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাবে। [ সুরা আল ইমরান-৮৩ ]

•যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত। [ সুরা আল ইমরান-৮৫ ]

•যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই। [ সুরা আল ইমরান-৯১ ]

Collected.

চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রমজান শুরু

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল রোববার থেকে ১৪৪৩ হিজরি সনের রমজান মাস শুরু হবে। শনিবার রাতে তারাবিহ’র নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহেরি খেয়ে রোববার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

১ম রোজার তারাবীহ নামাজে তেলোয়াত ও তরজমা।

আসুন জেনে নেই। আজ শনিবার দিবাগত রাতে এশার নামাজের পর ১ম রোজার তারাবীহ নামাজে (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) পবিত্র কোরআনের যে অংশটুকু তেলাওয়াত করা হবে:-

১ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের সম্পুর্ন প্রথম পারা এবং দ্বিতীয় পারার প্রথম অর্ধেকাংশ নিয়ে সর্বমোট দেড় পারা তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা (সুরা বাকারার ১নং আয়াত থেকে ২০৩ নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•এই সেই কিতাব (কোরআন) যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। [ সুরা বাকারা-২,৩]

•আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্র। [ সুরা বাকারা-১৪ ]

•হে নবী, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধা সহধর্মিনীগন থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। [ সুরা বাকারা-২৫ ]

•সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে গোপন করো না। [ সুরা বাকারা-৪২ ]

•নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়। [ সুরা বাকারা-৪৩ ]

•ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। [ সুরা বাকারা-৪৫ ]

•সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৪৮ ]

•আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন। [ সুরা বাকারা-৭৪ ]

•যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে। [ সুরা বাকারা-৮২ ]

•এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৮৬ ]

•আপনি তাদেরকে জীবনের প্রতি সবার চাইতে, এমনকি মুশরিকদের চাইতেও, অধিক লোভী দেখবেন। তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন তারা হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে। [ সুরা বাকারা-৯৬ ]

•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা। [ সুরা বাকারা-১০৫ ]

•আল্লাহর কাছেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য। আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। [ সুরা বাকারা-১০৭ ]

•যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১০৮ ]

•নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত আদায় কর। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন। [ সুরা বাকারা-১১০ ]

•যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয়, এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। [ সুরা বাকারা-১১৪ ]

•পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-১১৫ ]

•তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, `হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১১৭ ]

•নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (রাসুলুল্লাহ) সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। [ সুরা বাকারা-১১৯ ]

•তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। [ সুরা বাকারা-১২৩ ]

•আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে? আমরা তাঁরই এবাদত করি। [সুরা বাকারা-১৩৮ ]

•তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ সুরা বাকারা-১৫২ ]

•হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন। [ সুরা বাকারা-১৫৩ ]

•যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না। [ সুরা বাকারা-১৫৪ ]

•অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। [ সুরা বাকারা-১৫৫ ]

•নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা’নত। [ সুরা বাকারা-১৬১ ]

•পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষন কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সুরা বাকারা-১৬৮ ]

•তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। [ সুরা বাকারা-১৭৩ ]

•সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে। বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর; আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন , মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী- তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। [ সুরা বাকারা-১৭৭ ]

•হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [ সুরা বাকারা-১৮৩ ]

•রমজান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন; যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ, আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর; যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। [ সুরা বাকারা-১৮৫ ]

•রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। আল্লাহ এমনিভাবে বর্ণনা করেন নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে। [ সুরা বাকারা-১৮৭ ]

Collected.

ডিজিটাল মার্কেটিং এ Expert হবার জন্য সেরা কোর্স

Expert ডিজিটাল মার্কেটার হতে চান?

RED LOVE DIGITAL BD আপনার জন্য নিয়ে এসেছে ডিজিটাল মার্কেটিং এ Expert হবার জন্য সেরা কোর্স। যা শিখে আপনি হতে পারবেন পুরোদস্তুর Expert Digital Marketer.

🎯 কেন শিখবেন?
👉 যদি উদ্যোক্তা হতে চান, ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজি আপনার জন্য জরুরি
👉 অধিক সেল জেনারেট করতে পারবেন
👉 ইকমার্স ব্যবসা করতে চাচ্ছেন, আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং জানা অবশ্যক
👉ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আপনি ফ্রিল্যান্সিং কিংবা অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন
👉 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, আম্যাজন অ্যাফিলিয়েট কিংবা সিপিএ করতে ডিজিটাল মার্কেটিং জানা অবশ্যক
👉 এসইও, অনলাইন মার্কেটিং স্ট্রেটিজি কিংবা রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং অপরিহার্য
👉 এসইও , সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা অ্যানালাইসিস সেক্টরে জব করতে ডিজিটাল মার্কেটিং জানতে হবে
👉 থাকছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসে ঘরে বসেই উপার্জন করার সুযোগ

কি কি শিখবেন এই কোর্সে
👉 COURSE MODULE
👉 Facebook Business Page
👉 Facebook Advertising
👉 Facebook Re-targeting
👉 Keyword for SEO
👉 All about Website
👉 Content Strategy
👉 Complete On Page/OFF Page/Local/Technical SEO
👉 YouTube Channel
👉 Instagram Overview
👉 Google Ads
👉 E-mail Marketing
👉 LinkedIn Marketing
👉 Marketplace Class

সহ আরো অনেক কিছু।
তাই এখনই রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সটিতে। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে।