Search for:
সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।

জান্নাত থেকে আসছে
জমজম কূপের পানি!
২৪ জন ডুবুরি জম জম কূপের তলদেশে গিয়ে নিয়ে এলেন অজানা তথ্য!!
আল্লাহ পাকের কুদরত দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা !

ষাটের দশকের কথা। তখন ছিল বাদশাহ্ খালেদের
শাসনামল। ওই সময় আধুনিক যন্ত্রপাতির দিয়ে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল জম জম কূপটি।
জম জম কূপটি পরিষ্কারের কাজ তত্বাবধান করেন প্রকৌশলী “ইয়াইয়া কোশক”

তার প্রদত্ত বিবরণ থেকে বলা যায়, বড় ধরনের কয়েকটি পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে পানি উৎসারিত হচ্ছে।
সবচাইতে বড় পাথরের উপর স্পষ্ট আরবী হরফে “বিসমিল্লাহ্” কথাটি উৎকলিত রয়েছে।

রসুলুল্লাহর (সাঃ) এর দাদা আবদুল মুত্তালিব-এর সময় কূপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট।
খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায় খনন করা হয় এই জম জম কূপ।

এ সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমনকি কূপের বাইরে পানি উপচে পড়া শুরু করেছিল।
দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পর সৌদি সরকার আধুনিক মেশিনের সাহায্যে কূপ পুনঃখনন করেন।

২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য।
ডুবুরিরা দেখেন, সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে।
আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে। তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে বিস্মিত হয়ে যান!

বর্তমানে জম জম কূপের গভীরতা ৫১ ফুট।
এক নজরে জম জম কূপঃ
▪️আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
▪️ভারী পানি উত্তোলনের মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০
লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।

▪️পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
▪️সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।

▪️এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ,
এমনকি হজ্ব মউসুমে ব্যবহার কয়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না।

▪️সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে আছে।
▪️এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান অন্যান্য পানির থেকে বেশী,
এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা না, এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।

▪️এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান বেশী থাকার কারণে
▪️এতে কোন জীবানু জন্মায় না ।
▪️এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
সুবহানআল্লাহ্ ।

-Collected.

২১তম রোজার তারাবির নামাজে পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াত ও তরজমা।

★ ২১তম রোজার তারাবীহ ★
[মহিমান্বিত শবে ক্বদরের অধিকতর সম্ভাবনাময় বেজোড় একটি রাত]

আজ এশার নামাজের পর ২১তম রোজার শবে ক্বদরের সম্ভাবনাময় রাতে (অধিকতর সম্ভাবনার বেজোড় রাতের অন্যতম একটি রাত) তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের ২৪তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

২৪তম পারা (সুরা যুমার এর ৩২ আয়াত থেকে সুরা হা-মীম এর ৪৬ আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো-

•যারা সত্য নিয়ে আগমন করেছে এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে; তারাই তো আল্লাহভীরু।
তাদের জন্যে পালনকর্তার কাছে তাই রয়েছে, যা তারা চাইবে। এটা সৎকর্মীদের পুরস্কার। [সুরা যুমার-৩৩-৩৪]

•আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। [সুরা যুমার-৩৭]

•আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, এবং যারা মরেনি তাদের প্রাণও নিদ্রার সময়। অতঃপর যার জন্য মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন, তার প্রাণ তিনি রেখে দেন, এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [সুরা যুমার-৪২]

•যখন একক আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয়ে যায়; আর যখন আল্লাহ ব্যতীত তাদের দেবতাদের নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লসিত হয়ে উঠে। [সুরা যুমার-৪৫]

•মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে। এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি আমার জ্ঞানের মাধ্যমে লাভ করেছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না। [সুরা যুমার-৪৯]

•হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [সুরা যুমার-৫৩]

•আল্লাহ মুত্তাকীদের উদ্ধার করবেন তাদের সাফল্যসহ; তাদেরকে অনিষ্ট স্পর্শ করবে না এবং তারা চিন্তিতও হবে না। [সুরা যুমার-৬১]

•যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, আসমান ও যমীনে যারা আছে সবাই বেহুঁশ হয়ে যাবে, তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন তারা ব্যতীত। অতঃপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে। [সুরা যুমার-৬৮]

•পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা স্থাপন করা হবে, নবীগনকে ও সাক্ষীগণকে হাজির করা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে ও তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। [সুরা যুমার-৬৯]

•কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন জাহান্নামের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে; এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবেঃ তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে কোন পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হ্যাঁ, অবশ্যই এসেছিল। বস্তুত কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে। [সুরা যুমার-৭১]

•যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবেঃ তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর চিরস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। [সুরা যুমার-৭৩]

•(আল্লাহ) যিনি পাপ ক্ষমা করেন এবং তওবা কবুল করেন; যিনি শাস্তিদানে কঠোর, শক্তিশালী। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। প্রত্যাবর্তন তাঁরই নিকট। [সুরা মু’মিন-৩]

•যারা আরশ বহন করে এবং যারা তার চতুস্পার্শ ঘিরে আছে, তারা তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে; তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছুতে পরিব্যাপ্ত। অতএব, যারা তওবা করে এবং আপনার পথ অবলম্বন করে চলে, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন। [সুরা মু’মিন-৭]

•তোমরা আল্লাহকে ডাক তাঁর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। [সুরা মু’মিন-১৪]

•আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন দুঃখ কষ্টে তাদের প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে। [সুরা মু’মিন-১৮]

•যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতন্ডায় লিপ্ত হয়, তাদের একাজ আল্লাহ ও মুমিনদের দৃষ্টিতে অতিশয় ঘৃনাহ। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী ও স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন। [সুরা মু’মিন-৩৫]

•পার্থিব জীবনতো কেবল অস্থায়ী উপভোগের বস্তু, আর পরকাল হচ্ছে চিরস্থায়ী বসবাসের গৃহ। [সুরা মু’মিন-৩৯]

•তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা তাঁকেই ডাক তাঁর এবাদতে একনিষ্ঠ হয়ে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহর প্রাপ্য। [সুরা মু’মিন-৬৫]

•তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি এবং দেখেনি তাদের পূর্ববর্তীদের কি পরিণাম হয়েছিল? তারা তাদের চেয়ে সংখ্যায় বেশী এবং শক্তি ও কীর্তিতে অধিক প্রবল ছিল। অতঃপর তাদের কর্ম তাদেরকে কোন উপকার দেয়নি। [সুরা মু’মিন-৮২]

•নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার। [সুরা হা-মীম-৮]

•আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা। [সুরা হা-মীম-১২]

•ঐ ব্যক্তির কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার, যে আল্লাহর দিকে মানুষকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমিতো আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। [সুরা হা-মীম-৩৩]

•এ গুণের অধিকারী করা হয় শুধু তাদেরকেই যারা ধৈর্য্যশীল; এবং এ গুণের অধিকারী করা হয় শুধু তাদেরকেই যারা মহা ভাগ্যবান। [সুরা হা-মীম-৩৫]

•তোমরা সূর্যকে সেজদা করো না, চন্দ্রকেও না; সেজদা কর শুধু আল্লাহকে, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা প্রকৃত তাঁরই এবাদত কর। [সুরা হা-মীম-৩৭]

•আমি যদি আরবী ভাষায় কোরআন নাজিল না করতাম, তবে অবশ্যই তারা বলত, এর আয়াতসমূহ পরিস্কার ভাষায় বিবৃত করা হয়নি কেন? কি আশ্চর্য যে, এ কিতাবের ভাষা অনারবীয় এবং রসূল আরবী ভাষী! বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার। কিন্তু যারা অবিশ্বাসী তাদের কানে আছে বধিরতা, আর কোরআন তাদের জন্যে অন্ধত্ব। তাদেরকে যেন দূরবর্তী স্থান থেকে আহবান করা হয়। [সুরা হা-মীম-৪৪]

Kodak কোম্পানির কথা মনে আছে?

Kodak কোম্পানিকে মনে আছে?
১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি “চতুর্থ শিল্প বিপ্লব”-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

উবের কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল উবের।

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

2019 সালের মধ্যেই রাস্তায় নামতে চলেছে চালকহীন গাড়ি। 2020 সালের মধ্যেই এই একটা আবিষ্কার বদলে দিতে পারে গোটা দুনিয়ার চালচিত্র। এর ফলে সামনের 10 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবেরের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পুর্ন চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 5-10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে “প্লাস্টিক টাকায়” পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে

২০তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তরজমা।

★ ২০তম রোজার তারাবীহ ★

আজ নামাজের পর আগামীকালের ২০তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ২৩তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

২৩তম পারা (সুরা ইয়া-সীনের ২২নং আয়াত থেকে সুরা যুমারের ৩১নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•পবিত্র মহান তিনি, যিনি উদ্ভিদ, মানুষ এবং তারা যাদেরকে জানেনা, তাদের প্রত্যেককে সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়। [ সুরা ইয়া-সীন-৩৬ ]

•সূর্যের পক্ষে সম্ভব নয় চন্দ্রের নাগাল পাওয়া এবং রাতের পক্ষে সম্ভব নয় দিনকে অতিক্রম করা; এবং প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে। [ সুরা ইয়া-সীন-৪০ ]

•যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখনই তারা কবর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে আসবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৫১ ]

•আজকের দিনে কারও প্রতি জুলুম করা হবে না এবং তোমরা যা করবে কেবল তারই প্রতিফল পাবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৪ ]

•এদিন জান্নাতীরা আনন্দে মগ্ন থাকবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৫ ]

•তারা এবং তাদের সঙ্গিনীরা সুশীতল ছায়ায় সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৬ ]

•সেখানে তাদের জন্যে থাকবে ফলমূল এবং থাকবে যা তারা ফরমায়েশ করবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৭ ]

•করুণাময় পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাদেরকে বলা হবে ‘সালাম’। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৮ ]

•আর হে অপরাধীরা! আজ তোমরা পৃথক হয়ে যাও। [ সুরা ইয়া-সীন-৫৯ ]

•হে আদম সন্তান! আমি কি তোমাদেরকে বলে রাখিনি যে, শয়তানের এবাদত করো না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? [ সুরা ইয়া-সীন-৬০ ]

•এই সে জাহান্নাম, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হতো। [ সুরা ইয়া-সীন-৬৩ ]

•আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব, তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৬৫ ]

•মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি শুক্র বিন্দু থেকে? অথচ পরে সে হয়ে পরে প্রকাশ্য বাকবিতন্ডাকারী। [ সুরা ইয়া-সীন-৭৭ ]

•তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন কেবল বলে দেন, `হও’ ; তখনই তা হয়ে যায়। [ সুরা ইয়া-সীন-৮২ ]

•অতএব পবিত্র তিনি, যাঁর হাতে সবকিছুর রাজত্ব এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা ইয়া-সীন-৮৩ ]

•তোমরা অবশ্যই বেদনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করবে। তোমরা যা করতে, তারই প্রতিফল পাবে।
তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দা। তাদের জন্যে রয়েছে নির্ধারিত রুযি; ফল-মূল এবং তারা হবে সম্মানিত।
নেয়ামতের উদ্যানসমূহ; তারা মুখোমুখি আসনে আসীন হবে।
তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে বিশুদ্ধ সূরাপূর্ণ পাত্র, স্বচ্ছ সুশুভ্র, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
তাতে ক্ষতিকর কোন উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।
আর তাদের সংগে থাকবে নত, আয়তলোচনা হুরবৃন্দ। যেন তারা সুরক্ষিত ডিম। [ সুরা সাফফাত-৩৮-৪৯ ]

•নিশ্চয় এই মহা সাফল্য।
এমন সাফল্যের জন্যে পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত। [ সুরা সাফফাত-৬০,৬১ ]

•এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?
আমি যালেমদের জন্যে একে বিপদ করেছি।
এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।
এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।
কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে। তদুপরি তাদেরকে দেয়া হবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ, অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে। [ সুরা সাফফাত-৬২-৬৮ ]

•ইব্রাহীম বললঃ তোমরা নিজেরা যাদেরকে স্বহস্তে খোদাই করে নির্মান কর, তোমরা কি তাদেরই পূজা কর? অথচ আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নির্মাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। [ সুরা সাফফাত-৯৫,৯৬ ]

•নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি, এ কারণে যে, তারা হিসাবদিবসকে ভূলে যায়। [ সুরা সা’দ-২৬ ]

•আমি আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোন কিছু অযথা সৃষ্টি করিনি। [ সুরা সা’দ-২৭ ]

•জেনে রাখ, অবিমিশ্র এবাদত আল্লাহরই প্রাপ্য। যারা আল্লাহ ব্যতীত অপরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে রেখেছে এবং বলে যে, আমরা তাদের উপাসনা এ জন্যেই করি যে, যেন তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের মধ্যে তাদের পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যাবাদী ও কাফের, আল্লাহ তাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না। [ সুরা যুমার-৩ ]

•তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একই ব্যক্তি থেকে। অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন; এবং তিনি তোমাদের জন্যে দিয়েছেন আট প্রকার গৃহপালিত পশু। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা, সার্বভৌমত্ব তাঁরই। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ? [ সুরা যুমার-৬ ]

•যদি তোমরা অস্বীকার কর, তবে আল্লাহ তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তিনি তাঁর বান্দাদের অকৃতজ্ঞতা পছন্দ করেন না। পক্ষান্তরে যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্যে তা পছন্দ করেন। একের পাপের ভার অন্যে বহন করবে না। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ফিরে যাবে। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কর্ম সম্বন্ধে অবহিত করবেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও অবগত। [ সুরা যুমার-৭ ]

•হে আমার বিশ্বাসী বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। যারা এ দুনিয়াতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা সবরকারী, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত। [ সুরা যুমার-১০ ]

•যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে। [ সুরা যুমার-১৭ ]

•আল্লাহ উত্তম বাণী তথা কিতাব নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে; এরপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ নির্দেশ, এর মাধ্যমে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই। [ সুরা যুমার-২৩ ]

১৯তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তরজমা

★ ১৯তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৯তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ২২তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

২২তম পারা (সুরা আহযাবের ৩১নং আয়াত থেকে সুরা ইয়া-সীনের ২১নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব; এবং তার জন্য আমি সম্মানজনক রিযিক প্রস্তুত রেখেছি। [ সুরা আহযাব-৩১ ]

•নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালনকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, , যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। [ সুরা আহযাব-৩৫ ]

•আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেহ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করলে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। [ সুরা আহযাব-৩৬ ]

•মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞাত। [ সুরা আহযাব-৪০ ]

•মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। [ সুরা আহযাব-৪১ ]

•তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন-অন্ধকার থেকে তোমাদেরকে আলোয় নিয়ে আসার জন্য। তিনি মুমিনদের প্রতি পরম দয়ালু। [ সুরা আহযাব-৪৩ ]

•আপনি কাফের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের উৎপীড়ন উপেক্ষা করুন ও আল্লাহর উপর ভরসা করুন। আল্লাহ কার্যনিবার্হীরূপে যথেষ্ট। [ সুরা আহযাব-৪৮ ]

•আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তাঁর নবীর জন্য রহমতের দোয়া করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও। [ সুরা আহযাব-৫৬ ]

•যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি। [ সুরা আহযাব-৫৭ ]

•হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। [ সুরা আহযাব-৫৯ ]

•লোকেরা আপনাকে কেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহর কাছেই। আপনি কি করে জানবেন যে সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটেই। [ সুরা আহযাব-৬৩ ]

•তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল।
হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহা অভিসম্পাত করুন। [ সুরা আহযাব-৬৭,৬৮ ]

•কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ; সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। [ সুরা সা’বা-৩ ]

•যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়, তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। [ সুরা সা’বা-৫ ]

•যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল ঘুণ পোকাই, যা সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন সোলায়মান মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, জিনদের যদি অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান থাকতো, তাহলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না। [ সুরা সা’বা-১৪ ]

•যেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফেরেশতাদেরকে বলবেন, এরা কি তোমাদেরই পূজা করত? [ সুরা সা’বা-৪০ ]

•ফেরেশতারা বলবে, আপনি পবিত্র; আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শয়তানে বিশ্বাসী। [ সুরা সা’বা-৪১ ]

•অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না। আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর। [ সুরা সা’বা-৪২ ]

•বলুন, আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না বরং তা তোমরাই রাখ। আমার পুরস্কার তো আল্লাহর কাছে রয়েছে। তিনি প্রত্যেক বস্তুরই দ্রষ্টা। [ সুরা সা’বা-৪৭ ]

•সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহ; তারা দুই-দুই, তিন-তিন ও চার-চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি তার সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। [ সুরা ফাতির-১ ]

•হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে প্রতারণা না করে। এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে। [ সুরা ফাতির-৫ ]

•তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটি আবর্তন করে এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত। ইনি আল্লাহ; তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকারী নয়। [ সুরা ফাতির-১৩ ]

•যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, নামায কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারাই আশা করতে পারে এমন ব্যবসার যাতে কখনও লোকসান হবে না। [ সুরা ফাতির-২৯ ]

•আপনি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না। [ সুরা ফাতির-৪৩ ]

•যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমান কাউকে ছেড়ে দিতেন না। কিন্তু তিনি এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন। অতঃপর যখন সে নির্দিষ্ট মেয়াদ এসে যাবে তখন আল্লাহ হবেন তাঁর বান্দাদের সম্যক দ্রষ্টা। [ সুরা ফাতির-৪৫ ]

•আমিই মৃতদেরকে জীবিত করি এবং তাদের কর্ম ও কীর্তিসমূহ লিপিবদ্ধ করি। আমি প্রত্যেক বস্তু স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত রেখেছি। [ সুরা ইয়া-সীন-১২ ]

•হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা রসূলগণের অনুসরণ কর। অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। [ সুরা ইয়া-সীন-২০,২১ ]

১৮তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও তরজমা

★ ১৮তম রোজার তারাবীহ ★

আজ নামাজের পর আগামীকালের ১৮তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ২১তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

২১তম পারা (সুরা আনকাবুতের ৪৫নং আয়াত থেকে সুরা আহযাবের ৩০নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। [ সুরা আনকাবুত-৪৫ ]

•হে ঈমানদার বান্দাগণ, আমার পৃথিবী প্রশস্ত। অতএব তোমরা আমারই এবাদত কর। [ সুরা আনকাবুত-৫৬ ]

•জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আনকাবুত-৫৭ ]

•আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছা হ্রাস করেন। নিশ্চয়, আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত। [ সুরা আনকাবুত-৬২ ]

•এই পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক বৈ তো কিছুই নয়। আর পরকালের গৃহই প্রকৃত জীবন; যদি তারা জানত। [ সুরা আনকাবুত-৬৪ ]

•যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা তৈরি করে, অথবা তার কাছে সত্য আসার পর তাকে অস্বীকার করে, তার কি স্মরণ রাখা উচিত নয় যে, জাহান্নামই সেসব কাফেরের আশ্রয়স্থল হবে? [ সুরা আনকাবুত-৬৮ ]

•যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে যাবে। তাদের দেবতাগুলোর মধ্যে কেউ তাদের সুপারিশ করবে না। এবং তারা তাদের দেবতাকে অস্বীকার করবে। [ সুরা রূম-১২,১৩ ]

•আর যারা কাফের এবং আমার আয়াতসমূহ ও পরকালের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলছে, তাদেরকেই আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে। [ সুরা রূম-১৬ ]

•তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা স্মরণ কর সন্ধ্যায় ও সকালে, এবং অপরাহ্নে ও মধ্যাহ্নে। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে, প্রশংসা তাঁরই। [ সুরা রূম-১৭,১৮ ]

•আল্লাহর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক; এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [ সুরা রূম-২১ ]

•আল্লাহর আরও এক নিদর্শন হচ্ছে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃজন এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [ সুরা রূম-২২ ]

•তুমি একনিষ্ঠভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। [ সুরা রূম-৩০ ]

•সবাই আল্লাহ অভিমুখী হও এবং তাঁকে ভয় কর, নামায কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। [ সুরা রূম-৩১ ]

•আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর রিযিক দিয়েছেন, এরপর তোমাদের মৃত্যু দেবেন, এরপর তোমাদের জীবিত করবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এসব কাজের মধ্যে কোন একটিও করতে পারবে? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা থেকে পবিত্র ও মহান। [ সুরা রূম-৪০ ]

•মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব। [ সুরা রূম-৪৭ ]

•আল্লাহ দূর্বল অবস্থায় তোমাদের সৃষ্টি করেন, অতঃপর দূর্বলতার পর শক্তিদান করেন, অতঃপর শক্তির পর দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। [ সুরা রূম-৫৪ ]

•আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোড় নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু’বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। [ সুরা লুকমান-১৪ ]

•নামায কায়েম কর, সৎকাজে আদেশ দাও, মন্দকাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ। [ সুরা লুকমান-১৭ ]

•অহংকারবশে মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। [ সুরা লুকমান-১৮ ]

•পদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং কন্ঠস্বর নীচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর। [ সুরা লুকমান-১৯ ]

•পৃথিবীতে যত বৃক্ষ আছে, সবই যদি কলম হয় এবং সমুদ্রের সাথেও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয়, তবুও আল্লাহর বাক্যাবলী লিখে শেষ করা যাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। [ সুরা লুকমান-২৭ ]

•হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, এবং ভয় কর এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোন কাজে আসবে না এবং পুত্রও তার পিতার কোন উপকার করতে পারবে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয় এবং আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তানও যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে। [ সুরা লুকমান-৩৩ ]

•নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই কেয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং গর্ভাশয়ে যা থাকে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকল্য সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন দেশে সে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। [ সুরা লুকমান-৩৪ ]

•আমি জিন ও মানব সকলকে দিয়ে অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করব। [ সুরা সাজদা-১৩ ]

•কেউ জানে না তার জন্যে তার কৃতকর্মের পরিনামে কি কি নয়ন-প্রীতিকর প্রতিদান লুক্কায়িত আছে। [ সুরা সাজদা-১৭ ]

•যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে তাদের কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের জান্নাত। [ সুরা সাজদা-১৯ ]

•যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করার পরও, সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার চেয়ে যালেম আর কে? আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দেব। [ সুরা সাজদা-২২ ]

•ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না। [ সুরা সাজদা-২৯ ]

•আল্লাহর উপর ভরসা কর। কার্যনির্বাহীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট। [ সুরা আহযাব-৩ ]

•নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং নবীর স্ত্রীগণ মুমিনদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-মাহফুযে লিখিত আছে। [ সুরা আহযাব-৬ ]

•যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে। [ সুরা আহযাব-২১ ]

•হে নবী, আপনার পত্নীগণকে বলুন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা কর, তবে আস, আমি তোমাদের ভোগের ব্যবস্থা করে দেই এবং উত্তম পন্থায় তোমাদের বিদায় দেই। [ সুরা আহযাব-২৮ ]

•পক্ষান্তরে, যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রসূল ও পরকাল কামনা কর, তবে তোমাদের সৎকর্মপরায়ণদের জন্য আল্লাহ মহাপুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন। [ সুরা আহযাব-২৯ ]

১৭তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তরজমা

★ ১৭তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৭তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ২০তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

২০তম পারা (সুরা নাম’লের ৬০নং আয়াত থেকে সুরা আনকাবুতের ৪৪নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•বলতো, কে পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থিত রাখার জন্যে পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তবুও তাদের অধিকাংশই জানে না। [ সুরা নাম’ল-৬১ ]

•আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়েবের খবর জানে না; এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে। [ সুরা নাম’ল-৬৫ ]

•নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ। [ সুরা নাম’ল-৭৩ ]

•আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন রহস্য নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে নেই। [ সুরা নাম’ল-৭৫ ]

•এবং নিশ্চিতই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত। [ সুরা নাম’ল-৭৭ ]

•যখন প্রতিশ্রুতি (কেয়ামত) সমাগত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে বের করব একটি জীব। সে মানুষের সাথে কথা বলবে। এ কারণে যে, মানুষ আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না। [ সুরা নাম’ল-৮২ ]

•যেদিন আমি সমাবেত করব একেকটি দলকে, সেসব সম্প্রদায় থেকে, যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলত; অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে। [ সুরা নাম’ল-৮৩ ]

•যেদিন সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়। [ সুরা নাম’ল-৮৭ ]

•যে কেউ সৎকর্ম নিয়ে আসবে, সে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান পাবে এবং সেদিন তারা গুরুতর অস্থিরতা থেকে নিরাপদ থাকবে। [ সুরা নাম’ল-৮৯ ]

•এবং যে অসৎ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অগ্নিতে অধঃমূখে নিক্ষেপ করা হবে। তোমরা যা করছিলে, তারই প্রতিফল তোমরা পাবে। [ সুরা নাম’ল-৯০ ]

•আমি তাদেরকে নেতা করেছিলাম। তারা লোকদেরকে জাহান্নামের দিকে আহবান করত। কেয়ামতের দিন তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না। [ সুরা কাসাস-৪১ ]

•আমি এই পৃথিবীতে অভিশাপকে তাদের পশ্চাতে লাগিয়ে দিয়েছি; এবং কেয়ামতের দিনেও তারা হবে দুর্দশাগ্রস্ত লোকদের অন্তর্ভুক্ত। [ সুরা কাসাস-৪২ ]

•আল্লাহর হেদায়েতের পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ দেখান না। [ সুরা কাসাস-৫০ ]

•তাদেরকে দুইবার পুরস্কৃত করা হবে; কারন তারা ধৈর্যশীল এবং তারা ভাল দ্বারা মন্দের মোকাবেলা করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। [ সুরা কাসাস-৫৪ ]

•আপনি যাকে পছন্দ করেন তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না, তবে আল্লাহ তা’আলাই যাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন। এবং তিনিই ভাল জানেন কে সৎপথ অনুসরণকারী। [ সুরা কাসাস-৫৬ ]

•তোমাদেরকে যা কিছু দেয়া হয়েছে, তা পার্থিব জীবনের ভোগ ও শোভা বৈ নয়। আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা উত্তম ও স্থায়ী। তোমরা কি বোঝ না ? [ সুরা কাসাস-৬০ ]

•তাদেরকে বলা হবে, তোমরা তোমাদের দেবতাগুলিকে আহবান কর। তখন তারা ডাকবে; অতঃপর তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না। তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, হায়! তারা যদি সৎপথ অনুসরণ করত। [ সুরা কাসাস-৬৪ ]

•তিনিই আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। ইহকাল ও পরকালে তাঁরই প্রশংসা। বিধান তাঁরই ক্ষমতাধীন এবং তোমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা কাসাস-৭০ ]

•পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চেয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না। [ সুরা কাসাস-৭৭ ]

•আপনি আপনার পালনকর্তার প্রতি দাওয়াত দিতে থাকুন এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। [ সুরা কাসাস-৮৭ ]

•আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজগুলো মিটিয়ে দিব; এবং তাদেরকে কর্মের উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দিব। [ সুরা আনকাবুত-৭ ]

•কাফেররা মুমিনদেরকে বলে, আমাদের পথ অনুসরণ কর। আমরা তোমাদের পাপভার বহন করব। অথচ তারা পাপভার কিছুতেই বহন করবে না। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী। [ সুরা আনকাবুত-১২ ]

•তারা নিজেদের পাপভার এবং তার সাথে আরও কিছু পাপভার বহন করবে। অবশ্য তারা যে সব মিথ্যা কথা উদ্ভাবন করে, সে সম্পর্কে কেয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হবে। [ সুরা আনকাবুত-১৩ ]

•তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে কেবল প্রতিমারই পূজা করছ এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছ। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের পূজা করছ, তারা তোমাদের রিযিকের মালিক নয়। কাজেই আল্লাহর কাছে রিযিক তালাশ কর, তাঁরই এবাদত কর এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আনকাবুত-১৭ ]

•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন এবং যার প্রতি ইচ্ছা রহমত করেন। তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আনকাবুত-২১ ]

•তোমরা স্থলে ও অন্তরীক্ষে আল্লাহকে ব্যর্থ করতে পারবে না এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন হিতাকাঙ্খী নেই, সাহায্যকারীও নেই। [ সুরা আনকাবুত-২২ ]

•যারা আল্লাহর আয়াত সমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে, তারাই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবে এবং তাদের জন্যেই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। [ সুরা আনকাবুত-২৩ ]

•আমি প্রত্যেককেই তার অপরাধের কারণে পাকড়াও করেছি। তাদের কারও প্রতি প্রেরণ করেছি প্রস্তরসহ প্রচন্ড বাতাস, কাউকে পেয়েছে বজ্রপাত, কাউকে আমি বিলীন করেছি ভূগর্ভে এবং কাউকে করেছি নিমজ্জিত। আল্লাহ তাদের প্রতি যুলুম করেননি; কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছে। [ সুরা আনকাবুত-৪০ ]

•যারা আল্লাহর পরিবর্তে অপরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করে তাদের উদাহরণ মাকড়সা। সে নিজের জন্য ঘর বানায়। আর সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো অধিক দুর্বল, যদি তারা জানত। [ সুরা আনকাবুত-৪১ ]

499 !! মার্কেটিং ও সংখ্যার ফাঁদ

মার্কেটিং ও সংখ্যার ফাঁদ

রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমরা মেনুর উপরে দাম লেখা দেখি 499 বা Four Hundred Ninety-Nine কেন? চাইলেতো তারা 499.00 ও লিখতে পারত। আবার, আমি যখন কোথাও ক্যাশব্যাক পাব, তখন কেন 100 না লিখে 100.00 লেখা হয়?

মার্কেটিং এর সংখ্যার খেলাটা আমাদের মনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের মার্কেটাররা যে আমাদের মনের সাথে সংখ্যা নিয়ে খেলছেন তা আমরা ঘুনাক্ষরেও বুঝি না। শুভংকরের ফাঁকি ধরতে পারলেও আমরা অতটা গা করি না। তবে, এর বাইরেও রয়েছে সংখ্যার এক অদৃশ্য খেলা।

বিজ্ঞাপনে পণ্যে সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকলে তা বিজ্ঞাপনকে অনেক আকর্ষণীয় করে। এর মূল ব্যপার হল তথ্য যা আমাদের মনের উপর অনেক গভীর প্রভাব ফেলে। এজন্যই বিজ্ঞাপনগুলোতে আমরা অমুক-তমুক ইন্সটিটিউশনের তথ্য পাই, বিশেষ করে সাংখ্যিক, যা পণ্যের গুনাগুনকে ভ্যালিডিটি দেয়। আর পাঠককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
কপিরাইটাররা বিজ্ঞাপনের কপি লিখার আগে এই সাংখ্যিক তথ্য নিয়ে অনেক গবেষণা করে, তবেই তারা ফাইনাল কপিতে হাত দেয়।

যেমন ১০০০ আমেরিকান ডাক্তারের মতে ‘X’ নামক টুথপেস্টই দাঁতের জন্য উপযুক্ত।
পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, পণ্যের ভেতরকার ইনফো, দাম এবং ওয়ারেন্টি-গ্যারান্টি সবই সংখ্যায় লেখা হয়, যা ক্রেতার মনে উৎসাহ সৃষ্টি করে।

So, whenever you get the chance to substantiate your claims with numbers — take it.

সংখ্যার এই ক্ষমতাটা আমরা কম বেশি সবাই জানি, তবে এর পেছনে আরো গল্প রয়েছে। সংখ্যার এই জটিল ভাষা আমাদের অবচেতন মনে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে।
মানুষ তাদের মন ও হৃদয় দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আবেগতাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই সিদ্ধান্ত আবার মগজ দিয়ে জাস্টিফাই করে, , হোক ভাল কিংবা মন্দ। আপনি মানুষের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়াকে একবার ধরে ফেলতে পারলেই আপনার বিজ্ঞাপন অনেক আকর্ষণীয় হবে। শুধু বিজ্ঞাপন না, দৈনন্দিন জীবনেও কাজে লাগাতে পারবেন।

নিচের কিছু উদাহরণ পড়ি-
–১ বছরে প্রতি মাসে মাত্র ৮৩৩ টাকা বিনিয়োগ করে খুব সহজেই আয় করুন ১০ হাজার টাকা।

–১ বছরে, ১২ মাস ধরে মাত্র আটশত তেত্রিশ টাকা বিনিয়োগ করে খুব সহজেই আয় করুন ১০০০০.০০ টাকা।

আপনি বাকিদের মত হলে, খুব সহজেই বলবেন ১ নং উদাহরণটি সহজ ও ২ নং টি কঠিন ও সেকেলে। সে যাই হোক।, এ নিয়ে পরে আসছি।

যখন আপনি কোন সংখ্যাকে বড় করে দেখাতে চাইলে, সংখ্যার সাথে দশমিক দিয়ে শূন্য যোগ করবেন, আর ছোট দেখাতে চাইলে শূন্য ও দশমিক বাদ দিবেন।

এ ছাড়াও ১ টাকা কমিয়ে ৯৯৯৯ বানাতে পারেন, এতে বেশিরভাগ ক্রেতার মনে ওই ৯ সংখ্যাটাই ঘুরবে।

ঠিক এই কারণেই বড়বড় রেস্টুরেন্টের মালিকরা তাদের মেনুতে ডলার অথবা টাকার চিহ্ন, দশমিক বা দিয়ে মেনুর প্রাইসটা চোখের জন্য এতটাই আরামদায়ক রাখে যে ক্ষুধার্ত ক্রেতা দামের দিকে দেখে ক্ষুধার জ্বালায় সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

‘আশি টাকার বিরিয়ানি’ নিঃসন্দেহে ‘৮০ টাকার বিরিয়ানি’ ও ‘৮০.০০ টাকার বিরিয়ানির’ চেয়ে অনেক বেশি বিক্রি হবার সম্ভাবনা রাখে।

উপরের বিনিয়োগের উদাহরণে আপনি হলে কোন প্যাকেজে বিনিয়োগ করতেন? আমি হলে ১০০০০.০০ এর করতাম।

বিজ্ঞাপন দেয়ার আগে সিদ্ধান্ত নিন, কোন দিকটাতে আপনি ট্রাফিক চাচ্ছেন, কোন দিকটি আপনার পণ্যের জন্য ক্ষতিকর, আর কোন দিকটি আপনার পণ্যের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন লেখার সময় আপনার পণ্যকে নখদর্পনে রাখুন, সংখ্যার এই জটিল বিন্যাসের মানে এই না যে আপনি ক্রেতার সাথে চালাকি করছেন, বরং এটা ভাবুন যে আপনি অনভিজ্ঞ ক্রেতাকে আপনার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সবচেয়ে সেরা পণ্যটি বাছাই করতে সাহায্য করছেন। ‘

সময়ের খেলা-

সময়ের ব্যপারে আমি ১ বছর ও ১২ মাস এই দুটোকে প্রাধান্য দিই। ক্ষেত্র অনুসারে ১ বছর ও ১২ মাস কথাটি ব্যবহার করি। ১ বছর সমান ১২ মাস আমরা সবাই জানি। ১২ মাস স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতার মনে লম্বা সময়ের ধারণা নিয়ে আসে।

যেমন, এই পণ্য কিনলে আপনি পাবেন প্রায় ১২ মাসের ওয়ারেন্টি।

এখন, সেই প্রোডাক্ট ওয়ারেন্টির জন্য নিয়ে আসার পর যদি দেখি প্রোডাক্ট ঠিক করে সার্ভিস দিতে ১২ মাস লাগবে, আমি তখন ক্রেতাকে বলব, স্যার মাত্র ১ বছরেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত সেবা।

সংখ্যার এই ব্যপারটিকে ইংরেজিতে Unitosity বলে। আমাদের অদ্ভুত মন একেকসময় সংখ্যাকে একেকভাবে ধরে নেয়। এবং মার্কেটারদের ঘাম ছুটতে বাকি থাকে না। ব্যপারগুলো ক্রমাগত মানুষের আচরণের সাথে পরিবর্তিত হয়।

সময়ের একককে ভেঙে উপস্থাপন করলে আমাদের মন দ্রুতই তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা শুরু করে।

যেমন, এক সপ্তাহ অবশ্যই এক দিনের চেয়ে বড়। এই দুটো সময়ের মধ্যে বড় করে উপস্থাপন করতে চাইলে দিনের চেয়ে সপ্তাহ বেশি যুক্তিযুক্ত।

যেমন-
এই কোর্স করার জন্য আপনি পাচ্ছেন দুই সপ্তাহ সময়, এর মধ্যে আকাঙ্খিত ফল না পেলে আপনি পাচ্ছেন মানি ব্যাক গ্যারান্টি
এবং,
এই কোর্স করার জন্য আপনি পাচ্ছেন চৌদ্দ দিন সময়, এর মধ্যে না আকাঙ্খিত ফল না পেলে আপনি পাচ্ছেন মানি ব্যাক গ্যারান্টি।

বেশিরভাগ লোকের কাছেই ১ নং উদাহরণেই বেশি সময় পাচ্ছে বলে মনে হবে।
আশা করি তফাৎটা ধরতে পেরেছেন, আরেকটু বলি, আপনাকে একটা দ্বীপে নির্বাসনে থাকতে বললে, আপনি মাসের পর মাস থাকবেন, নাকি বছরের পর বছর? সারাজীবন থাকতে হলেও, মাস কথাটি আপনার মনে স্বস্তি দিবে।

উপরের সব লেখার মানে এই না যে, ‘এটাই সাইন্স’। আপনার বিজ্ঞাপনের উপর নির্ভর করে আপনি কীভাবে সংখ্যা ব্যবহার করবেন।

আরো চাই আরো!

মানুষ স্বভাবতই বেশি চায়। সবকিছুতেই বেশি চাই তার। আমি জানি না মানুষ কতটুকু মিনিমালিস্ট হতে পারে সমাজে, কিন্তু কষ্টের আয় করার টাকাটা সবাইই চায় একটু বেশি হোক।

তাই আপনার হাতে মাল-মশলা কম থাকলেও মানুষকে বেশি দেয়ার চেষ্টা করেন।
ধরুন আপনি, বিরিয়ানি বেঁচেন, আশি টাকায় এক প্লেট আখনী বিরিয়ানি।
আপনার প্রতিযোগিও আশি টাকায় এক প্লেট একই রেসিপিতে একই স্বাদের বিরিয়ানি বিক্রি করে।

তো আপনার প্রতিযোগির কাস্টোমার বাগাবেন কিভাবে? একে ব্লু ওশান স্ট্র্যাটেজি বলে, এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে চাইলে ৬ মাসের একটা কোর্স বানানো সম্ভব। যাই হোক সে নিয়ে পড়ে লিখব।

তো, আপনি চাইলে আপনার বিজ্ঞাপনে লিখতে পারেন,
হাটহাজারির কোন প্রকার রাসায়নিক সার ছাড়া, কৃষকের হাতে সন্তানের মত লালিত পালিত করার পর উৎপাদিত মরিচ, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী অমুক বাবুর্চির সিক্রেট রেসিপির মেজবানী মশলার অসাধারণ মিশ্রন, ঘানি ভাঙা সরিষার তেল, শান্তির হাটের ঘাস খাওয়া দেশী গরুর সকালের টাটকা মাংস দিয়ে একদম ঘরোয়া পরিবেশে মোটা চালের গরম ধোয়া ওঠা আখনি…

দেখুন, দুইজনে একই উপাদান ব্যবহার করার পরেও প্রথম দেখায় আপনি কার কাছে যাবেন?

নিজেকে প্রশ্ন করুন।

আমাদের পেমেন্ট মেথড সেট করার সময় আমরা কিছুটা ছাড় দিই। ধরুন, আপনি আমাদের কাছে একটি সার্ভিস নিয়ে এলেন যাতে আপনি ১২০০ টাকা প্রতি বছর আপনি চার্জ করেন।

১২০০ টাকা হয়ত অনেকের জন্য অনেক টাকা, তখন আপনার উচিৎ হবে আপনার সার্ভিসকে ব্রেক ডাউন করে প্রতি মাসে ৯৭ টাকা সাবস্ক্রিপশনে সেটা করে দেয়া।
হয়ত ৩৬ টাকা আপনি লস দিলেন। কিন্তু ১১৬৪ টাকা একেবারে কিছু না থাকার চেয়ে অনেক ভাল। অন্তত ০ অংক চেয়ে।

শিরোনামের ব্যবহার-

১- সবসময় সংখ্যা শিরোনামের শুরুতে ব্যবহার করবেন। যেমন- 9 Things That Can Make You Confident.
Nine Things… এভাবে লিখবেন না।

২- সংখ্যা শুরুতেই ব্যবহার করুন। লেখার মাঝে নয়।

৩- কন্টেন্টে ১-১০ এর মধ্যে সংখ্যা ব্যবহার করুন। দরকার হলে সাবহেডে কন্টেন্ট ভেঙ্গে লিখুন।

‘৪১ টি উপায়ে অনলাইনে আয় করতে পারেন’- ৪১ টি পয়েন্ট পড়তে পাঠকের বয়েই গেল।

৪- বিজোড় সংখ্যা ব্যবহার করুন। ১০ টি উপায়ে অনলাইনে আয় করুন, না লিখে ১১ টি বা ৯ টি লিখতে পারেন। এটি কন্টেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।

৫- ৭ এবং ৯ সংখ্যা মানুষের মনে অনেক বড় প্রভাব ফেলে। এ দুটোর মিশ্রন দারুন কাজে দেয়।

যেমন আপনি পণ্যের মূল্য ১৯৯ বা ১৭৭ না রেখে ১৯৭ বা ১৭৯ রাখতে পারেন। একবার করেই দেখুন কেমন ফল পান।

ছোটবেলায় পড়া শতকিয়া-ধারাপাত যে এভাবে কাজে লেগে যাবে, তা কখনো বুঝি নি।
শেষে সংখ্যা নিয়ে একটি কথাই বলতে চাই

There are two rules in life, 1- Never give out all the information.

অনলাইন থেকে।

বাংলাদেশের চলমান প্রজেক্ট, মেগা প্রজেক্ট শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময়ঃ

♥বাংলাদেশের চলমান প্রজেক্ট, মেগা প্রজেক্ট শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময়ঃ

♦খুলনা রেল সেতু – জুন ২০২২
♦বেকুটিয়া সেতু – জুন ২০২২
♦মিরপুর – কালশী ফ্লাইওভার – জুন ২০২২
♦কালনা সেতু – জুন ২০২২
♦৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু – জুন২০২২
♦ঢাকা – টাঙ্গাইল ৪ লেন – জুন ২০২২
♦বনানী – এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেসওয়ে – জুন ২০২২
♦পদ্মা সেতু -জুন ২০২২
♦ভাঙা মাওয়া রেল – জুন ২০২২
♦লোহালিয়া সেতু – জুলাই ২০২২
♦গোমা সেতু – আগস্ট ২০২২
♦নড়াইল – খুলনা সেতু -ডিসেম্বর ২০২২
♦চট্টগ্রাম – কক্সবাজার রেল -ডিসেম্বর ২০২২
♦কুলাউড়া – শাহবাজপুর রেল – ডিসেম্বর ২০২২
♦মেট্রোরেল – আগারগাঁও – উত্তরা – ডিসেম্বর ২০২২
♦বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক (সিলেট,রাজশাহী) – ডিসেম্বর ২০২২
♦খুলনা – মংলা রেলওয়ে – ডিসেম্বর ২০২২
♦জয়দেবপুর – ঢাকা ডাবল রেললাইন – ডিসেম্বর ২০২২
♦বিআরটি -৩ – জানুয়ারি ২০২৩
♦পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে – মার্চ ২০২৩
♦কর্ণফুলী টানেল – মার্চ ২০২৩
♦রামপাল বিদ্যুৎ – এপ্রিল ২০২৩
♦যমুনা রেল সেতু – জুন ২০২৩
♦মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ – ডিসেম্বর ২০২৩
♦রূপপুর পারমাণবিক -১ – ডিসেম্বর ২০২৩
♦ঢাকা – মাওয়া রেল – ডিসেম্বর ২০২৩
♦ঢাকা – রংপুর ৪ লেন – জানুয়ারি ২০২৪
♦যশোর – ঝিনাইদহ ৪ লেন – জানুয়ারী ২০২৪
♦কমলাপুর – আগারগাঁও মেট্রোরেল – জানুয়ারি ২০২৪
♦পায়রা বন্দর ড্রেজিং – জুন ২০২৪
♦মংলা বন্দর ড্রেজিং – জুন ২০২৪
♦রূপপুর পারমাণবিক ২ – ডিসেম্বর ২০২৪
♦আমিনবাজার ৮ লেন সেতু – ডিসেম্বর ২০২৪
♦রংপুর – লালমনিরহাট ৪ লেন – ডিসেম্বর ২০২৪
♦ভাঙা – যশোর রেল – ডিসেম্বর ২০২৪
♦কক্সবাজার বিমানবন্দর – ডিসেম্বর ২০২৪
♦খুলনা বিদ্যুৎ কেন্দ্র – ডিসেম্বর ২০২৪
♦ঢাকা – ইস্ট ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে – জুন ২০২৫
♦বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ – জুন ২০২৫
♦ঢাকা বাইপাস – জুন ২০২৫
♦মাগুরা ফরিদপুর রেল – জুন ২০২৫
♦রংপুর পঞ্চগড় ৪ লেন – জুন ২০২৫
♦পতেঙ্গা বে টার্মিনাল – জুন ২০২৫
♦বঙ্গবন্ধু শিল্প অঞ্চল – জুন ২০২৫
♦মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর – জুন ২০২৫
♦কুতুবখালী – বনানী এক্সপ্রেসওয়ে – জুন ২০২৫
♦পানগুচি সেতু – জুন ২০২৫
♦ঢাকা আরিচা ৪ লেন – জুন ২০২৫
♦৩য় মেঘনা সেতু – জুন ২০২৫
♦পায়রা – ভাঙা ৪ লেন – জুন ২০২৬
♦বেনাপোল – ভাঙা ৪ লেন – জুন ২০২৬
♦নলুয়া – বহেরচর সেতু – জুন ২০২৬
♦শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম – জুন ২০২৬
♦ঢাকা – আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে – জুন ২০২৬
♦চাঁদপুর শরীয়তপুর টানেল – জুন ২০২৬
♦চট্টগ্রাম মেট্রোরেল – জুন ২০২৭
♦যমুনা টানেল – জুন ২০২৭
♦চাঁদপুর – শরীয়তপুর সেতু – জুন ২০২৭
♦ভোলা – বরিশাল সেতু – জুন ২০২৭
♦ঢাকা সিলেট ৪ লেন – জুন ২০২৭
♦তিস্তা ব্যারেজ – জুন ২০২৭
♦ভাঙা – পায়রা রেল – জুন ২০২৮
♦ঢাকা সাবওয়ে রেল ( ১,২,৩,৪) – জুন ২০২৮
♦বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার – জুন ২০২৮
♦শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাটি – জুন ২০২৮
♦সাবরাং টুরিজম পার্ক – জুন ২০২৮
♦নাফ টুরিজম পার্ক – জুন ২০২৮
♦সোনাদিয়া টুরিজম পার্ক – জুন ২০২৮

★আরও আছে প্রায় চার শতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প চলমান!

সূত্র ঃ অনলাইন

১৬তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তরজমা

★ ১৬তম রোজার তারাবীহ ★

আজ এশার নামাজের পর আগামীকালের ১৬তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১৯তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।

১৯তম পারা (সুরা ফুরকানের ২১নং আয়াত থেকে সুরা নাম’লের ৫৯নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং কোরআনের সাহায্যে তাদের সাথে কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে যান। [ সুরা ফুরকান-৫২ ]

•তিনিই সমান্তরালে দুই সমুদ্র প্রবাহিত করেছেন- একটি মিষ্ট, তৃষ্ণা নিবারক ও অপরটি লোনা, বিস্বাদ; উভয়ের মাঝখানে রেখেছেন একটি অন্তরায়, একটি দুর্ভেদ্য আড়াল। [ সুরা ফুরকান-৫৩ ]

•তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানুষকে, অতঃপর তাকে রক্তগত, বংশ ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। তোমার পালনকর্তা সবকিছু করতে সক্ষম। [ সুরা ফুরকান-৫৪ ]

•আমি আপনাকে সুসংবাদ ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করেছি। [ সুরা ফুরকান-৫৬ ]

•আপনি সেই চিরঞ্জীবের উপর ভরসা করুন, যার মৃত্যু নেই এবং তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করুন। তিনি বান্দার গোনাহ সম্পর্কে যথেষ্ট অবহিত। [ সুরা ফুরকান-৫৮ ]

•তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের অন্তর্বর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃস্টি করেছেন; অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি পরম দয়াময়। তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস করে দেখ। [ সুরা ফুরকান-৫৯ ]

•’রাহমান’ এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম। [ সুরা ফুরকান-৬৩ ]

•এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সেজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান হয়ে; [ সুরা ফুরকান-৬৪ ]

•এবং যারা বলে, হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছ থেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ; [ সুরা ফুরকান-৬৫ ]

•এবং তারা যখন ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না, আবার কৃপণতাও করে না এবং তাদের পন্থা হয় এতদুভয়ের মধ্যবর্তী। [ সুরা ফুরকান-৬৭ ]

•যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহকে পুন্য দ্বারা পরিবর্তত করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [ সুরা ফুরকান-৭০ ]

•বলুন, আমার পালনকর্তা পরওয়া করেন না যদি তোমরা তাঁকে না ডাক। তোমরা অস্বীকার করেছ, অতএব সত্বর নেমে আসবে অনিবার্য শাস্তি। [ সুরা ফুরকান-৭৭ ]

•আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।
যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?
তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।
ইব্রাহীম বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?
অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?
তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারাও এরূপই করত।
ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূঁজা করে আসছ।
তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?
তারা সবাই আমার শত্রু, বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত। [ সুরা শু’য়ারা- ৬৯-৭৭ ]

•যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,
তিনিই আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,
যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।
তিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর তিনিই পুনঃর্জীবন দান করবেন।
আমি আশা করি তিনিই শেষ বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর,
এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।
[ সুরা শু’য়ারা- ৭৮-৮৫ ]

•এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,
যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;
কিন্তু সে ব্যতীত, যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।
জান্নাতকে আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।
এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।
তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।
আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?
অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে। [ সুরা শু’য়ারা- ৮৭-৯৪ ]

•যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে সুশোভিত করে দিয়েছি। অতএব, তারা উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। [ সুরা নাম’ল -৪ ]

•হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ দাও যাতে আমি তোমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ; এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকর্ম করতে পারি; এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর। [ সুরা নাম’ল -১৯ ]

•এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং যে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে জানুক যে, আমার পালনকর্তা অভাবমুক্ত মহানুভব। [ সুরা নাম’ল -৪০ ]

•তারা এক চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও এক কৌশল করলাম। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি। [ সুরা নাম’ল -৫০ ]